সিলেট নিউজ ডেস্ক :
কে এম সফর আলী দেশের অন্যতম সাহিত্য সংগঠন স্বাধীনবাংলা সাহিত্য পরিষদ এর প্রতিষ্ঠাতা প্রধান নির্বাহী পরিচালক, এছাড়াও তিনি বহু আলোচিত আন্তর্জাতিক 200 শত লেখকের দ্য হাইব্রিড অব কালচার কাব্যগ্রন্থ ও দুই বাংলার শত লেখকের সমস্বপ্ন কাব্য গ্রন্থের সম্পাদক ,তাঁর সম্পাদিত অন্যান্য যৌথ কাব্যগ্রন্থগুলো হচ্ছে, অপরাজয়ে বাংলা, স্বাধীনবাংলা কাব্য সমাহার, কৃষি ও কৃষক, কবিতার মর্মকথা, আঁধার শেষে আলো, তিতাস ডাঙা,রক্ত নদীর বাঁকে, পানকৌড়ির নীড়ে কাব্যগ্রন্থ।
কে এম সফর আলীর একক কাব্য গ্রন্থ ফাগুনের শঙ্খচিল, মায়ের চোখে ৭১, মুছে যাচ্ছে ইতিহাস।এছাড়াও অসংখ্য যৌথ কাব্য গ্রন্থে উনার লিখা প্রকাশ হয়েছে।
প্রকৃতিপ্রেমী ও মরমীধারার লেখক কে এম সফর আলী জীবনের শুরু থেকেই নানা অভিজ্ঞতার আলোকে লেখালিখির জগতে বিচরণ করছেন।কে এম সফর আলী বর্তমান সময়ের আলোচিত একজন লেখক। একাধারে লিখে যাচ্ছেন কবিতা। তাঁর লেখনীর মাধ্যমে যেন ফুটে উঠে স্বদেশ প্রেমের হাতছানি। সম্প্রতি স্বাধীনবাংলা সাহিত্য পরিষদ নামে সাহিত্য চর্চার একটা স্বচ্ছ প্ল্যাটফর্ম তৈরি তাঁর সাহিত্য জীবনের একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। সম্প্রতি কবির দেখা ইতিহাস ঐতিহ্য, মানবিকতা,ভয়, স্মৃতি-বিস্মৃতি,অনন্ত প্রেম, পাওয়া না পাওয়ার দ্বন্দ্ব, জীবনের দোষের স্বীকারোক্তি পুঁজি করে নির্মাণ করছেন একক ৩টি কাব্যগ্রন্থ সহ অসংখ্য যৌথ কাব্য গ্রন্থ।
সাহিত্য সৃষ্টি কল্পে কবি কে এম সফর আলী পেয়েছেন অসংখ্য একাডেমী পুরস্কার।
জন্ম : কবি কে এম সফর আলী
১৮ সেপ্টেম্বর ১৯৮৫ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা নবীনগর উপজেলার পশ্চিম ইউনিয়নের দড়িলাপাং গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
তাঁর বাবার নাম আব্দুর রাজ্জাক মিয়া ও মাতার নাম হাজেরা খাতুন। কে এম সফর আলী এক মুসলিম সম্ভ্রান্ত কৃষক পরিবারের সন্তান, দীর্ঘ দিন সিঙ্গাপুর প্রবাসে কর্মজীবন শেষ করে বসবাস করছেন নিজ উপজেলা নবীনগর সদরের টি এন্ড টি রোডে নিজ বাড়িতে। ভালোবাসেন ফুল, পাখি, নদী নালা খাল বিল,সাদা মনের মানুষ ও লেখক , কবি , সাহিত্যিকদের ।ঘুরতে পছন্দ করেন দেশ-বিদেশে । বর্তমানে সামাজিক সেবা মূলক প্রতিষ্ঠান বিডি বাংলাদেশ হোম কেয়ার ও নার্সিং ট্রেনিং সেন্টারের এর পাশাপাশি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান স্বাধীন বাংলা সাহিত্য প্রকাশনী নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।
কবির জন্য সবাই দোয়া করবেন।