পীরজাদা মোঃ মাসুদ হোসেনঃ
আইন পেশায় যুক্ত হলেন দৈনিক "সোনালী কন্ঠ" পত্রিকার লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি বেলাল চৌধুরী। রায়পুর রিপোটার্স ইউনিটির আইন বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। গত ১৫ মার্চ ২০২৬ তিনি বাংলাদেশ বার-কাউন্সিল কর্তৃক চূড়ান্ত তালিকায় সনদপ্রাপ্ত হয়ে লক্ষ্মীপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের একজন নিয়মিত আইনজীবী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। এর আগে তিনি ঢাকা জেলা জজ আদালত ও লক্ষ্মীপুর জেলা জজ আদালতে শিক্ষানবীশ আইনজীবী হিসেবে অনুশীলন করেন।
বেলাল চৌধুরী রায়পুর থানাধীন ৬ নং কেরোয়া ইউনিয়নের একজন কৃতী সন্তান। উক্ত ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের মৃত মোঃ নুরল আমীন ও পারুল বেগম দম্পতির জেষ্ঠ সন্তান বেলাল চৌধুরী। বাবা মায়ের স্বপ্ন ছিলো তিনি একজন আইনজীবী হবেন, আজ সে স্বপ্ন বাস্তবায়ন হলো। এছাড়াও প্রায় ১৫ বছর তিনি শিক্ষকতা পেশায় জড়িত ছিলেন, উত্তর কেরোয়া এম এম এ কাদের একাডেমী, কেরোয়া মানছুরা প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং রায়পুর টিউলিপ স্কুল এন্ড কলেজের গনিত শিক্ষক ছিলেন।
তিনি ২০০৫ সালে এস এস সি, ২০০৭ সালে এইচ এইচ এস সি, ২০১১ সালে লক্ষ্মীপুর সরকারী কলেজ থেকে অনার্স পাশ করেন। ২০১২ সালে ঢাকা কলেজ থেকে এমএ পাশ করেন। ২০১৬ সালে ঢাকা আইডিয়াল ল' কলেজ ফার্মগেট ভর্তি হয়ে ২০২০ সালে তিনি এলএল.বি ডিগ্রি অর্জন করে লক্ষ্মীপুর জজ আদালতে শিক্ষানবীশ আইনজীবী হিসাবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে এলএলএম পাশ করেন। ২০২৬ সালে তিনি বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কর্তৃক চূড়ান্তভাবে সনদপ্রাপ্ত হয়ে লক্ষ্মীপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের একজন নিয়মিত আইনজীবী হন।
ব্যাক্তিগত জীবনে তিনি ও তার স্ত্রী তাহমিনা পাটোয়ারী ২ ছেলে ১ মেয়ের জনক-জননী। বড় ছেলে তাহছীন চৌধুরী, ছোট ছেলে তাহসান চৌধুরী, মেয়ে ভাবনা চৌধুরী তাহিরা। বেলাল চৌধুরীর এই কৃতিত্বে রায়পুরের শিক্ষক, সাংবাদিক, আইনজীবী সমাজ গর্বিত।
রায়পুর রিপোটার্স ইউনিটির সভাপতি এ্যাডভোকেট আব্দুল জাব্বার ফরিদ বলেন, বেলাল চৌধুরী একজন পেশাদার সাংবাদিক এবং রায়পুর রিপোর্টার্স ইউনিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক হিসাবে আছেন। আমরা রায়পুর রিপোটার্স ইউনিটি তাকে নিয়ে গর্ববোধ করি। তাঁর সিনিয়র আইনজীবী এ্যাডভোকেট মনির হোসেন বলেন, তিনি আমাদের রায়পুরের ই একজন সন্তান, অত্যন্ত মেধাবী, তিনি আমাদের আইনঙ্গনের একজন সদস্য, তার ভবিষ্যৎ সফলতা কামনা করি। রায়পুর রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্য সাংবাদিক জাকির হোসেন দিদার বলেন, বেলাল চৌধুরী একজন মেধাবী ও বিচক্ষন মানুষ, এই মানুষটি মিষ্টি হাসি দিয়ে সবার সাথে কথা বলে হৃদয় কেড়ে নেন। তার উন্নতি কামনা করি, সাংবাদিক মামুন ভূইয়া বলেন,
বেলাল চৌধুরীর এই সফলতা সত্যিই অনেক সন্মান এবং গৌরবের, পেশাগত জীবনে অনেকদূর এগিয়ে যাবেন, আমরা তার জন্য দোয়া করি।
একান্ত আলাপে এ্যাডভোকেট বেলাল চৌধুরী বলেন, আমার মা-বাবার বড় স্বপ্ন ছিলো আমি আইনজীবী হবো, শুরুটা অনেক কঠিন ছিলো, অনেক সংগ্রাম এবং নির্ঘুম রাত পরিশ্রম করে আজ আমি স্বীকৃত একজন আইনজীবী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলাম। আমার এ যাত্রায় বাবা-মায়ের, সিনিয়র আইনজীবী, শিক্ষক, সাংবাদিক, সহকর্মী, এলাকাবাসী, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব, বিচারপ্রার্থী মজলুম জনগনের দোয়া ছিলো, তাছাড়া আমার কঠিন ধৈর্য ও অধ্যবসায় ছিলো, আমি সকলের কাছে কৃতজ্ঞ। কাজকে আমি কখনোই ছোট করে দেখিনি, কাজের প্রতি ছিলো আমার কঠিন ভালোবাসা। একজন সফল মানুষ হতে হলে, অধ্যবসায়, সততা, আদর্শ, ধৈর্য, সম্মান, সহমর্মিতা আবশ্যক। আমি সকলের কাছে দোয়া চাই- যাতে আইনপেশায় যুক্ত থেকে সারা জীবন সততার সহিত মানুষ এবং মানবতার কল্যানে নিজেকে উৎসর্গ করতে পারি।