স্টাফ রিপোর্টারঃ
টাংগাইলের ঘাটাইল উপজেলাধীন সন্ধানপুর ইউনিয়নের দুর্ধর্ষ খুনি মোঃ খোরশেদ আলী উরফে খোরশেদ ডাকাত বহুবার জেল খাটা আসামি, ফৌজদারী বিধান কোষের ১৫৪ নং ধারায় ধর্তব্য অপরাধ সংক্রান্ত বিষয়ে আবারো খোরশেদ ডাকাতকে গ্রেফতার করে ঘাটাইল থানা পুলিশ।এই ব্যক্তি এমন কোনো অপরাধ নেই যে অপরাধের সাজা সে ভোগ করেনি। উদাহরণ স্বরুপঃ ধর্ষণ, ডাকাতি, বনের গাছ চুরি, অন্যের ভূমি জোড়পূর্বকভাবে ভোগদখল প্রভৃতি। প্রতিবারের ন্যায় এবারো তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।সূত্র জানায়, সন্ধানপুর ইউনিয়নের মৃত নবাব আলীর পুত্র মোঃ খোরশেদ আলী (৪৭) উরফে খোরশেদ ডাকাত, মানাজী গ্রামের মৃত আজিমুদ্দিন এর পুত্র মোঃ শহিদ (৪৩), সাতকুয়া গ্রামের হাবিবুর রহমানের পুত্র মোঃ আঃ সামাদ (৪০), কোচক্ষিরা গ্রামের মৃত আরফান আলীর পুত্র মোঃ আঃ সাত্তার (৫০), ইয়াজ উদ্দিনের পুত্র মোঃ মজিবুর রহমান (৩৮), মোঃ শফি (৩২), হায়দার আলীর পুত্র আলামিন (২৪) সহ অজ্ঞাত নামা আরো কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। উপরোল্লিখিত সন্ত্রাসীরা এলাকার উশ্চিঙ্খল প্রকৃতির লোক। ঘাটাইল আওয়ামীলীগের দোষর সাবেক এমপি খুনি রানা মাস্তানের লাঠিয়াল থাকার সুবাধে বিগত ২০ বছর সাধারণ মানুষের উপর জুলুম, নির্যাতন চালিয়ে আসছে। তদ্রুপ যে কারণে অভিযোগ উঠেছে, মৃত আব্দুল হক খানের সুযোগ্য পুত্র বায়জীদ খান (৬৩), তিনি বর্তমানে স্বপরিবারে তাঁহার বর্তমান ঠিকানায় বসবাস করেন। তাঁহার গ্রামের বাড়ি দেওপাড়া ইউনিয়নের মাইধারচালা তথা কোচক্ষিরা।তাঁহার বাড়ি দেখাশোনা এবং বাড়ির সকল কর্ম করার জন্য তিনি নেত্রকোণা জেলার মদন থানার ধোবাওয়ালা গ্রামের আনিছুর রহমানের পুত্র মোঃ মুন্না (২০) ও ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দা থানার তারাকান্দা গ্রামের কাজিম উদ্দিন মিয়ার পুত্র মোঃ খোকা (২২) নামে এই দু'জন শ্রমিককে নিয়োগ প্রদান করেন।তাঁহারা তাঁর (বায়জীদ) বাড়িতে থেকে তাঁর বাড়ি দেখাশোনা সহ বাড়ির যাবতীয় কর্ম করে থাকে।এমতাবস্থায় তাঁহার বাড়িতে কাজের লোকদের মারধর, হত্যার হুমকি দিয়ে জমির ফসল জোরপূর্বকভাবে ভোগদখল করেছিল।গত ২৬ অক্টোবর আনুমানিক রাত ০৮:০০ টার দিকে উল্লিখিত সন্ত্রাসিরা সহ অজ্ঞাতনামা আরো কয়েকজন একই উদ্দেশ্যে পূর্ব-পরিকল্পিতভাবে বেআইনি জনতাবদ্ধে হাতে দা, লাঠি, লোহার রড ইত্যাদি নিয়ে ঘাটাইল উপজেলাধীন কোচক্ষিরা তাঁহার গ্রামের বসত বাড়িতে এবং বসত ঘরের ভিতরে অনধিকার প্রবেশ করে তাঁহার বর্ণিত শ্রমিকদ্বয়কে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করত। এমনকি এলোপাথাড়িভাবে মারপিট করে তাদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম করে।মূলত খোরশেদ ডাকাতের নির্দেশেই মোঃ শহিদ, তাঁহার হাতে থাকা লোহার রড দিয়ে তাঁহার(বায়জীদ) শ্রমিক খোকা মিয়াকে হত্যার উদ্দেশ্যে তাঁর মাথার সামনের অংশে সজোরে বাড়ি মেরে গুরুতর জখম করে। খোরশেদ ডাকাত তাঁর হাতে থাকা লোহার রড দিয়ে তাঁহার(বায়জীদ) শ্রমিক মুন্নাকে হত্যার উদ্দেশ্যে তাঁর মাথার উপরিভাগে সজোরে বাড়ি মেরে গুরুতর জখম করে।খোরশেদ ডাকাত তাঁহার(বায়জীদ) শ্রমিক মুন্না এর পরিহিত জিন্স প্যান্টের সামনের বাম পাশের পকেটে থাকা তাঁহার(বায়জীদ)দেওয়া বেতনের নগদ মাত্র ১৫,০০০ টাকা এবং সামনের ডান পাশের পকেটে থাকা একটি Redmi স্মার্ট ফোন (যার মূল্য আনুমানিক ১৫,০০০ টাকা) টান দিয়ে নিয়ে নেয়। মোঃ শহিদ তাঁহার(বায়জীদ) শ্রমিক মোঃ খোকা মিয়ার পরিহিত জিন্স প্যান্টের সামনের ডান পাশের পকেটে থাকা তাঁহার দেওয়া বেতনের নগদ মাত্র ১৫,০০০ টাকা এবং একটি Vivo Y21 স্মার্ট ফোন (যার মূল্য আনুমানিক ১৯,৫০০ টাকা) টান দিয়ে নিয়ে নেয়। ঐ সময় তাঁহার শ্রমিকদ্বয়ের ডাক-চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে সকল সন্ত্রাসি শ্রমিকদ্বয়কে খুন জখমের হুমকি দিয়ে চলে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁহার (বায়জীদ) শ্রমিকদ্বয়কে গুরুতর জখমপ্রাপ্ত অবস্থায় নিকটস্থ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। অতঃপর ঘটনাস্থলে গিয়ে পর্যালোচনা শেষে এলাকার মানুষের নিকট খোরশেদ ডাকাতের ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদে এলাকার লোকজন তাঁর ব্যাপারে কোনো কিছু না বলে মুখ ফিরিয়ে নেয়। কেউবা আবার খোরশেদ ডাকাতের ব্যাপারে ভালো-মন্দ কোনো কিছুই বলবে না বলে জানায় যাহা এই পত্রিকার গোপনে ধারণকৃত ভিডিও ফোটেজে স্পষ্ট প্রমাণ মিলে।