শিরোনাম
ভূতের দেশের গল্প, (পর্ব এক ) আসহাবে কাহাফের ঈমানদীপ্ত অলৌকিক ঘটনাটি মুসলিম উম্মাহর সামনে তুলে ধরেছেন। হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী শারদীয় দুর্গাপূজা সম্পন্ন, উৎসবমুখর আয়োজনে বিদায় নিলেন দেবী দুর্গা সরকার অগোছালো কাজ করেই যাচ্ছে, বিরোধী দল ঘুমে আচ্ছন্ন, সফলতা আসেনি জুলাই যোদ্ধাদের পুলিশের এডিশনাল আইজিপি ডি আইজি সহ একাধিক পুলিশ কর্মকর্তার নাম ভাঙ্গিয়ে সালমান ওভার সিজের অভিনব প্রতারণার ফাদ সিলেট নিউজে সংবাদ প্রচারে প্রতারক ডিবি পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে কারাগারে রয়েছে জয়নগর পাওয়ার গ্রিডের গেটে হাজিরা দিচ্ছেন সহকারী শিক্ষিকা নিলুফার ইয়াসমিন দুর্গাপূজার আনন্দ ছড়িয়ে দিতে জৈন্তাপুরে শাড়ি ও চাল বিতরণ মাহবুবুল কিবরিয়া চৌধুরী (হেলিম): এক কীর্তিমান ব্যক্তির সংক্ষিপ্ত জীবনী জগন্নাথপুর আনন্দময়ী ও বাদ্য আর অঞ্জলিতে মণ্ডপে মণ্ডপে উদযাপিত হচ্ছে মহানবমী নিয়োগ জালিয়াতি ও চাঁদাবাজিসহ তিনজন শিক্ষকের বেতন বন্ধের মামলায় রানীগঞ্জ কলেজের সাবেক অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৩ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

করোনাকালেও বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণকাজে ব্যাপক অগ্রগতি শেষ হয়েছে এক প্রান্তের কাজ

Coder Boss / ৭৬২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২০

Manual8 Ad Code

নবিগঞ্জ প্রতিনিধি

কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মাণাধীন ২ হাজার ৪৫০ মিটার দৈর্ঘ্যরে বঙ্গবন্ধু টানেলের এক প্রান্তের কাজ শেষ হয়েছে। নির্মাতা প্রতিষ্ঠান চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি এবং চায়না কমিউনিকেশন কনস্ট্রাকশন কোম্পানি দেশের এই প্রথম টানেলের বাম লাইনের নির্মাণকাজ রবিবার শেষ করেছে। এতে প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ অংশের কাজ শেষ হলো বলে মন্তব্য করেছেন প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী হারুনুর রশীদ।

Manual5 Ad Code

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রকল্পটি চীনা গবেষণা ও মেশিনে করা হচ্ছে। এটি বাংলাদেশে নদীর তলদেশ দিয়ে তৈরি প্রথম টানেল। টানেলের নির্মাণকাজ শেষ হলে চট্টগ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থা অনেক উন্নত হবে। পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে যোগ হবে যোগাযোগের নতুন মাত্রা। বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ৯ হাজার ৮৮০ কোটি টাকা।

এর মধ্যে প্রকল্প ঋণ হিসেবে চায়না এক্সিম ব্যাংক পাঁচ হাজার ৯১৩ কোটি টাকা অর্থায়ন করছে। বাকি টাকা দিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। এটি কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে পূর্ব ও পশ্চিম তীরকে যুক্ত করেছে। সুড়ঙ্গের দৈর্ঘ্য ৯.৩ কিলোমিটার হলেও মূল কাঠামো ২ হাজার ৪৫০ মিটার। টানেলের ব্যাস ১১.৮ মিটার। এ টানেলে দুটি আলাদা পথে চারটি লেন দিয়ে সর্বোচ্চ ৮০ কিলোমিটার গতিতে গাড়ি চলাচল করতে পারবে। ২০১৬ সালের ১৪ অক্টোবর কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ মেগা প্রকল্পের যৌথ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং।

Manual7 Ad Code

প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী হারুনুর রশীদ বলেন, করোনাকালের এই পরিস্থিতিতে দেশের এই মেগা প্রকল্পের এক প্রান্তের কাজ শেষ হওয়া মানে দেশবাসীর জন্য সুখবর। সন্তোষজনকভাবে প্রকল্পের কাজ এগিয়ে চলার কারণে আমরা বর্তমান পরিস্থিতিতেও কাজের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখেছি। আশা করছি প্রকল্পের বাকি কাজও সঠিক সময়ে শেষ হবে।

Manual8 Ad Code

সংশ্লিষ্টরা জানান, বঙ্গবন্ধু টানেলের নির্মাণকাজ শেষ হলে শুধু চট্টগ্রাম নয়, সমগ্র দেশের অর্থনৈতিক উন্নতি তথা জাতীয় সমৃদ্ধি অর্জনের স্বপ্ন পূরণ হবে। বাণিজ্যিক রাজধানী তথা বন্দরনগরী চট্টগ্রাম হবে হংকংয়ের আদলে ‘ওয়ান সিটি টু টাউন’। এতে বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলে শিল্পায়ন, পর্যটন, যোগাযোগ ব্যবস্থা, খনিজ, কৃষিজ, সামুদ্রিক ও প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণসহ বিভিন্ন খাত, উপ-খাতে আসবে ইতিবাচক পরিবর্তন। এতে জাতীয় রাজস্ব যেমন বাড়বে, বাড়বে নতুন নতুন কর্মসংস্থানও।

Manual3 Ad Code


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

বিভাগের খবর দেখুন

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code
Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code