আজ ৯ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

সময় : রাত ৮:০২

বার : বৃহস্পতিবার

ঋতু : শরৎকাল

সিলেটে রমরমা টুকেন বানিজ্য বিপাকে মালিক-শ্রমিক!

রাজা মিয়া বিশেষ প্রতিনিধিঃ
সিলেটে রমরমা হয়ে উঠেছে সি এন জি চালিত অটোরিক্সা চলাচলের সাময়িক অনুমতির নামে টুকেন বানিজ্য।

মহাসড়কে দুর্ঘটনা এড়াতে সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যাটারি চালিত সিএনজি অটোরিক্সার উপর চলাচলের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তাদের কাছ থেকে টোকেন স্লিপ এর নামে ২০০ টাকা থেকে ১০০০ টাকা নিয়ে সাধারণত কাগজের টুকেন দিয়ে চালকদের সড়কে চলাচলের অনুমতি দিচ্ছেন বাংলাদেশ হাইওয়ে পুলিশের একাধিক কর্মকর্তারা,সিলেট জেলার সদর, দক্ষিণ সুরমা,বালাগঞ্জ,ওসমানী নগর সহ প্রতিটি উপজেলা ভিত্তিক শুরু হয়েছে এই ব্যবসা।

পুলিশের কর্মকর্তারা স্থানীয় দালালের সাথে আঁতাত করে গাড়ির মালিক ও শ্রমিকদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছেন বিশাল অর্থ।

এতে শক্তিশালী উঠেছে স্থানীয় দালালরাও। তাদের মাধ্যমে পুলিশের সাথে যোগাযোগ করে এইটুকুন প্রাপ্তির ব্যবস্থা করা হয় অনেক সময় দেখা যায় টোকেন থাকা অবস্থায়ও যানবাহন চলাকালে অনুমতি দেওয়া ঐ সড়কে যানবাহন আটকে নানা রকম আইনি প্রক্রিয়া দেখিয়ে নগদে এককালীন কিছু অর্থ নিয়ে যানবাহন ছেড়ে দেওয়া হয়।

এতে প্রতিনিয়ত ভুক্তভোগী হচ্ছেন হাজার হাজার শ্রমিকরা।
তাদের ভাষ্য নিজের নিম্ন আয়ের সংসার বাঁচাতে গিয়ে দিনরাত সড়কে পরে থাকতে হচ্ছে তাদের।মহাসড়ক ছাড়া ও ফারি পথে পুলিশের যন্ত্রণায় চলাচলে তাদের ব্যাঘাত ঘটছে। এতে প্রতিনিয়ত আয় রোজগারের মধ্যে বিশাল ঘাটতি হচ্ছে তাদের।

মহাসড়ক নিষেধাজ্ঞা থাকার কারণে প্রাপ্তির ব্যবস্থা থাকায় তারা বাধ্য হয়ে ২০০টাকা থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত নগদে আদায় করে টোকেন নিয়ে তারা চলাচল সড়কে চলাচল করেন।

এই ধরনের টোকন ডাকাতি থেকে উদ্ধার হতে তারা সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করেন।

জানা যায় দীর্ঘদিন দিন ধরে সড়কে এ ধরনের টুকেন বানিজ্য চলছে, কিন্তু এই বিষয়টি কেউই আমলে নিচ্ছেন না।বুঝা যায় সরকারের কতৃপক্ষরা ঘুমিয়ে আছেন।বিষয়টিতে সাধারণ দিনমজুর শ্রমিকরা এ বিষয়ে ইলেকট্রনিক প্রিন্ট মিডিয়ার সবার সাহায্য ও সহযোগিতা কামনা করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     More News Of This Category