শিরোনাম
সরকার বন্যার্তদের পাশে আছে ত্রাণের অভাব হবেনা— এমপি মানিক সিলেটে বন্যা দুর্গত এলাকা পরিদর্শন ও ত্রাণ সামগ্রী বিতরন করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন ঘাটাইল উপজেলায় আশ্রয়ন প্রকল্পের অধীনে বরাদ্দকৃত ঘরে ফাটল ছাতকে বন্যার অবনতি,নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত উপজেলা সদরের সাথে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন গোবিন্দগঞ্জে বঙ্গবন্ধু-বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুর্ধ১৭ এর সেমিফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত পলাশবাড়ী‌তে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা জাতীয় গােল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টের শুভ উ‌দ্বোধন সাদুল্যাপুরে বেশি দাম সয়াবিন তেল বিক্রি ও মজুদের অপরাধে জরিমানা ইপিজেড নির্মাণের পরিকল্পনা বাতিলের দাবি মৌলভীবাজার সদর উপজেলা ‘বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ,ইউনিয়ন ফুটবল টুর্নামেন্ট শুভ উদ্ভোধন বানিয়াচংয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্ধোধন
বৃহস্পতিবার, ১৯ মে ২০২২, ১১:৫৬ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

হবিগঞ্জে উচ্ছেদের পর আবারও দখল করে স্থাপনা নির্মাণ!

Coder Boss / ২২১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২০

পলাশ(হবিগঞ্জ)স্টাফ রিপোর্টারঃ

হবিগঞ্জ শহরে পরিত্যাক্ত খোয়াই নদী থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পর আবারও দখল করে বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করছেন প্রভাবশালী মহল। এ ছাড়া অনেক অবৈধ স্থাপনা এখনও রয়ে গেছে। এতে নানান ভোগান্তির শিকারও হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। শুধু তাই নয়, এসব স্থাপনায় অবৈধ বিদ্যুত ও গ্যাস সংযোগও রয়েছে।

সাবেক জেলা প্রশাসক মাহমুদুল কবির মুরাদ অভিযান চালিয়ে শহরের বিভিন্ন স্থানে খোয়াই নদীর পাড় থেকে শতাধিক বাড়িঘর, দোকানপাট উচ্ছেদ করেন। এরপর তিনি বদলী হয়ে গেলে আবারও অবৈধ স্থাপনা গড়ে তোলা হয়। কিন্তু আর তাদের ব্যাপারে কোন ব্যবস্থা নেয়নি প্রশাসন। উদ্যোগ নেয়া হয়নি অবৈধ স্থপনা উচ্ছেদেরও।

বর্তমান জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান চলতি বছর দুইবার অভিযান চালিয়ে হাতেগুণা কয়েকটি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেন। সেই জায়গায় আবারও স্থাপনা গড়ে তোলেছে প্রভাবশালী মহল।

স্থানীয়রা জানান, শহরের অনন্তপুর থেকে হরিপুর পর্যন্ত পুরো মরা খোয়াই নদী দখল করে আবারও পাকা বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করা হয়েছে। এর মধ্যে অনেকেরই কোন বৈধ কাগজপত্র নেই। আর যাদের কাগজপত্র রয়েছে সেটাও পাকা ঘর কিংবা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান করার জন্য। অথচ দেখা যায় কোন কোন এলাকায় তিন তলা, চার তলা ফ্ল্যাট বাড়ি।

সরেজমিনে দেখা যায়, অনন্তপুর, নিউ মুসলিম কোয়ার্টার, সিনেমা হল, জিলপার, উত্তর শ্যামলী, দক্ষিণ শ্যামলী হরিপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় খোয়াই নদীর মধ্যখানে এসব অবৈধ স্থাপনা।

এসময় ওই এলাকার কয়েকজন মালিকের সাথে যোগাযোগ করলে তারা জানান, কেউ কেউ দখল কিনেছেন আবার কেউ লিজ নিয়েছেন। আবার কেউ এমনি আছেন। দীর্ঘ বছর ধরে এসব অবৈধ স্থাপনার মধ্যে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ রয়েছে। অনেক প্রভাবশালী মালিকরা এসব বিল্ডিংয়ের ভাড়া দিয়ে মাসে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। তাই স্থানীয়দের দাবি চলমান উচ্ছেদ অভিযানে খোয়াই নদীরও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে হবিগঞ্জ শহরকে জলাবদ্ধমুক্ত করা হউক।

এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান জানান, উচ্ছেদ অভিযান প্রক্রিয়াধীন আছে। করোনার কারণে বন্ধ ছিল। আবারও উচ্ছেদ অভিযান চলবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

পুরাতন সংবাদ দেখুন

বিভাগের খবর দেখুন