চুনারুঘাট প্রতিনিধি:-
গত ২০ শে অক্টোঃ রোজ সোমবার , চুনারুঘাট উপজেলার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে প্রতারনার দেয়ে প্রকৃত আইডি কার্ডের ব্যক্তি না হয় অন্যের আইডি কার্ডে নিজের ছবি বসিয়ে অন্যের জমি নিজের নামে নেওয়ার পায়তারায় দুই ব্যাক্তি আটক , এতে রেজিস্ট্রার সাহেবের সন্দেহ হলে তা যাচাই বাছাই ক্রমে প্রমাণ হয় জালিয়াতি তান্ডব ।
ঘটনাটি ঘটেছে চুনারঘাট সাবরেজিষ্টার অফিস।
আসল মালিকের জাতীয় পরিচয় পত্রে নিজের ছবি বসিয়ে জালিয়াতি করে অন্যের জমি বিক্রয় করতে গিয়ে সাবরেজিস্টার অফিসে আটক হন বিক্রেতা মোঃ আঃ শুকুর ও ক্রেতা আঃ মালেক । গতকাল সোমবার বেলা ১১টা থেকে শুকুর ও মালেককে দলিল প্রস্তুত করতে কামাল নামের এক দলিল লেখকের সাথে ব্যস্ত থাকতে দেখা যায়। বেলা ৩টার সময় দলিল রেজিস্ট্রার করতে সাব-রেজিস্ট্রার এজলাস কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়। সাব- রেজিস্ট্রার যাচাই বাছাই প্রক্রিয়ায় যা যা জিজ্ঞেস করার তা করেন।

জিজ্ঞাসাবাদে ক্রেতা-বিক্রেতার অসংলগ্ন কথাবার্তায় দলিলটি যাচাই করা হয়। তখন দেখা যায়, দাগ, খতিয়ান জেএল চৌদা, ইত্যাদি মিলিয়ে জমির প্রকৃত মালিক পাইকপাড়া গ্রামের তালুকদার বাড়ির মৃত আঃ মতিন এর পুত্র আঃ জলিল। শুকুর ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।
সঙ্গে সঙ্গে শুকুর আলী ও আঃ মালেককে আটক করে চুনারুঘাট থানায় হস্তান্তর করা হয়।
চুনারুঘাট সাব- রেজিস্ট্রার অফিসে মোহরার পদে কর্মরত সৈয়দ শোয়েব উদ্দিন বাদী হয়ে চুনারুঘাট থানায় মামলা দায়ের করেন। চুনারুঘাট থানায় মামলা রুজু হয়।
আজ মঙ্গলবার শুকুর ও মালেককে আদালতে প্রেরণ করা হয়।
শুকুর চুনারুঘাট উপজেলার পাইকপাড়া গ্রামের আঃ হাই এর পুত্র ও মালেক উপজেলার জোয়ার মাগুরুন্ডা গ্রামের আনোয়ার আলীর পুত্র। এ কর্মকাণ্ডে তাদের সাথে আরও যোগসূত্র রয়েছে বলেও জানা যায়। এতে এলাকায় জনসম্মুখে আলোচনা সমালোচনা ঝড়ভয়ছে।