আজ ৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৩শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

সময় : রাত ৯:৫৮

বার : সোমবার

ঋতু : হেমন্তকাল

ধর্মপাশার সরকারি গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ

 

স্টাফ রিপোর্টার লিপু মজুমদারঃ

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার জয়শ্রী ইউনিয়নের বাঘাউছা গ্রামের সামনের সড়ক সংলগ্ন সরকারি জায়গা থেকে সরকারি একটি রেনটি গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। আজ সোমবার সকালে স্থানীয় দুজন শ্রমিক নিয়োজিত করে এই রেনটি গাছটি কেটে ফেলেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ওই ইউনিয়নের বাদে হরিপুর গ্রামের মো.আব্দুল মোমেন নামের এক ব্যক্তির নির্দেশে এই রেনটি গাছটি কেটে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এলাকাবাসী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ সোমবার সকাল নয়টার দিকে উপজেলার জয়শ্রী ই্উনিয়নের বাদে হরিপুর গ্রামের পেছনের সড়ক সংলগ্ন থাকা ৫-৭হাজার মুল্যের একটি রেনটি গাছ স্থানীয় দুজন শ্রমিক নিযোজিত করে সেই গাছটি কাটতে শুরু করা হয়। ওই ইউনিয়নের বাদেহরিপুর গ্রামের বাসিন্দা মো.আব্দুল মোমেনের নির্দেশে এই গাছটি কেটে ফেলা হয়। স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে গাছ কাটার খবরটি জানতে পারেন জয়শ্রী ইউনিযনের ৩নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য স্বপন মিয়া। তিনি খবরটি যাচাই করে গাছ কাটার সত্যতা পান। পরে তিনি ঘটনাটি জয়শ্রী ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয়ের ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারি কর্মকর্তা নান্নু চক্রবর্তীকে জানান ।ওই ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারি কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে লোক পাঠিয়ে এই রেনটি গাছটি কেটে ফেলার সত্যতা পান । তবে লোকজন জানাজানি হওয়ায়ে আব্দুল মোমিন শ্রমিক নিয়োজিত করে কেটে ফেলা সেই রেনটি গাছ নিজ বাড়িতে নিয়ে যেতে পারেননি।গাছটির কাটা অংশ এখনো সেখানেই পড়ে রয়েছে।
বাদে হরিপুর গ্রামের বাসিন্দা মো.আব্দুল মোমিন বলেন, এই গাছটি সড়কের দাঁড়ে আমিই লাগিয়েছিলাম।গাছটির ডালপালা আশপাশে ছড়িয়ে পড়ায বৈদ্যুতিক দূর্ঘটনা ঘটতে পারে এমন আশঙ্কায় আমি গাছটি কেটে ফেলেছি। কাউকে না জানিয়ে গাছটি কেটে ফেলার ঘটনাটি আমার ভুল হয়েছে। গাছটির কেটে ফেলা সবটুকু অংশ সরকারি জিম্মায় নেওয়ার জন্য নায়েব সাবকে ( ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারি কর্মকর্তাকে)বলেছি।
জয়শ্রী ইউনিয়ন ভূমি উপ সহকারি কর্মকর্তা নান্নু চক্রবর্তী বলেন, যেই ব্যক্তি সরকারি এই রেনটি গাছটি কেটেছেন তিনি জানিয়েছেন, ওই গাছটি না কাটলে ভয়ানক বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনা হতে পারত মনে করে তিনি গাছটি কেটে দিয়েছেন। তবে অনুমতি না নিয়ে গাছটি কেটে ফেলায় তিনি আমার কাছে ভুল স্বীকার করেছেন। গাছটির ডালপালা ও গাছের টুকরা সেখানেই পড়ে আছে। গাছের টুকরা ও ডালপালা গুলো সরকারি জিম্মায় নেওয়া হবে। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ( ইউএনও) মো.মুনতাসির হাসান বলেন, সরকারি গাছ কাটার ঘটনাটি আমাকে কেউ জানায়নি। খোঁজ নিয়ে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।#

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     More News Of This Category