আজ ১৩ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৯শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

সময় : সকাল ১১:১৩

বার : বৃহস্পতিবার

ঋতু : হেমন্তকাল

শেখ হাসিনার ইদ উপহার পেয়েছে গোয়াইনঘাটের ১১০০০ পরিবার

 

গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি :- করোনা ভাইরাসে প্রাদুর্ভাব বিস্তার নিয়ন্ত্রণে চলমান লকডাউনের কারণে সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলায় ক্ষতিগ্রস্ত ১ হাজার ১০০টি পরিবারকে বিগত পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আড়াই হাজার টাকা করে নগদ সহায়তা করেছে সরকার। গত মে মাসের ২ তারিখ (বৃহস্পতিবার) এসব সুবিধাভোগীদের মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে নগদ অর্থ পাঠানোর কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটাই ডিজিটাল বাংলাদেশের সুফল। হাতে হাতে টাকা নিতে হবে না, কারও কাছে ধার নিতে হবে না, কাউকে বলতে হবে না। টাকা সরাসরি মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পৌঁছে যাবে। ‘প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার’ হিসেবে অসহায় মানুষদের এই টাকা দেওয়া হয়। এই সহায়তা দিতে জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য, শিক্ষক এবং সমাজের ‘গণ্যমান্য ব্যক্তিদের’ সমন্বয়ে গঠিত কমিটি ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করে।

রিকশাচালক, ভ্যানচালক, দিনমজুর, নির্মাণ শ্রমিক, কৃষি শ্রমিক, দোকান কর্মচারী, ব্যক্তি উদ্যোগে পরিচালিত বিভিন্ন ব্যবসায় কর্মরত শ্রমিক, পোল্ট্রি খামারের শ্রমিক, পরিবহন শ্রমিক ও হকারসহ নিম্ন আয়ের নানা পেশার মানুষের নামে এই টাকা দেওয়া হয় । এ প্রসঙ্গে সরকারের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ এমপি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মোবাইল ব্যাংকিয়ের মাধ্যমে করোকালীন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে উপহার পৌঁছে দিয়ে তাদের বিপদকালীন আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি তাদের এক নতুন ভরসাও দিলেন।

করোনাকালীন ত্রাণ দিতে গিয়ে আমরা সমস্যার সম্মুখীন হয়েছি। প্রধানমন্ত্রী মোবাইলের মাধ্যমে টাকা পৌঁছে দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তা একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। সে জন্য এতে মানুষের কাছে সরাসরি সাহায্য পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। ফলে এবার কোন ধরনের সমস্যা হয়নি। তিনি জানান,তালিকাভুক্তদের কাছে নগদ ছাড়াও বিকাশ, রকেট ও শিওরক্যাশের মাধ্যমে সরাসরি টাকা পাঠানো হয়েছে। , ফলে বাড়তি কোনো ঝামেলা পোহাতে হয়নি তাদের। টাকা পাঠানোর খরচও সরকার বহন করেছে। ওই টাকা ক্যাশআউট করতে সুবিধাভোগীদের কোনো খরচ দিতে হয়নি। তিনি আরো জানান নগদের মাধ্যমে ১৭ লাখ পরিবারে, বিকাশের মাধ্যমে ১৫ লাখ, রকেটের মাধ্যমে ১০ লাখ এবং শিওরক্যাশের মাধ্যমে ৮ লাখ পরিবারের কাছে টাকা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     More News Of This Category