আজ ১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৩০শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

সময় : সকাল ৮:১২

বার : সোমবার

ঋতু : হেমন্তকাল

ছাতকে প্রতিপক্ষের হামলায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকসহ আহত ৪

ছাতক সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলায় প্রতিপক্ষের হামলায় প্রধান শিক্ষকসহ ৪ জন আহত হয়েছেন।শনিবার দুপুর ১টায় উপজেলার নিজগাঁও ছনবাড়ি বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন গাংপার নোয়াকুট গ্রামের মৃত ইজ্জত উল্লাহর ছেলে এবং বনগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক কামাল উদ্দিন। তাকে সিলেট এমএজি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় আহতরা হলেন, নিজগাঁও নতুনবস্তি গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা মৃত জইন উদ্দিনের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম ও শাহজাহান আলম, এবং গাংপার নোয়াকুট গ্রামের মৃত জালাল উদ্দিনের ছেলে বুরহান উদ্দিন। আহতরা কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয়সূত্রে জানা গেছে, ছাতক উপজেলার ধনীটিল্লা গ্রামের আব্দুছ ছামাদের ছেলে ফায়ার সার্ভিসে কর্মরত দিলোয়ার হোসেনের কাছ থেকে জমি কিনেছিলেন নিজগাঁও নতুনবস্তি গ্রামের মৃত জইন উদ্দিনের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম ও গাংপার নোয়াকুট মৃত জালাল উদ্দিনের ছেলে বুরহান উদ্দিন। জমির সীমানা নির্ধারণ নিয়ে ক্রেতাদের সাথে বিরোধ বাধে দিলোয়ারের। এ নিয়ে শনিবার দুপুর ২টায় ছনবাড়ি বাজারে বুরহান ও জাহাঙ্গীরের সাথে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন দিলোয়ার।
এ সময় তাদের ঝগড়া থামানোর জন্য এগিয়ে যান বুরহানের চাচা বনগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক কামাল উদ্দিন। কিন্তু এতে দিলোয়ার হোসেন ক্ষিপ্ত হয়ে তার সহযোগী কামরান মিয়া, সাহার মিয়া, জাহির মিয়া, আব্দুর রহমান, রুবেল, জুবেল, আজিজুর রহমান রেদওয়ানসহ আরো কয়েকজনকে নিয়ে শিক্ষক কামাল উদ্দিনের উপর দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। এ সময় প্রতিপক্ষের হাতে থাকা রাম দা’র কোপে শিক্ষক কামাল উদ্দিনের মাথায় মারাত্মক রক্তাক্ত জখম হয়। কামাল উদ্দিনকে বাঁচাতে বুরহান, জাহাঙ্গীর ও শাহজাহান এগিয়ে এলে তারাও হামলার শিকার হন। রক্তাক্ত অবস্থায়ও অন্যদের ঝগড়ায় যেতে বাধা দিচ্ছেন শিক্ষক কামাল উদ্দিন। তাৎক্ষণিক কামাল উদ্দিনসহ আহতদের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হলে কামাল উদ্দিনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের ৩য় তলার ১১ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ ব্যাপারে ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ নাজিম উদ্দিন জানান, এ ঘটনায় কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি। হলে আমরা অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     More News Of This Category