সিলেট নিউজ ডেস্ক :
নিহত রবিন আহমেদ রানাকে কেরানীগঞ্জ থেকে পুলিশের তালাশ উদ্ধার করার পর নিহত পরিবারকে তারা কিছু টাকার লোভে তদন্ত ইনচার্জ এবং থানার ইনচার্জ অফিসার সহ কিছু টাকার লোভে রবিন আহমেদ রানাকে অপমৃত্যু বলে প্রত্যয়ন করে তদন্ত অফিসার তহিদুল কিছু জানায়নি নিহত পরিবারকে এবং তারা মিথ্যা একটা অভিযোগ তাদের মনগড়া মত লিখে দেয় একটি খামে ভরে নিহত পরিবার থেকে অভিযোগ কাগজটি থেকে জানা যায় যে আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী আসমা বেগম ৪৫ পিতা সোলেমান মিয়া স্বামী সেলিম সরদার সং কেরানীগঞ্জ জোড়া ব্রিজ খালপাড় ইউনিট সোবার্তা দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ জেলা ঢাকা হ্যাপি ২২ সং ৪ নং গলি সিটি দ্বারা হোল্ড ১৮৩৬ পলাশপুর বাসার বাসিন্দা থানা থানা কদমতলী ডিএমপি ঢাকা সঙ্গীয় আমার স্বামী মোঃ সেলিম সরদার ৫৫ সহ থানায় আসিয়া সংবাদ প্রত্যয়ন করতেছি যে আমি একজন গৃহিনী গত পাঁচ বছর আগে আমার ছেলে রবিন আহমেদ রানা ২৫ এর সাথে ইসলামিক শরিয়া মতে মোতাবেককে সোনিয়া আক্তার সোনালী ২২ পিতা ইমন আহমেদ সেন্টু মাতা আসমা বেগম পুতুলি সং কেরানীগঞ্জ জোড়া ব্রিজ খালপাড় ইউনিট শুভাড্ডা থানা দক্ষিন কেরানীগঞ্জ জেলা ঢাকা এর সাথে বিয়ে হয় আমরা একে ৪ নং গলি সিটি দ্বারা হোল্ড ১৮৩৬ পলাশপুর বাসিন্দা নাগরিক হিসেবে বসবাস করে বিয়ের পর হইতে পরিবারে কত হল ছিল গত ইংরেজি 15-9-25 তারিখে পরিবারের পরিবারের কৌতূহল জেদ ধরিয়া আমার ছেলে রবিন আহমেদ রানা ২৫ এবং স্ত্রী সনিয়া আক্তার স্বর্ণালী বাসা থেকে বের হয়ে যায় অধ্যায় ইংরেজি 19.9.2025 তারিখে বিকেল আনুমানিক ৩ ঘটিকায় কল দিলে আমার ছেলের বউ স্বর্ণালী কল রিসিভ করে আমার ছেলে রবিন আহমেদ রানা কেরানীগঞ্জ খোলামেলা আদর্শ স্কুলের গুলিতে মীর জয়নাল আবেদীনের দ্বিতীয় তালা বিল্ডিং এর তারা বাসা ভাড়া নেয় সেই বাসার সিলিং ফ্যানের সাথে আমার ছেলে গলায় ফাঁসি দিয়ে আত্মহত্যা করে এই খবরটি যখন বাড়িওয়ালা ৯৯৯ ফোন দিয়ে জানায় তখন পুলিশ সেখান থেকে লাশ উদ্ধার করে এবং নিহত পরিবার জানায় তারা কাউকে সন্দেহ করে না এবং তারা কাউকে শত্রু মনে করে না তার ছেলে নিজ ইচ্ছায় এবং আত্মহত্যা করে এবং পুলিশ এটাও বলে লাস্ট মর্গের থেকে বের হওয়ার পরে এটি দেওয়ার পরে আপনারা থানায় আসবেন তারপর মামলার নেওয়া হবে কিন্তু বিগত দুই মাস তাদের মামলা কোন নেয়নি এবং পুলিশ জানায় যে এই অভিযোগ কাগজটি উনারা করেনি বলে অসৃকার করে পুলিশ বাদী আসমা বেগম এবং তার স্বামী আর সন্তানদেরকে একটি খামের ভিতর মিথ্যা অভিযোগ কাগজ ধরিয়ে দেয় বলে এই খামটি আপনারা খুলবেন না পোস্ট ম্যাডামের পর লাস্ট নেওয়ার পরে এই খামটি খুলবেন আর এই কাগজটি নিয়ে আমাদের কাছে আসবেন কৌতুহলবশত নিহতর পরিবার এই খামটি খুলে খোলার পর এই অভিযোগ কাগজটি তারা যখন দেখে তখন এই কাগজটি নিয়ে থানায় যায় এবং মামলা দায়ের করতে বলে কিন্তু পুলিশ মামলা নেয়নি এবং কি পুলিশ অস্বীকার করেছে এই অভিযোগটি দেয়নি একটি হত্যাকে তারা কিছু টাকার বিনিময় কেরানীগঞ্জ মডেল থানা ইনচার্জ অফিসার এবং তদন্ত অফিসার কিছু টাকার টাকার বিনিময় তারা এটাকে হত্যা বলে চালিয়ে নিয়েছে তাই রোজ সোমবার আনুমানিক দুপুর ২ নিহতর পরিবার এই মানববন্ধনটি ডেকেছে