শিরোনাম
ছাতকে সাব-রেজিষ্ট্রার কার্যালয় স্থানান্তর নিয়ে দ্বিধা-দ্বন্দে পড়েছেন কর্তৃপক্ষ সিলেটে দিনব্যাপী মোবাইল সংবাদিকতা প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত তাহিরপুরে চোখ উঠা রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি-ড্রপ সংকট,অয়েনমেন্ট নেই বাজারে জুড়ী উপজেলা ফাউন্ডেশন এন্ড এডুকেশন ট্রাস্ট এর কার্যকরি কমিটি গঠন মৌলভীবাজার সদর উপজেলা ১নং খলিলপুর ইউনিয়নে শাখা বরাকে অবৈধ খাটি উচ্ছেদ অভিযান জগন্নাথপুরে সামাজিক সম্প্রীতি কমিটির সভা জগন্নাথপুরে গরু ঘাস খাওয়াকে কেন্দ্র করে মারামারি ঘটনায় গ্রেফতার ১ হাদারপার এলাকায় প্রধান সড়কের ঢালাই কাজ শুরু ঘাটাইলে রাস্তার বেহাল অবস্থা ১৪ বছর ধরে ভোগান্তির মুখে এলাকাবাসী কুরুয়া প্রাথমিক ও বহু মূখী উচ্চ বিদ্যালয় প্রাক্তন ছাত্র মৈত্রী সংসদ এর সৌজন্যে প্রীতিভোজ অনুষ্ঠিত
রবিবার, ০২ অক্টোবর ২০২২, ০৬:১০ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

রজোগুণ

Coder Boss / ৩৪৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২১

হবিগঞ্জ,বাহুবল প্রতিনিধিঃ

ছেলে ও মেয়েদের মধ্যে যে আকর্ষণ হয়,সেটা রোমান্স নয়,সেটা রজোগুণ। আপনি দেখলেন,সেও দেখলো, নয়নে নয়ন মিললো,প্রেম হলো।এই সব হলো রজোগুণ। এর জন্য প্রতি বছর ভ্যালেন্টাইনস ডে এর পরে মতও পাল্টে যায়।পাগল হয়ে যাচ্ছেন তার চেহারা দেখতে দেখতে,কতো কতো গিফট কিনে দিয়েছেন,কতো রেস্টুরেন্টে কতোকিছু খাইয়েছেন,তারপরেও মনে হবে কেচ্যার কেচ্যার কেচ্যার,কখনও রীতা,কখনও প্রমিতা। *Rose is Red,Sky is Blue, ohh my darling, I love U*পাগল হয়ে যাচ্ছেন তার চেহারা দেখতে দেখতে,*Rose is dead,i have flue,don’t come there me, চলে যা তুই! ভালোবাসা শেষ।। যতসব কবিতা,গান,ছড়া,এটা ওটার মূল লক্ষ্যই হচ্ছে সেক্স লাইফ। যতো শ্রদ্ধা থাকে ভালোবাসায়,ততো তাড়াতাড়ি শ্রদ্ধাও কমে যায়।”চাটা শেষ চামড়াকে?হ্যাঁ শেষ। সুখ পেয়ে গেছো তাহলে?; হে পেয়ে গেছি”। রজোগুণ সব। কদিন পর হানিমুনও যদি হয়,পরে হানির স্বাদ গ্রহণও হয়ে গেলো! আমি তুমার চামড়াও দেখলাম,তুমিও কিছুই পেলেনা,আর আমিও কিছু পেলাম না! ভালোবাসা শেষ!।। তো ভালোবাসার বয়স কতো হলো?? চামড়া দিয়ে শুরু, চামড়া দিয়ে শেষ, that’s it. সব খেলা ঐ চামড়ার,এখন জ্যাকলিনকে বা সানিলিওনিকে যদি আপনার সামনে দাঁড় করানো হয়,আর প্রশ্ন করা হয়, কেমন মেয়ে সে? উত্তরে বলবেন মাখনের মতোন😋! very good. একটা ধারালো ব্লেইড দিয়ে যদি তার চামড়া কাটা হয়,সেখানে ১ মিলিমিটার ক্ষত হলো,এখন আবারও আপনার সামনে তাকে দাঁড় করানো হলো,দেখবেন জ্যাকলিন/সানিলিওনি কে? কেমন লাগছে এখন?উত্তরঃ মাংসের দোকানে যে মাংস ঝুলিয়ে রাখে,সেরকমই লাগছে। কেউ করবে কিছু?,, না।। So that is ভালোবাসার গভীরতা কতো? মাত্র ১ মিলিমিটার*। উপরের প্যাকেজ সরাতেই,ভালোবাসা শেষ। কেনোনা সারা খেলা কার? সব প্রেম মোহাব্বত ঐ চামড়ারই। এগুলো রজোগুণের চিন্হ। Is attraction between man and woman is রজোগুণ। এজন্য অনেকেই ভাবেন,ঐ সাদা চামড়ায় বেশি সুখ হবে, এজন্য কেউ যখন কোন খারাপ সাইটে যায়,তখন সে আমেরিকার ওয়েবসাইটে ঢুকে,কারণ আপনার কাছে বাংলাদেশী/ভারতীয় বাজে। ওয়েস্টার্ন মাল অনেক ভালো। আবার আমেরিকানরা কাদের দেখে,তারা এশিয়ানদের দেখে। আমেরিকার যতোজন পর্নোগ্রাফি ওয়েবসাইটে ঢুকে,তখন তারা এশিয়ানদের খোঁজে,আর এশিয়ানরা খোঁজে আমেরিকানদের। তারা ভাবে এখানে সুখ,আর এরাও ভাবে ওখানে সুখ। ঐখানেও সুখ নেই,এখানেও সুখ নেই,দুইটাই শুকিয়ে আছে। এই সবই হলো “রজোগুণ” । আর এটা হলো আজকালকার ভালোবাসা !!!!
★ঠক দাতার আত্মকাহিনী★১ম অংশ                       কলমে✍️-মিটু রানী শর্মা✍          -----------------------------------------------------   💢সত্যজিৎ দাস,বাহুবল(সংবাদ প্রতিনিধি)💢   এক গ্রামে এক বিরাট প্রভাবশালী লোকের বাস।তার সংসারে দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। তার বাড়ি পুরো রাজ প্রাসাদের মতো, এক দুই বা তিন তলা বিশিষ্ট ঘর।বাড়ির চর্তুদিক দেয়াল ঘেরা। মধ্যেতে দুইটি সদর গেইট। গেইটের সামনে দারোয়ান রাখা। প্রতিদিন বাইরে যাতায়াতের জন্য দুই তিনটি প্রাইভেট গাড়ি রয়েছে। বিশাল সম্পদের মালিক।  সবাই তাকে বাবু বলে সম্মোধন করে। বাড়ি কিংবা বাইরে সবার কাছে সে পরমদাতা,বিশিষ্ট একজন লোক।  তার এ বিশাল সম্পত্তি ও অর্থ প্রাচ্যুর্য দেখে কোন মানুষ তার মুখের উপর কোনো কথা বলে না,বলতে ও সাহস পায় না।  তার কাছে প্রতিদিন কতেক লোক আসে সাহায্যের জন্য। সবাইকে একটু আধটু দিয়ে মন খুশি করে।তাই সবাই তাকে প্রভুর ন্যায় ভাবে। সে খুব দান-দক্ষিণা করে মন্দিরে বা মসজিদে।  যেন মনে হয়,সেই একমাত্র দয়ালু।  পরম ভক্ত স্রষ্টার অনুরূপ।  কিন্তু তার ভেতরে যে বিষাক্ত ধোঁয়া প্রতিটি অসহায় মানুষের জীবনের কষ্টের কারণ। কতো অসহায় মানুষের আহাজারি। কতো মানুষ নির্মমতার শিকার হচ্ছে প্রতিদিন।  বিশেষ করে, গরীব ও অসহায় পরিবারকে ধ্বংস করে তার কাছ থেকে জমি-জমা আত্মসাৎ করে নেওয়াই ছিল তার মূল লক্ষ্য।  গরীব ও অসহায় মানুষের কাছ হতে কথার মারপেঁচ করে খুব কম মূল্যে জমি কিনে অধিক লাভে বিক্রি করাই ছিল তার আয়ের একমাত্র উৎস।  জমি দালাল করে রোজ রোজ কতো অসহায় পরিবারকে সাগরে ভাসিয়ে দিচ্ছে। এইভাবে গরীবকে মেরে গরীবের জমি -জমা আত্মসাৎ করে, সে আজ মহান দানশীল ব্যক্তি বা বিরাট সম্পত্তির মালিক হয়ে গেল।  আত্মীয় -স্বজন, পাড়া প্রতিবেশী সকলের নিকট পরম দানশীল ব্যক্তি নামে পরিচিত লাভ করলো। কিন্তু  একদিন তার আসল রহস্য বের হয়ে আসলো।  কিভাবে সে শূন্য থেকে কোটি টাকার মালিক হয়ে গেল।  -------------------------চলবে--------------------।।  ★দয়া করে কেহ কারো নিজের জীবনের সাথে মিলাবেন না। এটা সম্পূর্ণ আমার মন থেকে নেওয়া একটি কাহিনি ★★
লেখকঃ-✍️ সাংবাদিক সত্যজিৎ দাস ✍️


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

পুরাতন সংবাদ দেখুন

বিভাগের খবর দেখুন