আজ ১২ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

সময় : বিকাল ৪:২৩

বার : সোমবার

ঋতু : শরৎকাল

রামু উপজেলা থেকে কনস্টেবল বাবুল মিয়ার খোঁজে মাধবপুর থানায় এসে তাকে না পেয়ে এক নারী বিষপান

 

পবিত্র দেব নাথ (মাধবপুর) প্রতিনিধিঃ-

হবিগঞ্জের মাধবপুর থানায় ছুটিতে থাকা পুলিশ কনস্টেবল বাবুল মিয়ার সঙ্গে দেখা করতে এসে তাকে না পেয়ে আনোয়ারা বেগম (৩২) নামে এক নারী বিষপান করেছেন। মঙ্গলবার দুপুরে মাধবপুর থানা আঙিনায় এ ঘটনা ঘটে।

আনোয়ারা বেগম কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার দক্ষিণ রাজারকুল গ্রামের দিদারুল ইসলামের স্ত্রী।

পুলিশ আনোয়ারা বেগমকে উদ্ধার করে প্রথমে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখান থেকে তাকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া কথা বলে কর্তব্যরত চিকিৎসক হবিগঞ্জ সদরে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আনোয়ারা বেগমকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজে রেফার করেন।

আনোয়ারা বেগমের স্বামী দিদারুল ইসলাম জানান, বাবুল মিয়া কক্সবাজার আদালতে কর্তব্যরত থাকা অবস্থায় আমার স্ত্রী সঙ্গে পরিচয় হয়। এই সূত্রে ধরে আমার স্ত্রীর কাছ থেকে বিভিন্ন কৌশলে ৫ লাখ টাকা নেয়। কিছুদিন আগে আমি টাকার বিষয়টি জানতে পাই। টাকার বিষয়টি নিয়ে আনোয়ারা সংঙ্গে মনোমালিন্যের সৃষ্টি হয়। পরে ওই টাকা আদায়ের উদ্দেশ্যে সোমবার দুপুরে আনোয়ারা বেগম মাধবপুর থানার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হন।

কনস্টেবল বাবুল মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, কক্সবাজার কোর্টে চাকরিকালে একটি মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে আনোয়ারার সঙ্গে তার পরিচয় হয়। এ পরিচয়ের সূত্রধরে তার পরিবারে যাতায়াত ছিল। কিছু টাকা আনোয়ারা আমাকে ধার দিয়েছিলেন।

মাধবপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক মাঈন উদ্দিন বলেন, আনোয়ারা বেগম দুপুরে থানায় এসে ডিউটি অফিসার ওয়াহিদ গাজী কাছে বলে মাধবপুর থানায় কর্মরত কনস্টেবল বাবুল মিয়ার সন্ধা চায়। কিন্তু কনস্টেবল বাবুল মিয়া তার দেশের বাড়ি কুমিল্লা আছে বলে জানায় ডিউটি অফিসা। তাই আনোয়ারা বেগম তার সঙ্গে দেখা করতে পারেনি। এ সময় ডিউটি অফিসার বলে কনস্টেবল বাবুল এর বিষয়ে কোনো অভিযোগ থাকলে থানায় অভিযোগ দেওয়ার জন্য পরামর্শ দেন। কিন্তু আনোয়ারা বেগম কোনো কিছু না বলে ওই সময় থানা কক্ষ থেকে বের হয়ে তার ব্যাগে থাকা বিষের বোতল বের করে থানা আঙিনার সামনে বিষপান করে ছটফট করে মাঠিতে পড়ে যান। কিন্তু তিনি অভিযোগ না দিয়ে হঠাৎ করে সবার অগোচরে থানা এলাকায় এমন ঘটনা ঘটিয়েছে। আমরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজে পাঠিয়েছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     More News Of This Category