শিরোনাম
কুকুর,বিড়ালদের বাঁচাতে আইনি পরামর্শ এবং করনীয়;-বখতিয়ার হামিদ। ছাতকে বন্যার্তদের মাঝে যুবলীগ নেতা সাহাব উদ্দীনের ২য় ধাপে ত্রান বিতরন হলি আর্টিজান হামলার ৬ বছর;হয়নি মামলার নিষ্পত্তি। বিশিষ্ট শিল্পপতি জনাব আবু উল রশীদ এর পক্ষথেকে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে নগদ অর্থ বিতরণ করা হয় লোভ-হিংসা ও সংকির্ণ মনোভাবের ঊর্ধ্বে ওঠে মানবতার কল্যাণে কাজ করে যেতে হবে ——-সাইয়্যিদ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী মাধবপুরে কৃষ্ণপুরের ব্রিজটি না হওয়াতে বিকল্প কাঠের সেতু তৈরী করে যানচলাচলে উপযোগী করছেন এলাকাবাসী জগন্নাথপুরে যুক্তরাজ্য প্রবাসী আজাদ মিয়া ফরুকের পরিবারের পক্ষ থেকে ত্রান বিতরণ মৌলভীবাজার সমিতি সিলেট এর ত্রান ও নগদ অর্থ বিতরন বৃষ্টির মধ্যেও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রেখেছেন ইউ.কে প্রবাসী আলাউদ্দিনের পরিবার শাল্লা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ত্রাণ বিতরণ।
শনিবার, ০২ জুলাই ২০২২, ১১:২৯ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

বাহুবলের সাতকাপনে লাঙ্গল-এর জুয়ার।

Satyajit Das / ৩৩১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২২

সত্যজিৎ দাস(স্টাফ রিপোর্টার):

দশম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ৬ষ্ঠ ধাপে সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার ০৭টি ইউনিয়নের ভোটগ্রহণ হবে আগামী ৩১ জানুয়ারি। বাহুবল উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) নির্বাচন বিধিমালা ২০১০ এর বিধি ১৪ এর বিধান অনুসারে ০৩ নং সাতকাপন  ইউনিয়নের জাতীয় পার্টির প্রবীণ নেতা,সমাজসেবক ও বর্তমান চেয়ারম্যান জনাব শাহ আব্দাল মিয়ার মনোনয়ন পত্র উপজেলা নির্বাচন কমিশন কতৃক বৈধ্য প্রার্থী হিসাবে ঘোষনা করা হয়েছে।

গত সোমবার (২৭ ডিসেম্বর ২০২১) সন্ধ্যায় জাতীয় পার্টির বনানী কার্যালয় থেকে বাহুবলের চারটি ইউনিয়নে লাঙ্গল প্রতীকের মনোনীত প্রার্থীদের নাম প্রকাশ করা হয়।
(১) সাতকাপন ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান শাহ মোঃ আব্দাল মিয়া।
(২) বাহুবল সদর ইউনিয়নে জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

(৩) লামাতাসী ইউনিয়নে আ.ক.ম উস্তার মিয়া তালুকদার।
(৪) মিরপুর ইউনিয়নে সাবেক চেয়ারম্যান ডাঃ মোঃ রমিজ আলী।

আসন্ন ৬ষ্ঠ ধাপের ইউপি নির্বাচনে শাহ মোঃ আব্দাল মিয়া প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী নারায়ণ চন্দ্র পাল, মোঃ আব্দুর রেজ্জাক,ফজলুল হক,আজিজুর রহমান,মোঃ ছায়েদ আলী ও সৈয়দ এনামুল হক-এর সাথে।

তফসীল অনুযায়ী প্রতীক বরাদ্দের পর জোরেশোরে নির্বাচনী প্রচারণায় নেমেছেন শাহ মোঃ আব্দাল মিয়া। এরইমধ্যে শাহ মোঃ আব্দাল মিয়া’র ছবি ও লাঙ্গল প্রতীকের ছবি সংবলিত পোস্টার ঝুলছে ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামের পাড়া মহল্লায়। নিজের কর্মী-সমর্থক ও অনুসারীদের নিয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহ মোঃ আব্দাল মিয়া ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত গণসংযোগ চালাচ্ছেন এবং উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ধরে রাখার জন্য লাঙ্গল প্রতীকে ভোট কামনা করছেন। প্রতিদিন সন্ধ্যা হলেই শুরু হয় ইউনিয়নের হাটবাজার,চায়ের দোকান, হোটেলে নির্বাচনী আলাপন। এসময় ভোটাররা তাদের পছন্দের প্রার্থীকে নিয়ে করেন আলোচনা। ভোটারদের আলোচনায় ভোটের জরিপে সবার শীর্ষে রয়েছেন ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান শাহ মোঃ আব্দাল মিয়া । তিনি প্রচারণার দিক দিয়ে অন্যান্য প্রার্থীর চেয়ে বেশি এগিয়ে রয়েছেন। এছাড়া তিনি প্রতিদিন ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে উঠোন বৈঠক ও গণসংযোগের মধ্যে দিয়ে তিনি তাঁর নির্বাচনী কার্যক্রম চালাচ্ছেন।

সাতকাপন ইউনিয়নের জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান শাহ মোঃ আব্দাল ডেইলি সিলেট নিউজ24”কে বলেন,’ গত নির্বাচনে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়েছিলাম। ৫ বছর মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে ছিলাম। তাই মানুষের দাবি ও এলাকার অসমাপ্ত উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে এবারও চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। আমার সময়কালে সাতকাপন ইউনিয়নের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ব্যাপক কাজ করেছি। গত ৫ বছর নিজের মেধা,সততা ও সুনাম অক্ষুন্ন রেখে নিঃস্বার্থভাবে ইউনিয়নবাসীর সেবা করেছি ‘।
তিনি আরও বলেন,’ এবারকার নির্বাচনে ইউনিয়নের প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় গিয়ে গণসংযোগকালে মানুষের ব্যাপক উদ্দীপনা ও সাড়া পাচ্ছি। আমি আশাবাদী আগামী ৩১ জানুয়ারি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে এলাকার মানুষ আমাকে মূল্যায়ন করে লাঙ্গল প্রতীকে ভোট দিয়ে চেয়ারম্যান হিসেবে বিজয়ী করবেন। তিনি সাতকাপন ইউনিয়ন বাসীর উদ্দেশ্যে বলেন,’ ইনশাআল্লাহ শুধু আপনাদের ভালোবাসা প্রয়োজন। আল্লাহ যদি কাউকে সফলতা দেয় কারো সাধ্য নেই আটকে রাখার। টিকে থাকতে পারলে আর আল্লাহর উপর ভরসা রাখলে সফলতা আসবেই ‘।

উল্লেখ্য যে, ২০১৬ সালের নবম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৩নং সাতকাপন ইউনিয়নে শাহ মোঃ আবদাল মিয়া (লাঙ্গল) প্রতীকে ৪ হাজার ৭৫৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছিলেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ইমাম উদ্দিন সরকার (ধানের শীষ) ৩ হাজার ৪৮১ ভোট,আব্দুর রেজ্জাক (আনারস) ৩ হাজার ৪৭৬ ভোট, আয়াত আলী (নৌকা) ৩ হাজার ৩১ ভোট, ছায়েদ আহমেদ (দেওয়াল ঘড়ি) ১২৮ ভোট এবং মোঃ মাসুক মিয়া (ঘোড়া) প্রতীকে পেয়েছিলেন ৬৮ ভোট।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

পুরাতন সংবাদ দেখুন

বিভাগের খবর দেখুন