আল-মামুন খান, স্টাফ রিপোর্টার:
কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের ঠিক পেছনের সড়ক। গুরুত্বপূর্ণ একটি সরকারি কার্যালয়ের এত কাছের রাস্তা হওয়া সত্ত্বেও সামান্য বৃষ্টিতেই সেখানে দেখা দেয় জলাবদ্ধতা। বৃষ্টি নামলেই সড়কটি পানির নিচে তলিয়ে যায়, দুর্ভোগে পড়েন পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কের পাশ দিয়ে ড্রেন থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে সেগুলো ময়লা-আবর্জনায় ভরাট হয়ে আছে। ফলে বৃষ্টির পানি স্বাভাবিকভাবে নিষ্কাশন হতে পারছে না। পানি যাওয়ার পথ বন্ধ থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কের ওপর জমে তৈরি হচ্ছে জলাবদ্ধতা।
সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের পাশের ড্রেনগুলোতে ময়লা-আবর্জনা জমে পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক পথ অনেকটাই বাধাগ্রস্ত হয়েছে। বৃষ্টির পানি দ্রুত সরে যেতে না পারায় সড়কের বিভিন্ন অংশে পানি জমে থাকে। এতে পথচারীদের অনেকটা পানির মধ্য দিয়েই চলাচল করতে হয়।
স্থানীয়দের প্রশ্ন, ড্রেন থাকার পরও কেন সামান্য বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন হবে না? নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব কার?
তাদের অভিযোগ, ড্রেনগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করা হলে এবং ময়লা-আবর্জনা ফেলার বিষয়ে কার্যকর নজরদারি থাকলে এমন জলাবদ্ধতা তৈরি হওয়ার কথা নয়। কিন্তু সংশ্লিষ্টদের নিয়মিত তদারকির অভাবে ড্রেনগুলো ধীরে ধীরে আবর্জনায় বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এর ফল ভোগ করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
আরও প্রশ্ন উঠেছে, জেলা পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ কার্যালয়ের ঠিক পেছনের সড়কের এমন পরিস্থিতি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আসে না কেন? বৃষ্টির পর পানি জমে যাওয়ার বিষয়টি কি দীর্ঘদিন ধরেই এভাবে উপেক্ষিত হয়ে আসছে?
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে বড় কোনো অবকাঠামোগত প্রকল্পের আগে প্রয়োজন বিদ্যমান ড্রেনেজ ব্যবস্থার সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ। ড্রেন পরিষ্কার করা, আবর্জনা অপসারণ এবং পানি প্রবাহের পথ সচল রাখার ব্যবস্থা করা হলেই প্রাথমিকভাবে সমস্যার সমাধান সম্ভব।
তাদের দাবি, দ্রুত সড়কের পাশের ড্রেনগুলো পরিষ্কার করে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সচল করতে হবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে যাতে ড্রেন ময়লা-আবর্জনায় বন্ধ না হয়, সে জন্য নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও নজরদারি নিশ্চিত করা জরুরি।