শিরোনাম
রংপুরে আ.লীগের চিহ্নিত সন্ত্রাসী এখনো দাপিয়ে বেড়াচ্ছে চিকনাগুলে মসদ্দর আলীর পক্ষে যুবসমাজের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ঘোষণা, বিএনপির মনোনয়ন দাবি মাকসুদা বেগম হত্যার বিচারের দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে জগন্নাথপুরে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত পরিবেশ বিপর্যয় প্রতিরোধ আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটিতে প্রশিক্ষণ বিষয়ক সহ-সম্পাদক হলেন এইচ আর রুবেল সিলেটের জৈন্তাপুরকে পৌরসভা ঘোষণা, উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা ভূতের দেশের গল্প, (পর্ব এক ) আসহাবে কাহাফের ঈমানদীপ্ত অলৌকিক ঘটনাটি মুসলিম উম্মাহর সামনে তুলে ধরেছেন। হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী শারদীয় দুর্গাপূজা সম্পন্ন, উৎসবমুখর আয়োজনে বিদায় নিলেন দেবী দুর্গা সরকার অগোছালো কাজ করেই যাচ্ছে, বিরোধী দল ঘুমে আচ্ছন্ন, সফলতা আসেনি জুলাই যোদ্ধাদের
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

পরিবারতন্ত্র আওয়ামী লীগ বা শেখ পরিবারের পৈতৃক সম্পদ আওয়ামী লীগ’ এমন প্রথা ভাঙ্গতে হবে

সিলেট নিউজ ডেস্ক / ১২৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

Manual1 Ad Code

অথই নূরুল আমিন:

আওয়ামী লীগের যেমন সুনাম আছে। তেমনি বদনাম আছে। তারচেয়েও বেশি জঘন্যতম ভাষায় বিগত ২০১৩ সন থেকে আমি নিজেও লেখালেখি করে আসছি। আজকের দিনে আওয়ামী লীগ প্রায় বিলুপ্তির পথে বললেও ভুল হবে না। ২০২৪ সালের ৫ই আগস্টে শেখ হাসিনা গণভবন ছেড়ে পালিয়ে যাবার মধ‍্য দিয়ে দলটির পতন শুরু হয়। তবে পনেরো আগস্টে শেখ মুজিবকে হত্যার পর আওয়ামী লীগের যে পরিণতি হয়েছিল। ৫ই আগস্টের পর থেকে আওয়ামী লীগের পরিণতি কিন্তু আরো ভয়াবহ।

যে দলটাকে দেশের সিংহভাগ জনগণ একসময় কঠিনভাবে ভালোবাসত বা পছন্দ করত। সেই পছন্দ বা ভালোবাসার কোন কদরই আওয়ামী লীগ বা শেখ হাসিনা করতে পারেননি। গত পনেরো বছর ধরে একটানা ক্ষমতায় যখন ছিলো। তখন এই এতো বড়ো দলের ভিতরে ছিলো স্বজনপ্রীতি, ছিলো মনোনয়ন বাণিজ্যি,ছিলো কমিটির পদ -পদবী বিক্রি বাণিজ্য। এমনকি আওয়ামী পন্থী মুক্তিযোদ্ধা গুলো ছিলো প্রকৃতপক্ষে অসত বা চোর বললেও ভুল হবে না। যার ফলে তৃণমূলের ত‍্যাগী নেতাকর্মীদের মাঝে যেমন জন্ম হয়েছে ক্ষোভ তেমনি ভোটার এবং জনগণের মাঝে সৃষ্টি হয়েছে জনরোষ রাগ অভিমান।

আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে রাজনীতি করবে। আবার ক্ষমতায় আসবে। এরকম চিন্তা অনেকেই করছে। আসলে ওদের মাথায় ভুত চেপে বসে আছে। বিশেষ করে যারা পদ পদবীতে ছিলো। এমপি মন্ত্রী ও তাদের ছেলে মেয়ে আত্মীয় স্বজনেরা ফেসবুকে পোস্ট দিচ্ছে। আসছে আসছে বলছে। আরেক শ্রেণি হচ্ছে মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান বা তাদের প্রজন্মরা ছাড়া আর কেউ নয়। আওয়ামী লীগ নিয়ে আজকে আর দেশের আম জনতা তেমন কিছু ভাবছে না। কিন্তু বরেণ্য সাংবাদিকেরা টকশোতে বলছে আওয়ামী লীগ আসবে। আরো প্রলয় নিয়ে আসবে। এগুলো হচ্ছে মুখরোচক আলোচনা মাত্র। আওয়ামী লীগ কোনো নাটক বা সিনেমা নয় যে, যেখানে সেখানে পোষ্টার লাগিয়ে বা ফেসবুকে প্রচার করবে আসছে আসছে । ডিসেম্বরে আসছে। এগুলো আসলে হাস‍্যকর। আওয়ামী লীগ গত দুই বছরে প্রায় পঞ্চাশটা তারিখ দিয়েছে। আগামীতে আরো তারিখ ঘোষণা করা হবে। ডিসেম্বরের পরে ফেব্রুয়ারি – মার্চ – আগস্ট ইত্যাদি ইত্যাদি।

এই মহুর্তে আওয়ামী লীগ বিশেষ করে সোস‍্যাল মিডিয়ায় যে ধরনের প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। এখানে পোস্ট কারী আর কমেন্ট কারী তারা একই দলের লোক। তবে আজকে পর্যন্ত এই দলটির সাধারণ জনগণের মধ‍্য থেকে প্রায় ৩০% সমর্থক এখনো রয়েছে। তার কারণ ইউনূস সরকারের ব‍্যর্থতা। বতর্মান সরকারের বিদ‍্যুত ও গ‍্যাস সংকটের কারণে। তা হলে সমর্থক আরো কমে আসত। তবে বিএনপি সরকার যত ব‍্যর্থ হবে রাষ্ট্র চালাতে আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা ততই বাড়তে থাকবে তৃণমূলের মাঝে। কখনও দলের সুদিন আসলে জনপ্রিয়তার পরিমাণ আরো বেড়ে যাবে রাতারাতি। এগুলো হচ্ছে বাংলাদেশের নিয়মের মধ‍্যে পরে আরকি।

Manual5 Ad Code

এই লেখাটির মুল বিষয় হচ্ছে। আওয়ামী লীগের পরিবারতন্ত্র বা শেখ পরিবারের পৈতৃক সম্পত্তি। যার জন্য দেশের বড়ো একটা অংশ আওয়ামী লীগকে ঘৃণার চোখে দেখে, এই দুটি বিষয় যদি আওয়ামী লীগ পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়। তাহলে দলের ভবিষ্যত দ্রুত ফিরে আসবে বলে আমি মনে করি । আমার কথা হলো একটি রাজনৈতিক দল সবসময় ক্ষমতায় থাকবে। এরকম হতে পারে না। কখনও ক্ষমতায় কখনও বিরোধী, কখনও আজীবনের জন‍্য বিলুপ্তি এরকম ঘটতেই পারে। যা অতীতে ঘটেছে।

তবে আওয়ামী লীগকে দেশের নবীনদের মাঝে জনপ্রিয় করতে হলে। সজীব ওয়াজেদ জয়কে আওয়ামী লীগের সভাপতি করা দরকার বলে আমি মনে করি । আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্র পরিবর্তন করাও জরুরি বলে মনে করি। এককথায় সজীব ওয়াজেদ জয় দলীয় প্রধান না হওয়া পর্যন্ত। আওয়ামী লীগের ঐক্য ধরে রাখা কঠিন। পূর্বের জনপ্রিয়তা ফিরিয়ে আনা কঠিন। আওয়ামী লীগের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলেই কিন্তু দলটি ভেঙ্গে টুকরা টুকরা হয়ে যেতে পারে । দলের প্রেসিডিয়াম সদস‍্যদের মাঝে কয়েকজন ভিন্ন ভিন্ন নামে দল গঠন করতে পারে। তখনই দলটি তার নিজস্ব জৌলুস হারাবে।

Manual5 Ad Code

এখানে সজীব ওয়াজেদ জয় যদি আওয়ামী লীগের প্রধান হয়ে যায়। তাহলে যারা আওয়ামী লীগ পছন্দ করেন। তারা কেউ আর অন‍্যদের প্ররোচনায় পা দিবে না। আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্রে আছে দলের ১ নম্বর প্রেসিডিয়াম সদস্য হবেন দলের পরবর্তী সভাপতি। এই ধরনের ভ্রান্ত গঠনতন্ত্রে আজকে পরিবর্তন আনা খুবই জরুরি। আমার মতে সজীব ওয়াজেদ জয় দলীয় প্রধান হতে যদি গঠনতন্ত্রের বাধা আসে,তাহলে দেশের নবীনদের নিয়ে আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটি গঠন করা যেতে পারে। যার প্রধান থাকবে সজীব ওয়াজেদ জয়।

সব শেষে যে কথাটি না বললেই নয়। আওয়ামী লীগের বতর্মান প্রেসিডিয়াম সদস‍্যদের মধ‍্যে প্রায় সবাই কোন না ভাবে বিতর্কিত। এই বিতর্কিত দিয়ে বা এখান থেকে কাউকে আওয়ামী লীগের সভাপতি করা হলে দল এত সহজে আলোর মুখ দেখবে বলে আমার মনে হয় না। দেশের জনগণ আওয়ামী লীগকে ফ‍্যাসিস্ট বলে গালি দিচ্ছে আজকে। এর দায় বতর্মান প্রেসিডিয়াম সদস্য যারা আছে কেউ এড়াতে পারে না। তাই আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য থেকে দলীয় প্রধান কাউকে বানালে বিতর্ক থেকেই যাবে। আর আওয়ামী লীগের ফিরতে অনেক দেরি হয়ে যাবে। আওয়ামী লীগ বিলুপ্তিও হয়ে যেতে পারে। এই লেখাটি যারা আওয়ামী লীগ করে শুধু যে তাদের জন্য আসলে তা নয়। লেখাটি দেশের সকলের জন্য উন্মুক্ত।

Manual3 Ad Code

অথই নূরুল আমিন
রাজনৈতিক বিশ্লেষক, কলাম লেখক ও রাষ্ট্রচিন্তক।
প্রধন মুখপাত্র জাতীয় মানবসম্পদ উইং।

Manual5 Ad Code


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

বিভাগের খবর দেখুন

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code
Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code