শিরোনাম
পাগনা বড় বিলে পানি নিষ্কাশন বন্ধ, বোরো আবাদ নিয়ে শঙ্কায় কৃষক বাঁধ কাটা নিয়ে ইজারাদার ও কৃষকদের মধ্যে টানাপোড়েন, দ্রুত পানি অপসারণের দাবি জালালাবাদ এসোসিয়েশন ঢাকা’র উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত ​কুমিল্লার তিতাসে কথিত পীরের বিরুদ্ধে তৌহিদী জনতার বিক্ষোভ ও সমাবেশ ​মৌলভীবাজারে সোনার বাংলা আদর্শ ক্লাবের ৮ম মেধা যাচাই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইলে ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের বিরুদ্ধে জালিয়াতির অভিযোগ: গ্রাহকের বয়স কমিয়ে ভুয়া আইডি কার্ডে ডিপিএস খোলার পাঁয়তারা কনস্টেবল থেকে এএসআই হওয়ার পথে সাজু আহমদের সাফল্যে, গর্বিত জৈন্তাপুর বিএনপির আমলেও যদি ছাত্র – ছাত্রীরা, সুশৃঙ্খল শিক্ষা পদ্ধতি না পায়, এটা হবে জাতির জন্য হতাশা! মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ, প্রাথমিক শিক্ষা নিয়ে রহস্যময় দুর্নীতি এবং শিক্ষা ব‍্যবসা বন্ধ করুন মিরসরাইয় উপজেলা শাখার আদর্শ ছাত্র ও যুব সমাজের ২০২৬-২০২৭ সালের প্রস্তাবিত কমিটি ঘোষণা ভারত থেকে ‘ন্যাশনাল সেভা প্রেরণা অ্যান্ড সোশ্যাল সার্ভিস অ্যাপ্রিশিয়েশন অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ পেলেন কবি ও সাহিত্যিক মুকলেছ উদ্দিন
সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ০২:১৩ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

দেশের আইন পরিবর্তন করন, আদালত প্রাঙ্গন ঘুষ মুক্ত করন, মামলাজট কমানো খুবই জরুরি দরকার

সিলেট নিউজ ডেস্ক / ১৪৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

Manual6 Ad Code

অথই নূরুল আমিন:

Manual3 Ad Code

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড়ো সমস্যা হচ্ছে, বর্তমানে আইন ও আদালতে। এখানে আইন যেন অসৎ বিচারপতি, অসৎ আইনজীবী ও অসৎ পুলিশের রাম রাজত্ব চলছে নিয়মিত । এখানে বাদী এবং আসামি সবাই যেন ভূক্তভোগী। কারো নিস্তার নেই। ঘুষ দিতেই হবে। বারো বছর মামলা পরিচালনা করার পরেও বাদী পক্ষের আইনজীবীকে টাকা দিতেই হবে। এতে বাদীর জমি – বাড়িসহ সকল সম্পদ বিক্রি করে হলেও আইনজীবীর হাজিরা বিল দিতেই হবে। এ যেন অন‍্য একটা জগত। এই মামলায় যারা জড়িয়ে আছে তাদের জীবন যেন তামা তামা, এককথায় মরুভূমি।

এই মামলা মকদ্দমায় জড়িয়ে, দেশের লাখো লাখো পরিবার যেন আজকে নিঃশ্ব। সঠিক বিচার পাওয়ার আশা করে, আইনের ধারস্ত হয়ে। আজকে অনেকের ঘর -সংসার অর্থ কড়ি নেই বললেই চলে। বিশেষ করে বাংলাদেশের সবচেয়ে দুর্নীতির আঁতুর ঘর দেশের আইন আদালত। এই দেশে ন‍্যায‍্য বিচার চাওয়া বাদী পক্ষরা যেন অভিশপ্ত জীবনযাপন করে চলেছে।প্রবাদ আছে, কোর্টের ইট ও নাকি ঘুষ চায়, ঘূষ খায় । আসামির চেয়েও বাদীর হয়রানি এ যেন প্রাচীনকালের রাজা বাদশাহর চাবুকের আঘাতের চেয়েও কঠিন রুপ ধারণ করেছে ।

এখানে এই যে যুগের পর যুগ ধরে দেশের জনগণকে হয়রানি করা হচ্ছে। এর কোনো ভালো সুরাহা কিন্তু কোন সরকারই করেনি। মামলার বাদী বা আসামী ওরা যেন, এই দেশের নাগরিক না বলে অনেকেই মনে করেন। তার প্রদান কারন হলো। তারা তাদের মনের দুঃখটা কারো কাছে বলতে পারে না। যখনই কোনো মামলা নিয়ে রায়ের আশায় বছরের পর বছর আদালতের বারান্দায় ঘুরতে হয়। অনেকেই আত্মহত্যা করার জন‍্যও মাঝে মাঝে ভাবে।এমনও ঘটনা আছে যে, বাদী যার নামে মামলা করল। সাত বছর ধরে সেই আসামি গ্রেফতারই হলো না, অথচ প্রতি তারিখে বাদীর হাজিরা দিতেই হবে, যা অনেক ক্ষেত্রেই বাধ্যতামূলক।

Manual5 Ad Code

এই বিষয় গুলো খুবই অমানবিক। অথচ যেখানে আইন আদালতে দেশের সবচেয়ে শিক্ষিত জনবলের বসবাস। সেখানেই জনগণ হয়রানির মস্ত বড়ো এক কারখানা বানিয়ে রাখা হয়েছে। জনগণ যেন নিরুপায়। কোর্ট কাচারী গুলোতে যারা ঝাড়ুদার। তাদেরও নাকি মাসিক লক্ষ টাকা আয়ের পথ রয়েছে। এরপর যদি জেলখানার কথা বলতে হয়।সেখানে তো আরো বড়ো ভয়ংকর অবস্থা বিরাজ করছে। আসামীর পরিবারের লোকজন বা স্বজনেরা কঠিন ভূক্তভোগী ।

যার ফলে দিন দিন আইন আদালতের প্রতি মানুষের বিশ্বাস উঠে যাচ্ছে। কথা থাকে যে, ধরুন কোনো এক বিধবা গরিব মহিলার ছাগল চুরি হয়ে গেছে অথবা হাঁস বা মোরগ চুরি হয়েছে । সেই দরিদ্র মহিলা থানায় গেলো মামলা করতে। মামলা করলে তখনও একজন নিয়োগ প্রাপ্ত তদন্ত কর্মকর্তা সেই মহিলার কাছেই উল্টা খরচের জন্য টাকা দাবি করল তারপর মহিলা কিছু টাকা দিল যেভাবেই হোক । আসামি একজন বা দুইজন গ্রেফতারও হলো। মামলা কোর্টে গেলো। সেখানে একজন আইনজীবী নিয়োগ হলো মহিলা পক্ষে। সেখানেও টাকা গুনতে হচ্ছে।

এদিকে আসামীর জামিন হয়ে গেলো উপযুক্ত সাক্ষীর অভাব দেখিয়ে নতুবা মামলার ধারা – উপধারায়, সেখানে মামলা কিন্তু রয়ে গেলো, তদন্তের নামে অথবা পূনঃ তদন্তের নামে অথবা যেকোন কারণে। তখন তারিখের পর তারিখ চলছে। আর বাদী -বিবাদী হাজিরা দিয়েই যাচ্ছে। দিয়েই যাচ্ছে। এরকম বিষয় গুলো কিন্তু আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রী এমপিরা শতভাগ জানার পরেও কোনো সরকার,কোন ভালো উদ্যোগ নিয়েছে বলে আমার জানা নেই।

Manual2 Ad Code

সে যাই হোক। তবে আইনের কিছু পরিবর্তন হলে আশাকরি জনগণ কিছুটা স্বস্তি পাবে বলে আমার বিশ্বাস।
১. চুরি। যেমন গরু মহিষ ছাগল হাঁস মোরগ পুকুরের মাছসহ পোষা সকল প্রকার পশু বা প্রানী চুরি করলে বিচার হবে “ফাঁসি”।
কারণ পোষা প্রানী চুরি যদি শূন্যের কোটায় আসে। তাহলে দেশে এই গৃহপালিত পশু পাখি লালন পালন বেড়ে যাবে সীমাহীন ভাবে। এক তখন অটোমেটিক উন্নয়নের দিকে যাত্রা করবে। চোরের ভয়ে অসংখ্য নিরীহ পরিবারে পশু পাখি লালন পালন থেকে বিরত রয়েছে। এটা সত্যি জাতির জন্য ক্ষতিকর।
২. অর্থ লুটপাট। ছিনতাই, চাঁদাবাজি, চুরি – ডাকাতি অপহরণ, অর্থ প্রতারণা, ভূমি জালিয়াতি, মিথ্যা মামলার বাদীসহ এই ধরনের অপরাধে অপরাধী হলে তাদের বিচারের রায় হোক” ফাঁসি”। যেখানে কোন আপিল চলবে না।
এরকম কিছু আইন সরাসরি চালু রাখতে পারলে এবং নব্বই থেকে একশ আশি কার্যদিবসের মধ‍্যে বিচার শেষ করার আইন রাখতে পারলে দেশের জনগণ স্বস্তি পাবে বলে আমার বিশ্বাস।

Manual3 Ad Code

অথই নূরুল আমিন
রাজনৈতিক বিশ্লেষক কলাম লেখক ও রাষ্ট্রচিন্তক।
প্রধান মুখপাত্র জাতীয় মানবসম্পদ উইং।
প্রধানমন্ত্রীর মানবসম্পদ উন্নয়ন উপদেষ্টা গ্রন্থ লেখক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

বিভাগের খবর দেখুন

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code
Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code