আজ ১৩ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

সময় : রাত ৩:২৩

বার : সোমবার

ঋতু : শরৎকাল

মণিরামপুরে ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলায় নিহত শহীদ নেতা-কর্মীদের স্মরণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

রাকিবুল হাসান সুমন, যশোর জেলা প্রতিনিধি:

জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ২১ আগষ্ট খুনি জামায়াত-বিএনপি চক্রের নিক্ষিপ্ত বর্বরোচিত গ্রেনেডে নিহত শহীদ নেতা-কর্মীদের স্মরণে মণিরামপুরে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সকালে উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের উদ্যোগে আওয়ামীলী দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ স্মরণসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র আলহাজ্জ্ব কাজী মাহমুদুল হাসান। উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান উত্তম চক্রবর্তী বাচ্চুর সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অথিতির বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক ফারুক হোসেন।

আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্যের সুযোগ্য পুত্র সূপ্রিয় ভট্টাচার্য্য শুভ। উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক ফজলুর রহমানের পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক শরিফুল ইসলাম রিপন, পৌর যুবলীগের সভাপতি এস,এম লুৎফর রহমান, সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম রবি, যুবলীগনেতা শিপন সরদার, পলাশ ঘোষ, সুমন দাস, নিশাত কবির, ছাত্রলীগনেতা মেহেদী হাসান প্রমুখ।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বিএনপি নেতৃত্বধানী চার দলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় থাকা কালে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভায় গ্রেনেড হামলার মাধ্যমে হিংসার দানবীয় সন্ত্রাস আক্রান্ত করে মানবতাকে। বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের রাস্তায় আয়োজিত জনসমাবেশে সন্ত্রাসের বিরুেেদ্ধ কথা বলতে গিয়ে সন্ত্রাসের শিকার হন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। হামলার ধরন ও ভয়াবহতা থেকে এটাও স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল যে, শেখ হাসিনা ও তার দলের শীর্ষ নেতাদের হত্যা করাই ছিল ওই গ্রেনেড হামলা ও গুলিবর্ষণের উদ্দেশ্য। ভাগ্যগুণে নারকীয় গ্রেনেড হামলায় শেখ হাসিনা অলৌকিকভাবে প্রাণে বেঁচে গেলেও আইভি রহমানসহ দলের ২২ নেতাকর্মী এবং তার দেহরক্ষীসহ মোট ২৪ নিহত হন।

বক্তারা আরও বলেন, সেদিন বর্বরোচিত ওই ঘটনার পর দায়িত্বরত বিপদগামী কিছু আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সেই রোমহর্ষক ঘটনার আলামত নষ্ট করে ফেলে। পরবর্তীতে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা ও প্রত্যক্ষ মদতে ওই ঘটনা ধামাচাপা দিতে ও ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে হেন কোনও কাজ নেই, যা করেনি বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার। ঘটনা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে সাজানো হয় ‘জজ মিয়া নাটক’। এমনকি সংসদে দাঁড়িয়ে ভেনিটি ব্যাগে করে গ্রেনেড নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ তোলা হয় জনন্রেতী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধেই।

আলোচনা শেষে ২০০৪ সালে ২১ আগষ্ট খুনি জামায়াত-বিএনপি চক্রের নিক্ষিপ্ত বর্বরোচিত গ্রেনেডে নিহত শহীদ নেতা-কর্মীদের স্মরণে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     More News Of This Category