ইব্রাহিম খলিল ☞
আট বছরের শিশু রামিসাকে ঘিরে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতিদিনের মতো সেদিনও বড় বোনের সঙ্গে স্কুলে যাওয়ার কথা ছিল রামিসার। কিন্তু স্কুলের সময় হয়ে গেলেও তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।
পরিবারের লোকজন বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে পাশের একটি ফ্ল্যাটের সামনে রামিসার একটি জুতা দেখতে পান। সন্দেহ হলে তারা দরজায় বারবার নক করলেও ভেতর থেকে দরজা খোলা হয়নি। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
পুলিশ এসে দরজা খুলে ফ্ল্যাটের ভেতর থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে। ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক হওয়ায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত জাকির নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার পর পালিয়ে যেতে তাকে সহযোগিতা করেছে তার স্ত্রীও।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আগেও মামলা ছিল। বর্তমানে তাকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে এবং ঘটনায় জড়িতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
রামিসা স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। পরিবারের দাবি, সে ছিল অত্যন্ত মেধাবী ও হাসিখুশি স্বভাবের। তার মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মাঝে গভীর শোক বিরাজ করছে।
ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিশুদের নিরাপত্তা, দ্রুত বিচার এবং কঠোর শাস্তির দাবিতে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই বলছেন, এ ধরনের অপরাধ বন্ধে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা ও নজরদারি আরও বাড়ানো জরুরি।