শিরোনাম
সিলেটের জৈন্তাপুরকে পৌরসভা ঘোষণা, উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা ভূতের দেশের গল্প, (পর্ব এক ) আসহাবে কাহাফের ঈমানদীপ্ত অলৌকিক ঘটনাটি মুসলিম উম্মাহর সামনে তুলে ধরেছেন। হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী শারদীয় দুর্গাপূজা সম্পন্ন, উৎসবমুখর আয়োজনে বিদায় নিলেন দেবী দুর্গা সরকার অগোছালো কাজ করেই যাচ্ছে, বিরোধী দল ঘুমে আচ্ছন্ন, সফলতা আসেনি জুলাই যোদ্ধাদের পুলিশের এডিশনাল আইজিপি ডি আইজি সহ একাধিক পুলিশ কর্মকর্তার নাম ভাঙ্গিয়ে সালমান ওভার সিজের অভিনব প্রতারণার ফাদ সিলেট নিউজে সংবাদ প্রচারে প্রতারক ডিবি পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে কারাগারে রয়েছে জয়নগর পাওয়ার গ্রিডের গেটে হাজিরা দিচ্ছেন সহকারী শিক্ষিকা নিলুফার ইয়াসমিন দুর্গাপূজার আনন্দ ছড়িয়ে দিতে জৈন্তাপুরে শাড়ি ও চাল বিতরণ মাহবুবুল কিবরিয়া চৌধুরী (হেলিম): এক কীর্তিমান ব্যক্তির সংক্ষিপ্ত জীবনী জগন্নাথপুর আনন্দময়ী ও বাদ্য আর অঞ্জলিতে মণ্ডপে মণ্ডপে উদযাপিত হচ্ছে মহানবমী
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২০ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

৮ মাস পর খুলছে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান

Coder Boss / ৫০২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২০

Manual2 Ad Code

 

আনিসুররহমান মাধবপুর(হবিগঞ্জ):

নভেম্বরের ১ তারিখ হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাটের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান খুলে দেয়া হবে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে আট মাস বন্ধ থাকার পর এখানে প্রবেশের সুযোগ পাবেন পর্যটকরা। বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাত ১১টায় চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী নির্বাহী (ইউএনও) সত্যজিত রায় দাশ এ তথ্য জানিয়েছেন।

Manual5 Ad Code

৮ মাস পর খুলছে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান
করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে গত ১৯ মার্চ এ পর্যটন স্পটটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকে গত আট মাস ধরে পর্যটক না আসায় বনটি তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য পুরোপুরিভাবে ফিরে পেয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

Manual1 Ad Code

সাতছড়ি রেঞ্জ অফিসার মোতালেব জানিয়েছে, খোলা থাকলে সাতছড়িতে প্রতিদিন আড়াই থেকে পাঁচ হাজার পর্যটক আসেন। বয়স্কদের টিকিট বিক্রি হতো ৩০ টাকা এবং অপ্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য ২৫ টাকা।

Manual5 Ad Code

উল্লেখ্য, সাতছড়ি উদ্যানের ইতিহাস জানতে হলে ফিরে যেতে হবে ১৯১২ সালে। ওই বছর প্রায় ১০ হাজার একর দুর্গম পাহাড়ি জমি নিয়ে গঠিত রঘুনন্দন হিলস্ রিজার্ভই কালের পরিক্রমায় আজকের উদ্যান। অবশ্য জাতীয় উদ্যান হওয়ার ইতিহাস বেশিদিনের নয়। ২০০৫ সালে ৬০০ একর জমিতে জাতীয় উদ্যান করা হয়। এ উদ্যানের ভেতরে রয়েছে অন্তত ২৪টি আদিবাসী পরিবারের বসবাস। রয়েছে বন বিভাগের লোকজন।

পর্যটকদের জন্য চালু করা প্রজাপতি বাগান, ওয়াচ টাওয়ার, হাঁটার ট্রেইল, খাবার হোটেল, রেস্ট হাউস, মসজিদ, রাত যাপনে স্টুডেন্ট ডরমিটরিসবই এখন নিস্তব্ধ।

উদ্যানে দুই শতাধিক প্রজাতির উদ্ভিদের মধ্যে শাল, সেগুন, আগর, গর্জন, চাপালিশ, পাম, মেহগনি, কৃষ্ণচূড়া, ডুমুর, জাম, জামরুল, সিধা জারুল, আওয়াল, মালেকাস, আকাশমনি, বাঁশ, বেত ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

Manual5 Ad Code

১৯৭ প্রজাতির জীব-জন্তুর মধ্যে প্রায় ২৪ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, ১৮ প্রজাতির সরীসৃপ, ৬ প্রজাতির উভচর। আরো আছে প্রায় ২০০ প্রজাতির পাখি। রয়েছে লজ্জাবতী বানর, উল্লুক, চশমা পরা হনুমান, শিয়াল, কুলু বানর, মেছো বাঘ, মায়া হরিণের বিচরণ। সরীসৃপের মধ্যে আছে কয়েক জাতের সাপ। কাও ধনেশ, বন মোরগ, লাল মাথা ট্রগন, কাঠঠোকরা, ময়না, ভিমরাজ, শ্যামা, ঝুটিপাঙ্গা, শালিক, হলদে পাখি, টিয়া প্রভৃতির আবাসস্থল এই উদ্যান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

বিভাগের খবর দেখুন

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code