এইচ অার রুবেল :
জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরীর ৪৬তম জন্মদিন আজ
১৯৭৪ সালের ১ জুন তিনি জন্মগ্রহণ করেন। চঞ্চল চৌধুরী ১৯৭৪ সালের ১লা জুলাই পাবনার জেলার সুজানগর উপজেলার নাজিরগঞ্জ ইউনিয়নের কামারহাট গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম রাধা গোবিন্দ চৌধুরী এবং মায়ের নাম নমিতা চৌধুরী।
পাঁচ বোন ও তিন ভাইয়ের মধ্যে তিনি সবার ছোট।
চঞ্চল চৌধুরীর স্ত্রীর নাম শান্তা । তিনি একজন ডাক্তার এবং একটি মেডিকেল কলেজের শিক্ষক। তাদের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। নাম শুদ্ধ।
তিনি গ্ৰামের স্কুল কামারহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন। এরপর উদয়পুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৯০ সালে মাধ্যমিক এবং ১৯৯২ সালে রাজবাড়ি সরকারি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক সম্পূর্ণ করেন। উচ্চমাধ্যমিক শেষ করার পর ১৯৯৩ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চারুকলায় ভর্তি হন।
ছোটবেলা থেকেই আবৃত্তি আর নাটকের প্রতি নেশা ছিল। পরে মঞ্চ নাটকের প্রতি একটা আগ্রহ সৃষ্টি হয়। ছাত্র অবস্থাতেই ১৯৯৬ সালে মামুনুর রশীদের আরণ্যক নাট্যদলের সাথে কাজ করার মধ্য দিয়েই অভিনয় জীবনের শুরু করেন। তার অভিনীত প্রথম নাটক আরণ্যক নাট্যদলের "কালো দৈত্য।"
২০০৪ সালে, ফজলুর রহমান বাবু (অভিনেতা) চঞ্চলকে পরিচয় করিয়ে দেন প্রখ্যাত পরিচালক গিয়াস উদ্দিন সেলিম এবং মোস্তফা সারওয়ার ফারুকির সাথে। এরপর তাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। একের পর এক নাটক করে দর্শক মনে নিজ জায়গা করে নিয়েছেন।
ফরিদুর রহমান পরিচালিত ‘গ্রাস’ নাটকে তিনি প্রথম নায়কের ভূমিকায় অভিনয় করেন। মোস্তফা সরওয়ার ফারুকীর "তাল পাতার সেপাই" নাটক দিয়ে দর্শকের কাছে পরিচিত হয়ে ওঠেন।
বড়পর্দায় অভিষেক হয় ২০০৬ সালে তৌকির আহমেদ পরিচালিত "রূপকথার গল্প" দিয়ে। তিনি ২০০৯ সালে গিয়াস উদ্দিন সেলিম পরিচালিত "মনপুরা" ছবিতে সোনাই চরিত্রে অভিনয় করেন। এই ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি ৩৪তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ফেরদৌসের সাথে যৌথভাবে শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়া ১১তম মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার -এ সেরা অভিনেতা হিসেবে দর্শক জরিপ পুরস্কার লাভ করেন। পরের বছর গৌতম ঘোষ পরিচালিত বাংলাদেশ-ভারত যৌথ প্রযোজনার "মনের মানুষ" ছবিতে অভিনয় করেন।২০১৩ সালে বাংলাদেশ ও জার্মানির যৌথ প্রযোজনায় মোস্তফা সরয়ার ফারুকী পরিচালিত "টেলিভিশন" ছবিতে অভিনয় করেন।২০১৬ সালের অক্টোবরে চঞ্চলকে অমিতাভ রেজা চৌধুরী পরিচালিত "আয়নাবাজি" ছবিতে দেখা যায়। এই ছবিতে তিনি নাম চরিত্র আয়নাসহ ছয়টি চরিত্রে অভিনয় করেন। চলচ্চিত্রটির জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে তার দ্বিতীয় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন, এছাড়া সমালোচকদের জরিপে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার লাভ করেন। ২০১৮ সালে হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস দেবী অবলম্বনে নির্মিত একই নামের চলচ্চিত্রে মিসির আলি চরিত্রে অভিনয় করেন।
শুভেচ্ছান্তে: প্রতিষ্ঠাতা- মানব স্বেচ্ছাসেবী ফাউন্ডেশন (MSF)
মোঃ শিহাব অাহম্মেদ প্রাং তার জীবনের অাগামী পথচলা আরো সুন্দর ও ভালো হয় বলে জানায়।