শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি :
শ্রীমঙ্গলে এক জমি দুই ব্যক্তির কাছে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এনিয়ে এক ক্রেতা সংবাদ সম্মেলন করে অপর ক্রেতার বিরুদ্ধে জমি দখল নেয়ার চেষ্টার অভিযোগ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুরে জমির ক্রেতা ও শহরতলীর উত্তর সুর এলাকার বাসিন্দা ফারুক আহমেদ এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, স্থানীয় ইন্দ্রু মোহন শব্দ কর নামে এক ব্যক্তি ২২/১/১৯৭৬ ইং তারিখে উত্তরসূর মৌজায় আর, এস - ৭৭৫ খতিয়ানে ৫৮২৩ নং দাগে ১০ শতাংশ জমি নিলুফার হায়দার নামে এক নারীর কাছে বিক্রি করেন। যার দলিন নং ২২২/৭৬। ইন্দ্রু মোহন শব্দ কর পরদিন ২৩/১/১৯৭৬ ইং তারিখে একই জায়গা আবার তার ছেলে রমেশ শব্দ কর এর নিকট দলিল সম্পাদন করে দেন বলে জানতে পেরেছি।
তিনি বলেন, গত ২৩/০৪/১৯৯৮ইং
জমির মালিক নিলুফা হায়দারের নিকট থেকে উক্ত ভূমি ক্রয় করে নামজারী সংশোধন পূর্বক খাজনা পরিশোধ করে শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোগ দখল করে আসছি। বিগত ১১/১০/২০২৫ইং তারিখে জমির বাউন্ডারি দেয়াল করার সময় প্রতিবেশী দোলন মিয়া দেয়াল নির্মাণে আপত্তি জানিয়ে এই জমির মালিকানা দাবী করেন। এনিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি হলে
শ্রীমঙ্গল ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা কয়েক দফা শালিসি বৈঠকে বসেন। বৈঠকে জমির অপর মালিকানা দাবীদার দোলন মিয়াও একটি দলিল উপস্থাপন করেন। ওই দলিল বিশ্লেষণ করে দেখা যায় ১৯৯৮ সালে নিলুফার হায়দার এর কাছ থেকে আমি (ফারুক আহমেদ) জমি ক্রয় করার কয়েক বছর পরে দোলন মিয়ার কাছে একই জমি দ্বিতীয় দফা বিক্রি করা হয়।
ফারুক আহমেদ বলেন, যেহেতু আমি আগে জমি খরিদ করে নামজারি খাজনা পরিশোধ পুর্বক ভোগ দখল করে আসছি, তাই শালিস বৈঠকে আমার দাবীর পক্ষে রায় প্রদান করেন।
এমতাবস্থায় গত ৯ মার্চ জমিতে টিনের বেড়া দিলে দোলন মিয়া ও তার লোকজন বিকালেই টিনের বেড়া ভেঙ্গে ফেলে। এনিয়ে শ্রীমঙ্গল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করি। ফারুক আহমেদ অভিযোগ করেন থানায় অভিযোগ করার পর থেকে প্রতিপক্ষ ফেসবুকের মাধ্যমে শ্রীমঙ্গল উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য মশিউর রহমান রিপন এবং যুবদল নেতা মুহি উদ্দিন ঝাড়ুর নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী হামলা, ভয়ভীতির মিথ্যা ও অসত্য প্রচারনা চালায়। যা সম্পুর্ন ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত। কারণ যুবদল নেতা মুহি উদ্দিন ঝাড়ুর এ ঘটনার সাথে কখনো সম্পৃক্ত ছিলেন না।