কবিতা :
চারন কবি মুকলেছ উদ্দিন ইতিহাস গবেষক ও কবি ফররুখ আহমদ স্মৃতি পদক প্রাপ্ত।
হে খুদা বলনা কবে হবে এই বাঙালির আক্কল বুদ্ধি
তারা কি আজীবন থাকবে পরাধীনতার শৃঙ্খলে বন্দি।
এই জুলুম নির্যাতন হয়রানি অত্যাচার
যুগে যুগেই ভূগছে কোথায়
শেষ তার।
ব্রিটিশ যখন তাদের হাত পায়ে পড়িয়েছিল শৃংখল
তখন দিশেহারা হয়ে ফেলেছিল
শুধু নয়নের জল।
দুই শত বৎসর গোলামির পর
হলো সোচ্চার
কত তাজা প্রাণ হল বলিদান হিসাব নেই তার।
তখন মহাভারত তাদেরও দেখছি একেই ব্যবহার
এখানেও শুরু হয়ে গেল নির্যাতন নির্মম অত্যাচার।
কেড়ে নিল বাঙালির বাকশক্তি ন্যায্য অধিকার
এখন ঘরে বসে থেকে কান্না ছাড়া কিছু নাই আর।
হায়রে বাঙালি এতই কি করে
ছিলে পাপ
একেই বলে কপালে বিধাতার অভিশাপ।
আবার ১৯৪৮ সালের ১৪ আগস্টে ছেড়ে হিন্দুস্তান
পেলাম মুসলিম আভাস ভূমি নাম তার পাকিস্তান।
এখানেই শেষ নয় আবার শুরু হয়ে গেল নির্যাতন অত্যাচার
কেড়ে নিতে চায় বাঙালির মায়ের ভাষা পশ্চিমা হানাদার।
১৯৭১ রে লাখো লাখো শহীদের তাজা রক্তে আঁকা
পেলাম একটি মানচিত্র লাল সবুজ স্বাধীনতার পতাকা।
ভেবে ছিলাম এইবার বাঙালির
দুঃখ হবে অবসান
কিন্তু এখন ঘরের শত্রু রাবণ বন্ধী নাই পরিত্রান।
জুলুম নির্যাতন শুরু করে স্বৈরাচারী সরকার
কেড়ে নেয় জাতির বাকশক্তি ন্যায্য অধিকার।
২০২৪ শে জুলাই আবার শুরু হয় গণঅভ্যুত্থান
চলে হত্যাযজ্ঞ কত অগণিত প্রাণ হলো বলিদান
যখন আবাল বৃদ্ধ জনতা নেমে আসে রাস্তায়
তখন স্বৈরাচারী দলবল নিয়ে পালিয়ে যায়।
এখনও শহীদের রক্ত শুকায়নি শোনা যায় ছেলে হারা মায়ের কান্না
কিন্তু শুরু হয়ে গেছে ক্ষমতার দাপট একে অপরের সমালোচনা।
ও খুদা কর জোড়ে করি তোমার দরবারে প্রার্থনা
ফিরিয়ে নাও তোমার অভিশাপ আর কষ্ট দিও না।