আজ ৩রা আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৭ই জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

সময় : রাত ১০:৩৭

বার : বৃহস্পতিবার

ঋতু : বর্ষাকাল

বানিয়াচংয়ে বাধ দেওয়াকে কেন্দ্র করে দু‘গ্রামের ভয়াবহ সংঘর্ষ।। ইউপি চেয়ারম্যানসহ উভয় পক্ষে আহত শতাধিক।।

বানিয়াচং(হবিগঞ্জ)প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে জলাশয়ে বাধ দেওয়াকে কেন্দ্র করে দু‘গ্রামের কয়েক‘শ মানুষ দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
বানিয়াচং উপজেলার ১ নম্বর উত্তর-পূর্ব ইউনিয়নের কামালখানী গ্রাম ও মজলিশপুর গ্রামের সীমান্তে জলাশয়ে বাধ দেওয়ার বিরোধকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটেছে।
১৮ডিসেম্বর শুক্রবার সকাল ৮টায় সংঘর্ষটি শুরু হয়ে বেলা ১ টার সময় পর্যন্ত চলতে থাকা সংঘর্ষটি এক পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ রানা ও বিভিন্ন জনপ্রতিনিধিগন থামিয়ে দেন।
খবর পেয়ে বানিয়াচং থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে না পারায় হবিগঞ্জ থেকে দাঙ্গা পুলিশ নিয়ে আসা হয়।
উভয় পক্ষের গুরুতর আহতরা হলেন আবিদুর(৩০),লাল মিয়া(৩৫),মনছুর(৪০),অলি হোসেন(৩৭)জমির(৩৬)অপু সরকার(৩০),নিপু(৩০),সাজিদ(২৩)নূরুল আমীন(৪০), সাজলু(৩১),ফজলু(৪২),জিলু(২৮),নাজমুল(২৮),হারুন(৩৮) জসিম(৪০),আনসার মিয়া(৩৭)।
মজলিশপুর গ্রামের নজির মিয়া(২৫) কে গুরুতর আহত অবস্থায় সিলেট এমএজি ওসমানী হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে।
সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে ১ নম্বর উত্তর-পূর্ব ইউপি‘র চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন আহমেদ(৫৯) আহত হয়েছেন।
এলাকাবাসী ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কানিভাঙ্গা নামক একটি জলাশয়ে কামালখানী গ্রামের লোকজন বাধ দেওয়ায় মজলিশপুর গ্রামের লোকজন গতকাল শুক্রবার ভোরে ভেঙ্গে ফেলে দেয়। পরবর্তীতে কামালখানী গ্রামের লোকজন মজলিশপুর গ্রামের লোকজনের নিকট এব্যাপারে জিজ্ঞাসা করে সঠিক জবাব না পেয়ে তাদেরকে বাধের এলাকা থেকে তাড়িয়ে দেয়। এতে মজলিশপুর গ্রামের লোকজন মাইকে ঘোষনা দিয়ে তাদের লোকজনকে ঘটনাস্থলে দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে যাওয়ার জন্য আহবান জানায়। এ দিকে কামালখানী গ্রামের লোকজনও মাইকে ঘোষনা দিয়ে তাদের লোকজনকে ঘটনাস্থলে যাওয়ার জন্য আহবান জানায়। এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।
সংঘর্ষটি থামাতে থানা পুলিশ উভয় পক্ষকে ছত্র ভঙ্গ করে দেওয়ার পরও দফায় দফায় সংঘর্ষটি চলতে থাকে।
বানিয়াচং থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ এমরান হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, দূর্ঘম হাওরের মাঝে দু‘দল গ্রামবাসী বাধ দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।
বর্তমানে সম্পূর্ণ পরিস্থিতি থানা পুলিশের নিয়ন্ত্রনে রয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ রানা বলেন থানা পুলিশ,জনপ্রতিনিধি সহ উপজেলা প্রশাসন ঘটনাস্থলে পৌছে উভয় পক্ষকে শান্ত করেছে। সব কিছু এখন প্রশাসনের নিয়ন্ত্রনে রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     More News Of This Category