অথই নূরুল আমিন:
ইশরাক হোসেনের অতীত বতর্মান নিয়ে পিতার লম্বা পরিচয়সহ অসংখ্য পরিচয় ইশরাক হোসেনের রয়েছে। যা অনেকের জানাও আছে। আমার আজকের লেখায় সেইসব অতীত টেনে আনছি না। সমগ্র ঢাকার শহরে ইশরাক হোসেন হাজার হাজার নেতাকর্মীদের প্রিয় একজন রাজনৈতিক নেতা ইশরাক হোসেন। ২০২৪ জুলাই আন্দোলনের বিএনপির সবচেয়ে জনপ্রিয় সবচেয়ে আলোচিত মুখ এই ইশরাক হোসেন। নেতাকর্মীদের রক্ষা করতে বুক পেতে দেয়া একজন নেতার নাম ইশরাক হোসেন।
আজকে বিএনপি ক্ষমতায়। তাই ঢাকা শহরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদবীর একজন করা যায় ইশরাক হোসেন কে। এছাড়া যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী করা যায় ইশরাক হোসেনকে। একেকটি রাজনৈতিক দলের যুগে যুগে দুচারজন বিদ্রোহী ও দেশপ্রেমিক যুবক পাওয়া যায়। যারা দলের ভাবমূর্তি উজ্জল করে। এরকম একজন বিএনপির ঢাকার উজ্জল তারকার নাম ইশরাক হোসেন।
আজকে জাতীয় প্রেস ক্লাবে সরাসরি উপস্থিত হয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে স্বেচ্ছায়- স্বজ্ঞানে ইশরাক হোসেন পদত্যাগ করেছেন বটে। তারপরও কিন্তু কথা থেকেই যায়। প্রথম কথা হলো বিলুপ্ত প্রায় দেশের মুক্তিযোদ্ধা যেখানে, সেখানে কিন্তু একটি মন্ত্রণালয়ের মাঝে তেমন কোন কাজই নেই। এখানে সারাদিন বসে বসে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা শুধু শুধু বেতন ভাতা পাচ্ছে।
ইশরাক হোসেন একজন জাগ্রত নেতা, একজন প্রকৃতপক্ষে কাজ পাগল রাজনীতি পাগল একজন মানুষ। আমি মনে করি বিএনপির নীতিনির্ধারক গণদের আরো সক্রিয় হওয়া উচিৎ। কাকে কোন জায়গায় কোন মন্ত্রণালয় কাকে কোন পদে দিতে হবে।তা নিয়ে আরো যথেষ্ট গবেষণা করা প্রয়োজন। ইশরাক হোসেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। তাই বলেই কি বিলুপ্ত মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী করতে হবে? এটা কখনও হতে পারে না।
আজকে জাতীয় প্রেস ক্লাবে সরাসরি ইশরাক হোসেনের মুখের আকুতি কথা ও ভঙ্গিতে অনেক কিছু বুঝাবার চেষ্টা করেছেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং সরকারও বিএনপির নীতিনির্ধারণী ফোরামকে আজকে এটাও বুঝাতে চেয়েছেন। মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী পদ তাকে দেয়া মানে তাকে যথেষ্ট মূল্যায়ন করা হয়েছে আসলে এমনটি নয়।
বিশেষ করে ঢাকা শহরের মধ্যে ইশরাক হোসেন রাজনীতি অঙ্গনে বিএনপি পন্থী সকলের প্রিয় একজন নেতা। এছাড়া যুবক শ্রেণির কাছে আরো বেশি প্রিয়। একটি বৃহৎ রাজনীতি দল বিএনপি। এরকম একটি দলের দলীয় প্রতিযোগিতায় এই ইশরাক হোসেন বারবার বিজয়ী হয়েছেন। এই ইশরাক হোসেন কিন্তু আমার খুবই চেনা জানা একজন প্রকৃত নেতা। আমি কথাটি আবার বলছি। ইশরাকের মতো এরকম নেতা যুগে যুগে দুই চার জন হয়ে থাকে।
তাই ইশরাক হোসেনকে দলীয় আরো যোগ্য স্থানে অধিষ্ঠিত করা হোক। এছাড়া মন্ত্রী পরিষদে পূর্ণ মন্ত্রী করা হোক যেকোনো স্বচ্ছল মন্ত্রণালয়ে। যেমন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়, পরিকল্পনা নতুবা গণপূর্ত ও গৃহায়ণ মন্ত্রণালয়ের মতো গ্রহণযোগ্য স্থানে। এখানে বিএনপির লাভই বেশি হবে। বিএনপি সরকার গঠন করার পর লক্ষ্য করে দেখা গেছে। অসংখ্য যোগ্য স্থানে বিতর্কিত লোকেরা জায়গা করে নিয়েছে। আজকে জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে ইশরাক হোসেন বারবার একটা কথাই বলেছিল। তা হলো প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং তার দল বিএনপি যেন কোন সমালোচনায় না পরে সেই জন্যই তিনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন মন্ত্রী পরিষদ থেকে। সরাসরি আজকে ইশরাককে দেখে বুঝেছি। তার চোখের ভাষাই ছিলো বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের শ্রদ্ধা, ভালোবাসা আর বিশ্বাস।
অথই নূরুল আমিন