ছাতক প্রতিনিধিঃ
ছাতকে সুরমা নদীতে এম বি ইদ্রিস নৌ পরিবহনের বালু বোঝাই একটি বাল্কহেড দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে।
রবিবার (২৯ জুন) গভীর রাতে উপজেলার পৌরশহরের ফকির টিলা বিজিবি ক্যাম্পে ও নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ৫০০ মিটার সামনে সুরমা নদীতে এ ঘটনা ঘটে।
এ সময় বাল্বহেড এর মাস্টারসহ কর্মীদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ৫টি মোবাইল, নগদ টাকা ও ৫০০ লিটার ডিজেল লুটের ঘটনা ঘটেছে।
জানা যায়, এম বি ইদ্রিস আলী নৌপরিবহন-৩ নামের বাল্বহেড ছাতকে বালি লোড নিয়ে ফকিরটিলা ভিজিবি কেম্পের সামনে রাত্রি যাপনের জন্য অবস্থান নেয়।
তখন রাত আনুমানিক ২টার দিকে একদল ডাকাত দেশীয় অস্ত্র দা, রামদা নিয়ে বাল্বহেডের পিছনের দরজা ভেঙ্গে ভিতরে ঢুকে অস্ত্রের মুখে বাল্বহেডের কর্মীদের ইঞ্জিন রুমে জিম্মি করে বাল্বহেড থাকা প্রায় ৫০০লিটার ডিজেল লুট করে বাল্বহেডে থাকা কর্মীদের মারধরকরে আহত করে পালিয়ে যায়।
লুট হওয়া ডিজেলের মূল্য আনুমানিক ৬০ হাজার টাকা বলে দাবি করেছেন কর্তৃপক্ষ।
বাল্কহেড মাষ্টার মাহফুজ মিয়া ও কর্মীরা জানান, ছাতক সুরমা নদী ও ফকির টিলা বিজিবি ক্যাম্পের মোড়ে তারা বাল্বহেড বেদে রাত্রিযাপন করছিল। রাতে তারা ঘুমিয়ে পরলে সুরমা নদী থেকে একটি ট্রলারে চড়ে ১০ থেকে ১২ জন ডাকাত আমার বাল্বহেডে ঢুকে পরে। তাদের সবার মুখে ছিল জমটুপি (মুখ ঢাকার কালো মাক্স) তাদের কাছে দেশি বিদেশী বড় রাম দা সহ বিভিন্ন অস্ত্র ছিল তারা আমাদেরকে মারধর করে হাত পা বেদে সব কিছু ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
ছাতক বাজার একতা বালু উত্তোলন ও সরবরাহ সমিতির সাধারন সম্পাদক দিলোয়ার হোসেন এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নৌপথে পণ্যবাহী নৌযানে ডাকাতি ও চাঁদাবাজির একাধিক ঘটনা ঘটে সুরমা নদীতে।
ছাতক নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন এঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন অভিযোগ পেয়েছি আমরা আইনানুগত ব্যবস্থা নেব।