জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর পৌর এলাকায় পূর্ব শত্রুতা ও জায়গা-জমির বিরোধের জের ধরে এক কলেজ পড়ুয়া ছাত্রীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় মেয়েকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে তাঁর মা-বাবাকেও পিটিয়ে জখম করা হয়।
গত ৩০ আগস্ট বিকেল ৫টার দিকে জগন্নাথপুর পৌরসভার ৮ নং ওয়াডের পূর্ব ভবানীপুর গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। এতে একই পরিবারের ৩ জন গুরুতর আহত হন।
স্থানীয় ও লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পূর্ব ভবানীপুর গ্রামের তানভির মিয়ার ছেলে সায়মন মিয়ার নেতৃত্বে ৪-৫ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল ওত পেতে থেকে ওই কলেজ ছাত্রীর ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। মেয়েটির চিৎকার শুনে তাঁর মা খালেদা বেগম (৩৮) ও পিতা মকবুল হোসেন (৪৭) উদ্ধার করতে এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাঁদের ওপরও হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। পরবর্তীতে স্থানীয় এলাকাবাসী আহত অবস্থায় কলেজ ছাত্রী সাদিয়া বেগম (১৬), তাঁর মা খালেদা বেগম( ৩৮) ও পিতা মকবুল হোসেন (৪৭)কে উদ্ধার করে জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষে খালেদা বেগম বাদী হয়ে জগন্নাথপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তবে বাদীর অভিযোগ, ঘটনার কয়েক দিন পার হয়ে গেলেও পুলিশ এখনো মামলাটি রেকর্ড (নথিভুক্ত) করেনি।
আহত মকবুল হোসেন বলেন, “পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আমাদের ওপর এই নারকীয় হামলা চালানো হয়েছে। আমরা সুষ্ঠু তদন্ত ও অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জন্য ঊর্ধ্বতন পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।”
বাদী খালেদা বেগম জানান, “আমার মেয়ে ঘর থেকে রাস্তায় বের হওয়া মাত্রই চিহ্নিত সন্ত্রাসী সায়মনের নেতৃত্বে হামলা চালানো হয়। আমরা থানায় অভিযোগ দিয়েছি, কিন্তু এখন পর্যন্ত মামলা রেকর্ড করা হয়নি।”
এ বিষয়ে জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, “আমরা অভিযোগ পেয়েছি এবং বিষিয়টি তদন্তের জন্য একজন কর্মকর্তা কে পাঠিয়েছি।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জগন্নাথপুর থানার এসআই জিসান জানান, “ঘটনাস্থল সরেজমিনে তদন্ত করে এসেছি। থানায় বাদী উপস্থিত হলেই মামলা রুজু করা হবে।।