সিলেট নিউজ ডেস্ক :
১.এমনকি কর্মচারী হিসেবেও না। গত মাসেই মাদ্রাসার পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কর্মী দ্বারা ধর্ষিত হয়েছে এক ছাত্রী। পুরোটাই নারী দ্বারা পরিচালিত হবে। পুরুষ ঢুকলেই সেই মাদ্রাসার সিলগালা করতে হবে।
২. লতায় পাতায় জঙ্গলে মাদ্রাসা-এতিমখানা গজাতে পারবে না। নির্ধারিত যোগ্যতা পূরণের পর এসব প্রতিষ্ঠানকে বৈধতা দিতে হবে। অবৈধ এসব মাদ্রাসা-এতিমখানা বন্ধ করে দিতে হবে।
৩.প্রতিটি স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা-বিশ্ববিদ্যালয়ে শারীরিক ও যৌন নির্যাতন বন্ধ ও নিরাপত্তা সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সচেতন করতে একটি বিশেষ প্রতিষ্ঠান গঠন করা হোক।
যাদের কাজ হবে প্রতি সপ্তাহে কিংবা মাসে অন্তত দুবার প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভিজিট করার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদেরকে যৌন নির্যাতন সম্পর্কে সচেতন করা এবং তারা যেন নির্ভয়ে এসব প্রতিনিধিদের কাছে বা অভিযোগবক্সে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে শারীরিক বা যৌন নির্যাতন সম্পর্কে অভিযোগ জানাতে পারে সেই ব্যবস্থা করতে হবে।
পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিপিড়নকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে, জরুরী Hotline নাম্বারের ব্যবস্থা করলে বেস্ট হয়।
৪.শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীকে শারীরিক নির্যাতন, ধর্ষণ চেষ্টা কিংবা ধর্ষণ করলে - অপরাধের মাত্র অনুযায়ী জেল, যাবজ্জীবন এবং মৃত্যুদণ্ড শাস্তির বিধান রাখতে হবে।
কোনভাবেই একজন শারীরিক ও যৌন নির্যাতনকারী শিক্ষক যেন ভিন্ন কোন স্কুলে কিংবা মাদ্রাসা, মসজিদ কিংবা এতিমখানায় পুনরায় চাকুরী করার সুযোগ না পায়। সেটা নিশ্চিত করতে হবে।
৫.বাচ্চার পিতা অভিভাবককে সচেতন হতে হবে। এটার চেয়ে আপাতত সেরা কোন অপশন নাই। কোনভাবেই ধর্মীয় লেবাস কিংবা ভদ্র কথায় যেন বিগলিত হয়ে, অন্ধের মত কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে বিশ্বাস না করে।
সন্তান শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ফিরলে কিংবা আবাসিকে থাকা সন্তানের সাথে প্রতিদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতেই হবে। নাকে তেল দিয়ে ঘুমালে হবে না। সন্তানের সাথে এমন বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়তে হবে। যেন আপনার সন্তান আপনার ভয়ে এসব নির্যাতন সহ্য না করে।
৬.প্রভাবশালী মহল সবসময় এসব বিষয় ধামাচাপা দিতে চায়। অভিভাবকরা অনেক সময় লজ্জায় এবং প্রাণভয়ে মুখ খুলতে চায় না। এসব ক্ষেত্রে রাষ্ট্রকে অভিভাবকদের অবশ্যই নিরাপত্তা দিতে হবে। এসব ধামাচাপা দিতে যারা যাবে, তাদেরকেও সমানভাবে শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
আপনার সন্তানকে আপনি কোথায় পড়াবেন, এই সিদ্ধান্ত আপনার। কিন্তু সন্তানকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দিয়েই নিশ্চিত হয়ে যাবেন না এবং দ্বীনি শিক্ষার পরিবেশ তৈরী করার জন্য আরও বেশি সচেতন হোন। আপনার অসচেতনতা একটা উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নষ্ট করে দিতে পারে।