অথই নূরুল আমিন:
দীর্ঘদিন গবেষণা করে দেখলাম, বিএনপির নেতাকর্মীরা তাদের প্রতিবেশীর সাথে খুবই খারাপ আচরণ করে চলেছে প্রতিনিয়ত, বিশেষ করে গত চব্বিশের ৫ আগস্টের পর থেকেই তারা প্রতিবেশীদের সাথে যেমন করছে চাদাবাজী তেমনি করছে ঘুষ খেয়ে দরকার বিচার বা শালিশি। বিএনপির অনেক নেতায় এরই মধ্যে অনেক অসহায় গরিবের জমি আত্মসাত, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আত্মসাত, খামার ফিসারি আত্মসাত, প্রতিনিয়ত হুমকি ধামকি দিয়েই আসছে। তাই অসংখ্য নেতাকর্মীরা তাদের প্রতিবেশীদের কাছে সরাসরি গিয়ে ভোট চাওয়া কোনো মুখ নেই। তাই লাখ লাখ নেতাকর্মী নিজ নিজ আসনের এমপি প্রার্থীর সামনে ঘুরাঘুরি করছে। তাদের যা প্রচার হচ্ছে তা মাইক বা ব্যানার আর লিফলেট এর মাধ্যমে।
তবে সমগ্র বাংলাদেশের তিনশ সংসদীয় আসনে বিএনপির তিরিশ থেকে চল্লিশটি আসনের খুবই ভালো মানের এমপি প্রার্থীরা তাদের নিজ গুণে পাশ করার খুবই সম্ভাবনা রয়েছে। যেমন নেত্রকোনা জেলায় লুৎফুজ্জামান বাবর, ঢাকা ২ আসনে আমানউল্লাহ আমান এই ধরনের নেতারা বিজয়ী হবেন বলে আমি মনে করি। তবে বিএনপির জোট থেকে যাদেরকে প্রার্থী করা হয়েছে। তারা কেউই বিজয়ী হবার খুব একটা আশা দেখছি না। তারেক রহমানের দুটি আসনেই হেরে যাবার সম্ভাবনা রয়েছে। তার অবশ্য অনেক লম্বা ব্যাখ্যা তা অন্য কোনদিন প্রিয় পাঠকদের জানাব।
এদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাথে আরো প্রায় দশটি দল রয়েছে। তারা তাদের পক্ষ থেকে ভালো এবং গ্রহণযোগ্য প্রার্থী দেয়া হয়েছে। এবং জামায়াতে ইসলামী খুব নিখুঁত ভাবে নির্বাচন পরিচালনা করছে। এছাড়া জামায়াতের বিগত দেড় বছরে তারা যথেষ্ট জনসেবা করে ফেলেছেন। যা জনগণ খুব কাছ থেকে দেখেছেন। বন্যায় ত্রান দেয়া এছাড়া জুলাই আন্দোলনে আহত নিহতদের পরিবারের পাশে থাকা। যা এনসিপিও করে যাচ্ছে ।
এদিকে এনসিপির সাথে বিশেষ করে জামায়াতের জোট যেন আমে দুধে মিলে গেছে মনে হচ্ছে। এনসিপির তিরিশ আসন থেকে যদি পনেরোটি আসন ও সংসদে যেতে পারে। তাহলে জুলাই আন্দোলনের স্বার্থকতা জনগণ পাবে বলে আমার বিশ্বাস। অন্য দিকে জামায়াতের সাথেও প্রায় সবাই উচ্চ শিক্ষিত জনবল রয়েছে। তাই জামায়াতীয় জোট ক্ষমতায় এলে দেশের মঙ্গল হবে বলে আমি মনে করি।
অথই নূরুল আমিন
কবি কলামিস্ট ও রাষ্ট্র চিন্তক
২৬ জানুয়ারি ২০২৬