জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় অন্য উপজেলার এক বাসিন্দাকে তথ্য গোপন ও জালিয়াতির মাধ্যমে নতুন ভোটার হিসেবে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ের মাধ্যমে এই নিয়মবহির্ভূত ভোটার নিবন্ধনের ঘটনা ঘটে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার জয়শ্রী ইউনিয়নের জিরইল গ্রামের বাসিন্দা আলী মর্তুজার পুত্র মোঃ সোলেমান হোসেন তাঁর প্রকৃত পরিচয় গোপন করেন। তার জন্ম নিবন্ধন ও পাসপোর্ট, তার পিতা, মাতা সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার ঠিকানা রয়েছে। তিনি জগন্নাথপুর উপজেলার চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চিলাউড়া গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা সেজে ভুয়া তথ্যের ভিত্তিতে ভোটার তালিকায় নিজের নাম তুলেন।
অন্য উপজেলার স্থায়ী বাসিন্দা হওয়া সত্ত্বেও যথাযথ কাগজপত্র যাচাই-বাছাই ছাড়া কীভাবে তাঁকে জগন্নাথপুরের ভোটার করা হলো, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। নির্বাচন কার্যালয়ের মাঠপর্যায়ের তথ্য যাচাই ও দায়িত্বশীলদের ভূমিকা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আবু খায়ের বিরুদ্ধে রয়েছে অনেক অভিযোগ। বিদেশি ভোটার আবেদন করলে টাকা না দিলে ভোট তুলায় হয়নি।এতে অনেক বুঠারা ভোগান্তি স্বীকার হচ্ছেন প্রতিনিয়ত
এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল অবিলম্বে বিষয়টি তদন্ত করে জালিয়াতির মাধ্যমে তালিকাভুক্ত হওয়া ভোটারের নাম বাতিল এবং এ ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জানান, সিলেট বিভাগের জন্ম নিবন্ধন ও বাড়িঘর ও বর্তমান ঠিকানা, থাকা সত্ত্বেও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা টাকা না দিলে ভোট তুলেন না
মোঃ সোলেমান হোসাই বলেন আমি কিছু জানিনা, আমার আব্বা আর সুজাত মেম্বার জানেন।
অভিযুক্ত সোলাইমান হোসাইনের পিতা আলী মতুজার জানান আমার বাড়ি ধর্মপাশা উপজেলায় জয়শ্রী ইউনিয়ন, জিরিল গ্রামের বাসিন্দা, আমি এখানে চাকরি করি মাদ্রাসায়,সুজাত মেম্বার কে দিয়ে নির্বাচন কর্মকর্তা মাধ্যমে ভোট তুলি।
চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়নে ইউপি সদস্য সুজাত আলী জানান সোলেমান হোসাইন বাড়ি ধর্মপাশা উপজেলায়, অন্য উপজেলার বাসিন্দা, আমার উপজেলায় ভোট তুলতে পারবে, আমি সনাক্ত করেছি।
জগন্নাথপুর নির্বাচন কর্মকর্তা আবুল খায়ের বলেন আমি অন্য উপজেলার বাসিন্দা এ উপজেলায় ভোটার হতে পারেনা। আমি ভোট তুলি নাই।তবে ভোট তুলতে হলে যুক্তি থাকতে হবে।
এব্যপারে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ শুকুর আলী জানান বর্তমান ঠিকানায় তার জায়গা বসত ভিটা থাকতে হবে।,না থাকলে ভোটার হবে না।