সিলেট নিউজ ডেস্ক :
ইনি তিথির মা শাম্মি আহমেদ। পরকীয়ার জগতে তিনি মাইলফলক হয়ে থাকবেন। ভদ্রমহিলা ১৮ বছর ধরে সমাজের প্রভাবশালী এক ব্যক্তির সাথে লিভ ইন রিলেশন চালিয়ে গেছেন। সেই ব্যক্তির স্ত্রী সন্তান ছিল। স্ত্রী ১৮ বছর ধরে স্বামীর পরকীয়ার চাকায় পিষ্ট হতে হতে মরেই গেলেন। গাছ যেমন তেমন তার ছাল-বাকল!!আলভীর রক্ষিতা তিথির নষ্টামির গোড়াপত্তন হয়েছে কিন্তু তার মা শাম্মি আহমেদের প্রশ্রয়ে। তিথি তার মায়ের কাছ থেকে চরম এক বায়োলজিক্যাল কোয়ালিটি পেয়েছে। তা হল পুরুষ শিকার। আগেও তিথির বিয়ে হয়েছিল। সে ঘরে তার সন্তান আছে। যেহেতু তার চরিত্রের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সে এক পুরুষে সন্তুষ্ট নয়। আরেকজন আসে তার জীবনে। তার সঙ্গেও চলেছে উদ্দাম যৌ*নতা। আসলে সে এক বিকৃতকামী। জাহের আলভী ছিল তার জন্য বিশেষ উপযোগী। কারণ অতীতে নারীদেহ দেখলেই আলভীর লোভাতুর জিহবা লকলক করে একহাত লম্বা হয়ে ঝুলে পড়তো। গৃহপরিচারিকাকেও তার কাছে সহজলভ্য ভোগের সামগ্রী মনে হতো।
তিথির বাসায় ছিল আলভীর অবাধ যাতায়াত। দুই বেশরম এখন তাদের অবৈধ সম্পর্কের কথা অস্বীকার করছে। স্ক্রিনশট নিয়ে লাইভে হাজির হচ্ছে। তিথির মা জননী শাম্মি আহমেদ অতি আশ্চর্য গুণে গুণান্বিতা। ভদ্রমহিলা তার জন্মের সময় কঠিন পণ করে দুনিয়ায় ভূমিষ্ঠ হয়েছেন যে তিনি লাইফ টাইম পরকীয়ার জন্য অ্যাভেইলেবল থাকবেন। তা তিনি আজ অবধি করে যাচ্ছেন। শাম্মি আঠারো বছর ধরে। এখন আরেকজনের সাথে চালিয়ে যাচ্ছেন। তো আপনারা এই তিথির কাছ থেকে নুন্যতম মানবিকতা আশা করেন কিভাবে?সে তো মা কা বেটি। শাম্মির বয়স বেড়েছে। সৌন্দর্য ভস্কাইয়া গেছে। কিন্তু আদত এখনো ছাড়তে পারেনি।
তার বাপ দীন মোহাম্মদ মন্টু হল আরেক টাল্টিবাজ। অচল অপদার্থ নাট্য নির্মাতা। শুনেছি থার্ড গ্রেডের নাটক ফাটক বানায়। বিএনপি করে। সেও তার মেয়েকে বাঁচানোর জন্য মাঠে নেমেছে। এই লাট্টু মন্টুমিয়ার চারিত্রিক সনদও পাওয়া গেছে। সেও নারীখেকো হায়েনা। ইনবক্সে মেয়েদেরকে বেড পার্টনার হওয়ার প্রস্তাব দেয়। তিথি জানে তার বাপ মা বহুগামিতায় অভ্যস্ত। তারা কোয়ি কিসিসে কম নেহি। মা বাবার শেখানো পথ ধরে সগৌরবে হাঁটছে তিথি।