বৃহস্পতিবার, ১৯ মে ২০২২, ১১:০৭ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

তাড়াইলে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের ২৪ ঘন্টার আল্টিমেটাম

Coder Boss / ২৪৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ১০ এপ্রিল, ২০২১

আল-মামুন খান, তাড়াইল(কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে অবৈধ দখলদারের বিরুদ্ধে জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার ২৪ ঘন্টার বেঁধে দেয়া আলটিমেটাম ৪ দিন আগে শেষ হওয়ার পরেও বহাল তবিয়তে আছেন সেকান্দরনগরের সাহেদ খানের পুত্র আরাধন।
জানা গেছে, উপজেলার ৩নং ধলা ইউনিয়নের সেকান্দরনগর গ্রামের সাহেদ মিয়ার পুত্র আরাধন জেলা পরিষদের নামে রেকর্ডীয় স্থায়ী সম্পত্তি একটি সংঘবদ্ধ ভূমিদস্যুর সহযোগিতায় অবৈধভাবে দখল করে টিনের ঘর তৈরি করছেন। এই ভূমিদস্যুরা তাড়াইল উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে তাদের লোক দিয়ে ক্ষমতার বলে ভূমি দখলসহ বিভিন্ন অবৈধ কার্যকলাপ করিয়ে আসছে। উক্ত ভূমি সেকান্দরনগর মৌজার বি এস দাগ ১৪৫৫। যাহা কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের নিজস্ব ভূমি। হযরত শাহ সেকান্দর (রা:) মাজার সংলগ্ন দখলকৃত ভূমি আরাধন পৈতৃক সম্পত্তি দাবী করে টিনের চালা তৈরি করে নিজের দখলে নিয়ে বসবাস করছেন। সম্প্রতি জেলা পরিষদের দৃষ্টিগোচর হওয়ায় সরেজমিনে পরিদর্শন করে মৌকিকভাবে স্থাপনা সরিয়ে নেয়ার জন্য দখলদারকে নির্দেশ প্রধান করেন জেলা পরিষদের কর্তৃপক্ষ। অভিযুক্ত আরাধন জেলা পরিষদের নির্দেশ কর্ণপাত না করে বিতর্কিত ভূমিতে বহাল তবিয়তে বসবাস করছেন।

বিগত ৬ এপ্রিল জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ স্বাক্ষরিত ৪৬.৪২.৪৮০০.০০১.৫০.০০১.২১-১৬৪/১(৬) নং স্মারকে আরাধনকে অবৈধ দখল ছাড়ার জন্য ২৪ ঘন্টার আলটিমেটাম দিয়ে একটি চিঠি প্রদান করেন। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য চেয়ারম্যান,জেলা পরিষদ,কিশোরগঞ্জ,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাড়াইল,সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাড়াইল,অফিসার ইনচার্জ,তাড়াইল থানায় অবহিত করা হলেও আলটিমেটামের ৪ দিন অতিবাহিত হওয়ার পরেও কি করে উক্ত ভূমি নিজ দখলে রেখে বসবাস করছেন তা এলাকাবাসীর বোধগম্য নয়।

এ ব্যাপারে তাড়াইল থানার অফিসার ইনচার্জ মো.মুজিবুর রহমানের নিকট আরাধন গংদের বিরুদ্ধে জেলা পরিষদ থেকে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদের জন্য দেয়া চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে কি ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে তা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা সরাসরি পদক্ষেপে যেতে পারিনা তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমাদের ডাকলে আমরা সর্বাত্মক সহযোগীতা করবো।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.তারেক মাহমুদ জানান, জেলা পরিষদের চিঠি আমি পেয়েছি।তবে এ ব্যাপারে আমাদের কিছুই করার নেই।অবৈধ দখলকার আরাধন গংদের বিরুদ্ধে জেলা পরিষদ থেকে জেলা প্রশাসকের নিকট আবেদন করলে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করে উচ্ছেদের জন্য পদক্ষেপে গেলে তখন আমরা সহযোগীতা করবো।

অভিযুক্ত দখলদার আরাধনের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

পুরাতন সংবাদ দেখুন

বিভাগের খবর দেখুন