মুরাদ হাসান::
দেশে শিক্ষাজীবনের একটি পর্যায়ে তিনি উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পাড়ি জমান। কিন্তু নানা বাস্তবতাজনিত কারণে ডিগ্রি সম্পন্ন না করেই তাকে দেশে ফিরে আসতে হয়। তবে বিদেশের সেই অভিজ্ঞতা তাকে জীবন ও বাস্তবতা সম্পর্কে গভীর জ্ঞান দিয়েছে, যা পরবর্তীতে তার সাংবাদিকতা ও জীবনদর্শনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছে।
বর্তমানে তিনি বাংলাদেশের খ্যাতনামা অনলাইন ও প্রিন্ট সংবাদমাধ্যমের জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বিশেষ করে জুমবাংলা ডট কম-এ তাঁর সংবাদ পাঠকপ্রিয়তার শীর্ষে। তাঁর কলমে উঠে আসে সাধারণ মানুষের সমস্যা, প্রশাসনের দায়িত্বহীনতা কিংবা কোনো ইতিবাচক পরিবর্তনের কথা।
সাংবাদিকতার পাশাপাশি বর্তমানে সুয়েব রানা কাজ করছেন কুইজ ও জ্ঞানভিত্তিক বিনোদন কনটেন্ট নির্মাণে। ফেইসবুকসহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে তার কুইজ ভিডিওগুলো লাখ লাখ মানুষ দেখছে, শিখছে, উপভোগ করছে। তাঁর প্রশ্নের ধরন, উপস্থাপনভঙ্গি ও বিনোদনের ছোঁয়া তাকে তৈরি করেছে ভিন্ন এক পরিচয়ে।
সুয়েব রানা চান—তরুণরা যেন মিথ্যা গ্ল্যামার নয়, বরং জ্ঞান, সততা ও ন্যায়ের পথে চলতে উদ্বুদ্ধ হয়। “আমি চাই, আমার কণ্ঠে অনুপ্রেরণা পাক একজন গ্রামের ছেলে, যে ভাবে তারও পক্ষে কিছু করা সম্ভব।
পাঠকদের প্রশংসা ও অনুভূতি: সুয়েব রানার লেখা ও বক্তব্যের ভেতরে রয়েছে এক গভীর মানবিকতা, আত্মবিশ্বাস ও বাস্তবতার সাহসী উচ্চারণ। তিনি নিজের জীবনের গল্প যেভাবে নিখুঁত ও বিনয়ী ভাষায় তুলে ধরেন, তা পাঠকের মনে দীর্ঘদিন দাগ কাটে। তাঁর প্রত্যেকটি শব্দে থাকে অভিজ্ঞতার ভার, আর প্রত্যেকটি লাইনে ফুটে ওঠে একজন সংগ্রামী মানুষের নির্ভীক পথচলা।
তিনি প্রচারের নয়, বরং প্রয়োগের মানুষ যিনি চুপচাপ কাজ করে যাচ্ছেন, সমাজকে আলোকিত করার লক্ষ্যে।