আজ ৮ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২১শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

সময় : ভোর ৫:০৯

বার : বুধবার

ঋতু : গ্রীষ্মকাল

কলারাই সুরুজ আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাৎ ও নানা অনিয়মের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃওসমানী নগর উপজেলার,৫ নং গোয়ালাবাজার ইউনিয়নের, ৯ নং ওয়ার্ডে অবস্থিত “কলারাই সুরুজ আলী প্রাথমিক বিদ্যালয়।” সেই সময়ের কলারাই গ্রামের আলোচিত ব্যক্তি মৃত সুরুজ আলীর নিরলস প্রচেষ্টায়,ভুমি দাতা মৃত মজর উল্লার সহায়তায় এবং এলাকার অন্যান্য ব্যক্তিদের আন্তরিক চেষ্টায় এই স্কুলটি ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়,ভবন নির্মাণ হয় ১৫/০৬/১৯৯৪ সালে।সুরুজ ড্রাইভার নামে উনি সবার কাছে পরিচিত ছিলেন।যার নাম অনুসারে স্কুলের নামকরণ করা হয়।কয়েক বছর থেকেই এলাকার যুবসমাজের সচেতনতায় স্কুলে পড়াশুনার মান ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছিলো।
কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত প্রায় ১ বছর হবে বিদ্যালয়ে নতুন প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন গীতা রানী চক্রবর্তী। স্কুলে দায়িত্বভার গ্রহণ করার পর থেকেই শিক্ষার মান কমতে শুরু করে।দায়িত্বে অবহেলা,অনিয়মিত স্কুলে আসা,সঠিক সময়ে স্কুলে না আসা,অভিভাবক ও ম্যানিজিং কমিটির মিটিং না ডাকা এসব অনিয়ম দিনের পর দিন করে আসছেন।ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবক, এলাকার যুবক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা একাদিকবার তাকে এসব বিষয়ে অবগত করলেও তিনি তা কর্ণপাত করেন নি।এসকল অনিয়ম দিনের পর দিন তিনি করে যাচ্ছেন।

১৬ই ডিসেম্বর, একুশে ফেব্রুয়ারি, ২৬শে মার্চ,১৫ই আগষ্ট, ৭ই মার্চ তিনি কোনো আলোচনা সভা অথবা শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের নিয়ে কোনো আয়োজন রাখেন না।এইসব দিবসে নিজে কোনোরকম স্কুলে এসে কাউকে অবগত না করেই চলে যান,আবার কখনো স্কুলেই আসেন না।এলাকার সচেতন মানুষের চাপে ২/১ দিবস সবাইকে অবগত করে অনুষ্ঠান করলেও এখন আবার একই পথ অবলম্বন করেছেন।এই দিবসগুলোতে সরকার যে অনুদান দেয়,তিনি নিজেই তা ভক্ষণ করেন।ছাত্র-ছাত্রী এসবের কোনো অংশীদার হতে পারে না।যার কারণে একদিকে ছাত্র-ছাত্রী তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।অন্যদিকে বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে তারা সঠিক ইতিহাস জানতে পারছে না।এই বিষয়ে একাদিকবার উপজেলা শিক্ষা অফিসের এটিও সাহেবকে অবগত করলেও কোনো সমাধান মিলেনি বলে এলাকার মানুষ জানায়।সবশেষ আজ ০৭/০৩/২১ ৭ই মার্চ উপলক্ষে সরকারের কঠোর নির্দেশ থাকারপরও তিনি কোনো আলোচনা সভার আয়োজন বা শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেন নি।শুধু তাই নয়,তিনি দায়িত্ব পালনের পর থেকেই সরকারি অনুদান ও বাৎসরিক স্লিপের সঠিক হিসাব কখনো ম্যানেজিং কমিটির সভায় উত্থাপন করেন নি।অথবা ম্যানেজিং কমিটির সভা ডেকে কোনো পরামর্শ নেননি।এলাকার মানুষ জানায়,তিনি স্লিপের অনেক টাকা আত্মসাৎ করেছেন।তার কর্মকাণ্ডে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ। সকল অভিভাবক তাদের সন্তানদের শিক্ষা নিয়ে উদ্ধিগ্ন।অভিভাবক থেকে শুরু করে সকল মানুষ এই প্রধান শিক্ষকের পরিবর্তন চায়।এলাকার মানুষ ইতিমধ্যে জেলা,বিভাগ ও উপজেলা শিক্ষা অফিসে উনার অনিয়ম ও দুর্নীতি বিষয়ে তদন্তপূর্বক দরখাস্ত দিয়েছে বলে এলাকার মানুষ জানিয়েছেন। এসকল অফিস থেকে এই বিষয়ে শীঘ্রই তদন্ত করবেন বলে জানিয়েছেন কতৃপক্ষ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     More News Of This Category