শিরোনাম
মানুষ মানুষের জন্য, সকলে বন্যার্ত অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়ানো উচিত…এটিএম হামিদ প্রাকৃতিক দূর্যোগে দিশেহারা সিলেট, থৈথৈ করে বাড়ছে পানি কানাইঘাটে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলের দ্বায়িত্বশীলরা পানি বিশুদ্ধ করন ট্যাবলেট নিয়ে উপজেলার বন্যাগ্রস্ত মানুষের পাশে বানিয়াচংয়ে বাংলা টিভি’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন সরকার বন্যার্তদের পাশে আছে ত্রাণের অভাব হবেনা— এমপি মানিক সিলেটে বন্যা দুর্গত এলাকা পরিদর্শন ও ত্রাণ সামগ্রী বিতরন করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন ঘাটাইল উপজেলায় আশ্রয়ন প্রকল্পের অধীনে বরাদ্দকৃত ঘরে ফাটল ছাতকে বন্যার অবনতি,নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত উপজেলা সদরের সাথে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন গোবিন্দগঞ্জে বঙ্গবন্ধু-বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুর্ধ১৭ এর সেমিফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত পলাশবাড়ী‌তে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা জাতীয় গােল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টের শুভ উ‌দ্বোধন
সোমবার, ২৩ মে ২০২২, ০৩:০৭ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

ভূমি অধিগ্রহণের টাকা প্রাপ্তিতে ভোগান্তির অবসান চেয়ে প্রধানমন্ত্রীকে ছাত্রনেতা ছিবগতুল্লাহ’র স্মারকলিপি প্রদান

Coder Boss / ৮৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২০

চট্টগ্রাম প্রতিবেদকঃ
কক্সবাজার জেলা জুড়ে চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে ভূমি অধিগ্রহণে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি ও ভোগান্তির প্রতিকার চেয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছেন জাগ্রত ছাত্রসমাজের আহ্বায়ক ছাত্রনেতা ফজলে আজিম মোঃ ছিবগতুল্লাহ।
গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতি থেকে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই জেলার মহেশখালীতে সরকারের বাস্তবায়নাধীন হাজার হাজার কোটি টাকা বাজেটের বিভিন্ন প্রকল্পে শুরু থেকেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মানা হয়নি। উন্নয়নের নামে লুটপাটের মহোৎসব চলেছে কিছু দুর্নীতিবাজ আমলা, স্থানীয় সুবিধাভোগী নেতা, জনপ্রতিনিধি ও দালালের নেতৃত্বে। ভূমি হারানো মানুষকে ক্ষতিপূরণের টাকা পেতে পদে পদে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। কেটে রাখা হচ্ছে প্রাপ্য ন্যায্য মূল্যের ২০-৩০ শতাংশ অর্থ। পুনর্বাসন প্রকল্পেও হচ্ছে ব্যাপক নয়ছয়। এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে মহেশখালী জাগ্রত ছাত্রসমাজের ব্যানারে প্রতিবাদে সরব হয়েছেন মহেশখালীর সর্বস্তরের মানুষ ও ছাত্ররা। সেই সংগঠনের আহবায়ক হিসেবে সকল অন্যায়-অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করে যাচ্ছেন ছাত্রনেতা ফজলে আজিম মোঃ ছিবগতুল্লাহ।স্মারকলিপিতে ছিবগতুল্লাহ প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, মহেশখালীর বিভিন্ন মেগা প্রকল্পের জন্য যে ভূমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে সে সকল অঞ্চলের সব শ্রেণীর মানুষ সম্পূর্ণ নিঃস্ব বলা যায়। কারণ এই জমির উপরে ভিত্তি করেই এই অঞ্চলের মানুষ জীবিকা নির্বাহ করে। এখন উক্ত জমি অধিগ্রহণ করায় মৎস্য ও লবণ চাষ ঐ অঞ্চলে সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে গেছে। তাছাড়া সবচেয়ে কষ্ট ও আক্ষেপের বিষয় হচ্ছে ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণের টাকা যথাসময়ে না পাওয়ায় অর্থাৎ বিভিন্ন অজুহাতে ক্ষতিপূরণের টাকা প্রদানে জেলা প্রশাসক কার্যালয় তথা ভূমি অধিগ্রহণ শাখা, কক্সবাজার কর্তৃক দীর্ঘসূত্রিতা। এল.এ মামলা নং ২/২০১৩-২০১৪ এর মূলে যে ১৪১৪ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে, সেই জমিতে জাইকা কর্তৃক পুরোদমে উন্নয়ন কাজ চলছে। অথচ বিভিন্ন অজুহাতে এখনো ৪০% মানুষ তাদের জমির প্রাপ্য ক্ষতিপূরণের টাকা এখনও উত্তোলন করতে পারে নাই। ভূমি অধিগ্রহণ শাখার দুর্নীতি ও লুটপাট জেলাজুড়ে অনেকটাই ওপেন সিক্রেট বলা যায়। ২০১৪ সালে এল.এ মামলা নং- ২/২০১৩-১৪এর মূলে যে ভূমি অধিগ্রহণ করা হয়, তাতে ২৩ (তেইশ) কোটি টাকা দুর্নীতির দায়ে তৎকালীন জেলা প্রশাসক জনাব রুহুল আমিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) জনাব জাফর আলমসহ ৩৫ (পয়ঁত্রিশ) জন ব্যক্তি দীর্ঘদিন কারাভোগ করেন। উক্ত দুর্নীতির বিরুদ্ধে মামলা এখনও চলমান। মাঝখানে ২০১৫-২০১৭ এর সময় ২/৩ বছর জনাব আলী হোসেন সাহেব জেলা প্রশাসক থাকাকালীন কিছুটা দুর্নীতি কমলেও তার পরবর্তী সময় থেকে অদ্যাবধি দুর্নীতি লাগামহীন ভাবে বেড়েই চলছে।
এল.এ.ও রেজাউল করিম এসপিএম ও ৫০০০ একর হতে কমিশন বাবদ আদায়কৃত প্রায় ৫০ কোটি টাকা নিয়ে ইতিমধ্যে করোনাকালীন সময়ে দুদকের চিঠি পাওয়ার পরপরই সিন্ডিকেট ম্যানেজ করে ইউরোপে পাড়ি জমান। তার দেখাদেখি এল.এ.ও শামীম, মোঃ মমিনুল হক, এসি ল্যান্ড শাহরিয়ার, এডিসি আশরাফ ও ডিসি কামাল হোসেন বিভিন্ন ভাবে গা বাঁচাতে দুদককে বিতর্কিত করার চেষ্টায় রত রয়েছেন। তাদেরকে গ্রেফতারে আশু পদক্ষেপ নেওয়া জরুরী। না হলে দুদকের এই অভিযান লাইনচ্যুত হবে। দুর্নীতির মাত্রা এমন ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে যে, গত ১৮/০২/২০২০ইং তারিখে র‌্যাব কক্সবাজার কমান্ড অফিস, কক্সবাজার এল.এ শাখার ০৩ (তিন) সার্ভেয়ারের বাসায় অভিযান চালিয়ে ঘুষ ও দুর্নীতির ৯৩ (তিরানব্বই) লক্ষ ৬৬ (ছেষট্টি) হাজার টাকা উদ্ধার করলে সারাদেশে হৈচৈ পড়ে যায়। তাতে ওয়াসিম উদ্দিন নামে ০১ (এক) জন সার্ভেয়ার হাতেনাতে গ্রেফতারও হন।
গত ২০/১০/২০২০ইং উক্ত উদ্ধারকৃত ঘুষ ও দুর্নীতির টাকা নিয়ে উক্ত ০৩ (তিন) জন সার্ভেয়ারের নাম উল্লেখ করে আরও অজ্ঞাতনামা ১০-১২ জনের বিরুদ্ধে দুদক চট্টগ্রাম অঞ্চল-০২ গত ১০/০৩/২০২০ ইং ০১ (এক)টি মামলা দায়ের করেন। দুদকের মামলা দায়েরের পর উক্ত মামলার তদন্ত কাজ শুরু হলে এল.এ অফিস তথা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, কক্সবাজার ইচ্ছা করেই গত ০৮ (আট) মাস ক্ষতিপূরণের চেক প্রদান সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেন। এমনকি গত ০৮/০২/২০২০ইং তারিখ র‌্যাব অভিযানের পূর্বে যে সকল চেক প্রদান করা হয়েছিল, সে সকল চেকের এডভাইস ও স্ক্রল পর্যন্ত বন্ধ করে রেখেছেন। এসপিএম ৮/১৭-১৮ তে কোন কৃষক তাদের একাউন্টের টাকা পায়নি।
সাম্প্রতিক দুদকের অভিযানে বর্ণিত এল.এ অফিসের ঘুষ বাণিজ্য, দালালদের দৌরাত্যে জড়িত অনেক থলের বিড়াল বেরিয়ে এসেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের সঠিকভাবে বাস্তবায়ন ও সম্পদের সুষ্ঠু বন্টনের স্বার্থে দুদকের এই অভিযান অব্যাহত রাখা প্রয়োজন। কিন্তু একটি শক্তিশালী অশুভ চক্র তা ভন্ডুল করতে সদা তৎপর।
এমতাবস্থায় বর্ণিত প্রেক্ষাপটে অত্র অঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের ক্ষতিপূরণের টাকা/চেক নির্বিঘ্নে প্রদান করতে এবং ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা চিন্তা করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে আপনার আন্তরিক হস্তক্ষেপ কামনা করছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

পুরাতন সংবাদ দেখুন

বিভাগের খবর দেখুন