সিলেট নিউজ ডেস্ক :
১৩ নং দিঘলী ইউনিয়ন জনপ্রিয় চেয়ারম্যানকে সকল ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি।
জয়নাল আবেদীন সজীব স্টাফ রিপোর্টার
আগামীকাল আন্তর্জাতিক অপরাধ টাইমিনালে আদালতে হাজির করবেন এবং জামিন চাইবেন আল্লাহপাক যেন জামিনটা কবুল করে।
লক্ষীপুর সদর উপজেলা ১৩ নং দিঘলী ইউনিয়ন পরিষদের সুযোগ্য চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন চৌধুরী জাভেদ কে গত ৫ এ আগস্টের পর থেকে লক্ষ্মীপুরে ছাত্র হত্যার নামে যে নৈরাজ্য সৃষ্টি চালিয়েছিল সমন্বয়কেরা।তাদেরে মিথ্যা মামলায় আজ জেলহাজতে খুবই কষ্টে জীবন যাপন করতেছে।খুবই তীব্র নিন্দা জানাই অতি দ্রুত সকল মিথ্যা মামলা থেকে আল্লাহ পাক যেন সৎ সাহসী জনপ্রিয় চেয়ারম্যান কে মিথ্যা মামলা থেকে প্রত্যাহার করে।তার অতীত ষড়যন্ত্রমূলক কাজ থেকে বিরত রাখার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ থাকবে সাধারণ জনগণ উনার শাসন আমলে শান্তি শৃঙ্খলা অত্যন্ত সুন্দরভাবে ইউনিয়ন পরিচালনা করে যাচ্ছিল।
কিছু কুচক্রী মহল ক্ষমতা ছুতো আওয়ামী লীগ যাওয়ার পর থেকে গ্রামগঞ্জে সাধারণ রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। প্রত্যেকেরে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে যাচ্ছিল" মিথ্যা মামলা ঘুম খুনের চাঁদাবাজি ডাকাতি বিরুদ্ধে সাধারণ জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়ে আবারো দেশের শান্তি ফিরিয়ে আনবে।
যারা আজকে এলাকায় ইউনিয়ন ক্ষমতাল দাপট দেখিয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের কে ঘুম খুন হত্যার চালিয়ে যাচ্ছে।চাঁদাবাজি চলতেছে রমরমা ব্যবসা তারি সাথে চলতেছে মাদকের সম্রাজ্য দেশটাকে ধ্বংস করে দিয়েছে। লক্ষীপুরের পূর্বাঞ্চলে অধিকাংশ এলাকায় মাদকের রমরমা ব্যবসা চলছে প্রশাসন দেখিও না দেখার ভান করে চলছে।তাদের বিরুদ্ধে নিচ্ছে না কোন ব্যবস্থা চলতেছে শুধু গণহারে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদেরকে গ্রেফতার।
অনুসন্ধানে জানাজায় লক্ষ্মীপুরের পূর্বাঞ্চলে যে হারে অস্ত্র চাঁদাবাজি সন্ত্রাসী গুম খুন নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে রমরমা ব্যবসা চলছে।
এসময় সাধারণ জনগণের সাথে কথা বলে জানতে পারি এখন আর আওয়ামী লীগ ক্ষমতা নাই বিধে শাসন নাই গণহারে চলতেছে মাদক থেকে শুরু করে ইয়াবা গাজা মদ বিয়ার সবই নাকি এলাকায় পাওয়া যাচ্ছে।
সাধারণ জনগণ আরো বলে"এদেরকে বর্তমানে সেলটার দিচ্ছে জনপ্রশাসনের অধীনে ছত্র ছায়া দলের ক্ষমতা প্রয়োগ করে" সব অবৈধ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। সাধারণ জনগণের কিছুই বলার থাকে না যে মুখ খুলবে তাকে মুখ বন্ধ করার জন্য গুম খুন নির্যাতন চালিয়ে যাবে।তাই কেউ ভয়ে মুখ খুলতেছে না"আমি প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করব,টাকাকে না বলে অপরাধীদেরকে গ্রেফতার করুন দেশে ও শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার চেষ্টা চালান নয়তো এই দেশে আর নৈরাজ্য বন্ধ করার ক্ষমতা থাকবে না।
এ সময় জাবেদ চেয়ারম্যানের নিকটতম পরিবারের "যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী জসীমউদ্দীনের"সাথে কথা বলার সময় তিনি বলেন, এই দেশের স্বাধীন করেছে আওয়ামী লীগ।স্বাধীন দেশে কিভাবে গণহারে ছাত্রকে হত্যা করে মিথ্যা মামলা রটিয়ে দিয়েছিল। আওয়ামী লীগের পরিবারের উপরে। স্বাধীন দেশে যদি আওয়ামী লীগ করা অপরাধী হয়ে থাকে তাহলে আমি মনে করি স্বাধীন দেশের আগে পূর্ব পাকিস্তানি কাদের এত ক্ষমতা ছিল।
কারা দেশ স্বাধীন করার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়েছিল কারা ৩০ লক্ষ মা বোনের ইজ্জতের বিনিময় বাংলাদেশ তৈরি করেছিল। আজ বাংলাদেশ মাটিতে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে চায়"আওয়ামী লীগের পরিবারের উপরে রোলার স্টিম চালিয়েছিল।এরা কারা এরা তো পাকিস্তানি দালালরা"পূর্ব পাকিস্তানের শাসন আমলে এরাই তো চাইছিল পূর্ব পাকিস্তানি তৈরি করতে।
ছাত্র সমন্বয়ক" নামে চাঁদাবাজি খুন খারাপের সন্ত্রাসী গণহারে ছাত্র হত্যা করে আজ নাম দিয়েছে এনসিপি এদের কারণে দেশ ধ্বংস হয়েছে। এরা মানুষ হত্যা করেছে,এরা জনগণকে হত্যা করেছে,এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে সরকার গণহারে আওয়ামী লীগ গ্রেফতার করতেছে, ঘুম নির্যাতন চালাচ্ছে, এদের বিরুদ্ধে বাংলার জনগণ আবারও জ্বলে উঠবে।
বাংলার জনগণকে ধামায় রাখতে পারে নাই"৫ আগস্টের ছাত্র গণহত্যা মিথ্যা মামলার শিকার"পাঁচই আগস্টে আমার ভাই বাড়িতেছিল বাড়ি থেকে বাইর হয় নাই কিভাবে আমার ভাই ছাত্র হত্যা করে সাধারণ জনগণের কাছে প্রশ্ন। জুলাই মাস থেকে তিনি লক্ষ্মীপুরে যাওয়া আসা করে নাই তাহলে আমার ভাইকে মিথ্যা হত্যা মামলা দিলু কারা।আমাদের ক্ষমতার লোভ সামলাতে না পারে।আমার ভাই জাবেদ চেয়ারম্যান কে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল হাজতে রেখেছে, আমরা এই এলাকায় চলাফেরা করেছি।
ক্ষমতা প্রয়োগ করার জন্য এলাকায় আওয়ামী লীগ বিএনপি জামাত শিবিরের ঐক্য হিসেবে তৈরি করেছিলেন আমরা অতীতে সবার সাথে মিলেমিশে চলেছিলাম কারণ এক দিন এই দুনিয়ায় ছেড়ে চলে যাব।কিন্তু আজকে আপনারা যে মনুষত্ব দেখিয়েছিলেন আমরা শুধু অতীতের কথা মনে রাখবো।আমার ভাই এই এলাকায় এবং আমাদের পরিবার সকলে এই এলাকার জনগণকে সব সময় সহযোগিতা করে যাচ্ছি ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতে যাব কিন্তুক আওয়ামী লীগের স্বাধীনতা 75 বছর পরে যে মুনাফিকি দেখাই ছিলেন ইনশাআল্লাহ মনে রাখবো।
দীর্ঘদিন থেকে দীর্ঘ শাসনামলে এরকম নৈরাজ্য সৃষ্টি কখনো হয় নাই,যারা আমাদের পরিবারের উপরে মিথ্যা হত্যার মামলা রটিয়ে ছিলেন। তারা শুধু আমার ভাইয়ের ক্ষমতা নেওয়ার জন্য,আমাদের পরিবারকে এত বড় মিথ্যা মামলা দিয়ে হেনস্তা করে যাচ্ছে।আমার ভাইয়ের নিরাপত্তা নাই, আমার ভাই খুব অসুস্থ বর্তমান বর্তমান দেশে এই ক্লান্ত সময় আমাদের খুবই খারাপ যাচ্ছে। সবাই দোয়া করবেন"আল্লাহ পাক যেন আমার ভাইকে দ্রুত এ মিথ্যা মামলা থেকে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়।
যারা আমার ভাইয়ের ক্ষমতার লোভ সামলাতে পারে নাই তাদেরকে বলব এই দুনিয়ায় মীরজাফ টিকতে পারে নাই হিটলার ও বেঁচে থাকতে পারে নাই যারা আমাদের সাথে খারাপ আচরণ করেছে। যারা আমার ভাইকে মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাদের পরিবারকে হয়রানি করেছে। আমরা শুধু একটি কথাই বলবো"আল্লাহ পাক যেন তাদেরকে সহিসালামতে ভালো রাখে ইনশাআল্লাহ তাদের মাঝে আবারও দেখা হবে।
কি অপরাধ ছিল আমার ভাই জনগণের সেবা করা জনগণের উন্নয়ন করা জনগণকে শান্তি দেওয়া। সরকারের সকল উন্নয়ন ঘরে পৌঁছে দেওয়াই আ