জাকির হোসেন, বানারীপাড়া:
বরিশাল-২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য, জনমানুষের নেতা আলহাজ্ব এস সরফুদ্দিন আহম্মেদ সান্টু সরদার আবারও প্রমাণ করলেন তিনি শুধু একজন জনপ্রতিনিধিই নন, বরং কর্মীদের প্রকৃত অভিভাবক। নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে রাষ্ট্রীয় বা ব্যক্তিগত কোনো বাড়তি সুযোগ-সুবিধা নিজের জন্য গ্রহণ না করে, উল্টো নিজের পকেটের টাকা খরচ করে দিনরাত নেতাকর্মীদের সুখে-দুঃখে পাশে থেকে অনন্য নজির সৃষ্টি করেছেন তিনি। বানারীপাড়া উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের জন্য এস সরফুদ্দিন আহম্মেদ সান্টু তার নিজস্ব অর্থায়নে ঈদ পরবর্তী নগদ অর্থ বিতরণের ধারাবাহিকতায় ২৯ জুন বিকালে ইলুহার ইউনিয়নের প্রান্তিক ও তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে এই আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়। ইলুহার ইউনিয়ন বি এন পির কার্যালয়ে এ মহতী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নেতা কর্মীদের মাঝে মাননীয় সংসদ এস সরফুদ্দিন আহম্মেদ সান্টু সরদারের নিজস্ব অর্থ বিতরন করেন বানারীপাড়া উপজেলা বি এন পির সাধারন সম্পাদক রিয়াজ আহমেদ মৃধা, এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইলুহার ইউনিয়ন বি এন পির সভাপতি সাকিল আহম্মেদ, সিনিয়র সহসভাপতি নাসির উদ্দিন, সাধারন সম্পাদক জিয়াউর রহমান চান, সাংগঠনিক সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম রাজুসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা।
বানারীপাড়া ও উজিরপুরের রাজনৈতিক ইতিহাসে এর আগে এমন নজির মেলা ভার। বিগত সময়ে অনেক সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও, নিজের পকেটের অর্থ বিলিয়ে কর্মীদের এভাবে আগলে রাখার ঘটনা বিরল। এবারের পবিত্র ঈদুল আজহায় সংসদ সদস্য এস সরফুদ্দিন আহম্মেদ সান্টু সরদার সম্পূর্ণ নিজস্ব তহবিল থেকে প্রায় ৩০ লক্ষাধিক টাকা ব্যয় করেছেন। ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে বানারীপাড়া ও উজিরপুর উপজেলার সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের জন্য টানা তিন দিনব্যাপী দোয়া, মোনাজাত এবং দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা করেন তিনি। বানারীপাড়া ও উজিরপুরের মাটি ও মানুষের এই নেতার এমন উদারতা এবং কর্মীপ্রেমের কারণে সাধারণ মানুষ ও তৃণমূলের রাজনীতিবিদেরা তাকে বিভিন্ন উপাধিতে ভূষিত করছেন। যিনি নিজের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বিসর্জন দিয়ে সার্বক্ষণিক কর্মীদের খোঁজখবর নেন। দানবীর ও জনদরদী এ জননেতা নিজের পকেটের অর্থ বিলিয়ে যিনি রাজনীতির আঙিনায় এক নতুন মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
"তৃণমূলের অকৃত্রিম অভিভাবক হিসেবে তিনি সাধারণ কর্মীকে বুকে টেনে নেওয়ার অনন্য গুণের কারণে তিনি আজ ঘরে ঘরে সমাদৃত। ইলুহার ইউনিয়নের এক আবেগাপ্লুত প্রবীণ কর্মী বলেন
"রাজনীতিতে নেতার অভাব নেই, কিন্তু সান্টু ভাইয়ের মতো কর্মীদের নিজের ভাই-সন্তানের মতো ভালোবাসার মানুষ এই অঞ্চলে সত্যিই বিরল। তিনি আমাদের শুধু নেতাই নন, আমাদের ছায়াদানকারী বটবৃক্ষ।"
ইউনিয়ন ও উপজেলার সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা জানান, এস সরফুদ্দিন আহম্মেদ সান্টু সরদার এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে এই অঞ্চলের রাজনীতিতে সুবাতাস বইছে। কোনো প্রকার লোভ-লালসার ঊর্ধ্বে উঠে তিনি যেভাবে এলাকার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফোটাচ্ছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। তার এই মানবিক উদ্যোগ ও দূরদর্শী নেতৃত্ব বানারীপাড়া-উজিরপুর আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনকে ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী ও সুসংগঠিত করবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।