আহবাব উর রহমান সিলেটঃ কামরান সাহেবের কাছে আমি চির ঋনি। অনেক মানুষের মুখে অনেক কথাই শুনেছি, কিন্তু বাস্তবে গিয়ে যা দেখলাম। মেয়র মরহুম কামরান সাহেবের বাসায় প্রায় ৪ বছর তারাবি নামাজ পড়ালাম।
আমি কাজির বাজার মাদরাসার ছাত্র এবং প্রিন্সিপাল রাহঃ এর ভাগিনা এই কথা শুনে উনি আমাকে আরো বেশি মহব্বত করতেন। আমাকে বলেছিলেন হাফিজ সাব যতদিন আল্লাহ দুনিয়ায় রাখেন এইভাবে তারাবি পড়াবো আহ আজ তিনি নেই। প্রতি রমজান মাস আসলে নেক আমল করার জন্য পাগল হয়ে যেতেন। প্রায় সব ইফতার মাহফিলেও শরীক হইতেন। আমি দেখেছি তারাবি নামাজ পরে প্রতিদিন কোরআন শরীফ তেলাওয়াত করতেন নিচে যে ছবি তার প্রমাণ! মনে পড়ে একবার গিয়েছিলাম ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অধীনে একটি সরকারি চাকরির জন্য আমার এক পরিচিত একজন উস্তাদকে নিয়ে, তখন কয়েকশত আবেদন উনার কাছে এসেছে তারপর ও আমি যাওয়ার পর তিনি আমাকে সামনে রেখে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ডিজিকে কল দিলেন এবং বললেন আমি সিলেটের সাবেক মেয়ের কামরান বলছি আমার একজন হুজুর আছেন উনি ঢাকায় আসবেন রোল নাম্বারটা লিখে রাখেন এবং সাথে সাথে কাজ হয়ে গেলো। আমাদেরকে বললেন হাফিজ সাব কথা বলেছি ইনশাআল্লাহ হবে আর আমার জন্য দোয়া করবেন।
তারপর চাকরি পেয়েছিলেন আমার উস্তাদ। চাকরি পাওয়ার পর উনার বাসায় গেলাম এবং কোন প্রকার বিনিময় চান নাই আমরা আশ্চর্য হলাম যেখানে সরকারি চাকরির জন্য লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয় করা লাগে কিন্তু তিনি তা বলেন নাই। আমরা বলেছিলাম আপনাকে কিভাবে খুশি করবো তিনি বললেন হাফিজ সাব আমার জন্য শুধু দোয়া করবেন। নায়েবে নবীদের সাথে তার আচরণ এরকমই ছিল আল্লাহ উনার সব ভুল ত্রুটিগুলো মাফ করে জান্নাতের মেহমান হিসেবে কবুল করুন আমীন।