শিরোনাম
শ্রীমঙ্গলে ২৩ কেজির ওজনের অজগর উদ্ধার আমাসুফ সিলেট বিভাগীয় সভাপতির সঙ্গে হবিগঞ্জ জেলা জোনাল কমিটির সৌজন্য সাক্ষাৎ উখিয়ায় ৪ হারানো মোবাইল উদ্ধার,মালিকদের কাছে হস্তান্তর তাড়াইল মুক্তিযোদ্ধা সরকারি কলেজের সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আতাউর রহমান ভূঞার ইন্তেকাল কেন মহসিন তালুকদারকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান পাইকুরাটির একাংশের ভোটার? দুর্নীতিবিরোধী সচেতনতা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হবে: তাড়াইলে ইউএনও তানজিলা আখতার রাসূল (সা.)’র প্রতি মুহাব্বাতই ঈমানের মূল! হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী কচুয়ায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ, ক্লাস বর্জন করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ দেশের আইন পরিবর্তন করন, আদালত প্রাঙ্গন ঘুষ মুক্ত করন, মামলাজট কমানো খুবই জরুরি দরকার ছাতকে সড়ক যোগাযোগে নতুন দিগন্ত ৯৯ কোটি টাকার ৪ লেন সড়কের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন এমপি মিলন
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৯ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

দুর্নীতিবিরোধী সচেতনতা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হবে: তাড়াইলে ইউএনও তানজিলা আখতার

সিলেট নিউজ ডেস্ক / ৪৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

Manual6 Ad Code

আল-মামুন খান, স্টাফ রিপোর্টার:

“দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়তে হলে পরিবর্তনের শুরুটা করতে হবে শিক্ষার্থীদের হাত ধরেই”—এমন প্রত্যয় নিয়ে কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উদ্বোধন করা হয়েছে ‘সততা স্টোর’।

শিক্ষার্থীদের মধ্যে সততা, নৈতিকতা ও দুর্নীতিবিরোধী মূল্যবোধ গড়ে তোলার লক্ষ্যে তাড়াইল উপজেলার কাজলা উচ্চ বিদ্যালয় ও ধলা বহুমুখী আলিম মাদ্রাসায় পৃথকভাবে ‘সততা স্টোর’ উদ্বোধন করা হয়েছে।কেন মহসিন তালুকদারকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান পাইকুরাটির একাংশের ভোটার?
আল-মামুন খান, স্টাফ রিপোর্টার:

নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক তফসিল ঘোষণার আগেই সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা। সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার ৩ নম্বর পাইকুরাটি ইউনিয়নেও এর ব্যতিক্রম নয়। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মো. মহসিন তালুকদারের নাম ঘিরে স্থানীয় ভোটারদের একটি অংশের মধ্যে আগ্রহ ও আলোচনা তৈরি হয়েছে।

কেন মহসিন তালুকদারকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাইছেন তারা? তার প্রতি এই আগ্রহের পেছনে কি রয়েছে দীর্ঘদিনের সামাজিক যোগাযোগ, মানুষের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা, নাকি ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা?

স্থানীয় পর্যায়ে কথা বলে পাওয়া তথ্য ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যে উঠে এসেছে কয়েকটি কারণ।

মানুষের সঙ্গে দীর্ঘদিনের যোগাযোগঃ
পাইকুরাটি ইউনিয়নের কয়েকজন বাসিন্দার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মহসিন তালুকদার দীর্ঘদিন ধরে এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছেন। স্থানীয়দের ভাষ্য, তিনি সাধারণ মানুষের সঙ্গে সহজভাবে মিশতে পারেন এবং বিভিন্ন বয়স ও পেশার মানুষের সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্ক বজায় রেখেছেন।

স্থানীয়দের একটি অংশ মনে করেন, জনপ্রতিনিধির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সাধারণ মানুষের কাছে সহজে পৌঁছাতে পারা। তাদের দাবি, মহসিন তালুকদারের দীর্ঘদিনের সামাজিক যোগাযোগ তাকে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় নিয়ে এসেছে।

মহসিন তালুকদার বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের আওতায় নিজ উপজেলায় চাকরি করেছেন বলে জানা গেছে। চাকরির সুবাদে এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন তিনি।

স্থানীয়দের ভাষ্য, বিশেষ করে দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সঙ্গে কাজ করার সময় তিনি এলাকার মানুষের বাস্তব সমস্যা ও প্রয়োজনের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পান। এ কারণে স্থানীয়দের একটি অংশ মনে করছেন, ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্ব পালনে তার চাকরিজীবনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগতে পারে।

তবে তার এই অভিজ্ঞতা নির্বাচনে কতটা প্রভাব ফেলবে, সেটি নির্ভর করবে ভোটারদের চূড়ান্ত মূল্যায়নের ওপর।

পাইকুরাটি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মহসিন তালুকদারকে নিয়ে ইতোমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। কয়েকজন ভোটার জানান, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় পরিচিত মুখ হওয়া এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার বিষয়টি তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।

স্থানীয়দের একটি অংশের ভাষ্য, মহসিন তালুকদার চাকরিজীবনে এলাকার মানুষের সঙ্গে কাজ করেছেন। অবসরের পরও তিনি স্থানীয় মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। এ কারণে তাকে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে দেখতে আগ্রহী তারা।

তবে মাঠপর্যায়ে এমন মতও রয়েছে যে, শুধু ব্যক্তিগত পরিচিতি বা সামাজিক যোগাযোগ নয়—নির্বাচনের সময় একজন প্রার্থীর পরিকল্পনা, নেতৃত্বের সক্ষমতা, মানুষের কাছে জবাবদিহিতা এবং ইউনিয়নের বাস্তব সমস্যাগুলো সমাধানের বিষয়ে তার অবস্থানও ভোটাররা বিবেচনা করবেন।

পাইকুরাটি ইউনিয়নের ভাটগাও গ্রামের কামাল হোসেন বলেন, “মহসিন তালুকদারকে আমরা দীর্ঘদিন ধরে চিনি। তিনি মানুষের সঙ্গে মিশতে পারেন। তবে আমরা চাই, নির্বাচনের আগে তিনি ইউনিয়নের উন্নয়ন নিয়ে তার পরিকল্পনা স্পষ্টভাবে তুলে ধরুন"।

সুনই গ্রামের দেলোয়ার হোসেন বলেন, মহসিন তালুকদারের কোন গুণ বা কর্মকাণ্ডের কারণে জনগণ তাকে পছন্দ করেন এবং চেয়ারম্যান হলে তার কাছে জনগণের কী প্রত্যাশা সেটা আমরা তাকে ভোট দিয়ে বিজয়ী হওয়ার পরই দৃশ্যমান হবে।

সম্ভাব্য প্রার্থিতা নিয়ে মো. মহসিন তালুকদারের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, “জনগণের চাওয়াই আমার চাওয়া। জনগণ যেহেতু বিভিন্ন সময়ে আমাকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করছেন, আমিও জনগণের প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চাই।”

তিনি আরও বলেন, “আমি যদি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে পারি, তাহলে জনগণের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করার চেষ্টা করব। পাইকুরাটি ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, স্মার্ট, মাদক ও জুয়ামুক্ত ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করতে চাই, ইনশাআল্লাহ।”

তার বক্তব্যে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে কাজ করার বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে বোঝা যায়, পাইকুরাটি ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা শুরু হলেও নির্বাচনী মাঠ এখনো পুরোপুরি দৃশ্যমান হয়নি। ফলে বর্তমানে কোনো প্রার্থীর জনসমর্থন সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই।

মহসিন তালুকদারের ক্ষেত্রে তার দীর্ঘদিনের সামাজিক যোগাযোগ ও চাকরিজীবনের অভিজ্ঞতার বিষয়টি স্থানীয়দের আলোচনায় থাকলেও নির্বাচনের সময় অন্যান্য প্রার্থীদের অবস্থান, স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক সমীকরণ এবং ভোটারদের প্রত্যাশা পরিস্থিতিকে ভিন্ন দিকে নিতে পারে।

পাইকুরাটি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে মো. মহসিন তালুকদারের সম্ভাব্য প্রার্থিতা নিয়ে স্থানীয়দের একটি অংশের আগ্রহ আপাতত আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে। তার প্রতি এই আগ্রহ নির্বাচনী মাঠে কতটা বিস্তৃত হয়, তা নির্ভর করবে সময়ের সঙ্গে তার প্রচারণা, স্থানীয় মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ এবং অন্য সম্ভাব্য প্রার্থীদের অবস্থানের ওপর।

শেষ পর্যন্ত কারও ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তার দাবি নয়, ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের প্রকৃত সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে পাইকুরাটি ইউনিয়নের পরবর্তী চেয়ারম্যান কে হবেন।

Manual2 Ad Code

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অর্থায়নে এবং তাড়াইল উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহযোগিতায় আয়োজিত পৃথক অনুষ্ঠানে সততা স্টোর উদ্বোধনের পাশাপাশি আলোচনা সভা ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়।

দিনের প্রথম অনুষ্ঠানটি বেলা ১১টায় ধলা বহুমুখী আলিম মাদ্রাসার মিলনায়তনে এবং দ্বিতীয়টি দুপুর ১টায় কাজলা উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।

দুটি অনুষ্ঠানেই প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তাড়াইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তানজিলা আখতার।

Manual6 Ad Code

উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মো. ইমরুল হাসান দোলনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মো. আমিনুল ইসলাম ভূঞা বাবুলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কিশোরগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ইসতেহাদ আহমেদ এবং উপসহকারী পরিচালক মো. সালেহ আহমেদ।

ধলা বহুমুখী আলিম মাদ্রাসার অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মো. আবদুল হান্নান।কেন মহসিন তালুকদারকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান পাইকুরাটির একাংশের ভোটার?
আল-মামুন খান, স্টাফ রিপোর্টার:

নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক তফসিল ঘোষণার আগেই সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা। সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার ৩ নম্বর পাইকুরাটি ইউনিয়নেও এর ব্যতিক্রম নয়। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মো. মহসিন তালুকদারের নাম ঘিরে স্থানীয় ভোটারদের একটি অংশের মধ্যে আগ্রহ ও আলোচনা তৈরি হয়েছে।

কেন মহসিন তালুকদারকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাইছেন তারা? তার প্রতি এই আগ্রহের পেছনে কি রয়েছে দীর্ঘদিনের সামাজিক যোগাযোগ, মানুষের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা, নাকি ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা?

স্থানীয় পর্যায়ে কথা বলে পাওয়া তথ্য ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যে উঠে এসেছে কয়েকটি কারণ।

মানুষের সঙ্গে দীর্ঘদিনের যোগাযোগঃ
পাইকুরাটি ইউনিয়নের কয়েকজন বাসিন্দার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মহসিন তালুকদার দীর্ঘদিন ধরে এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছেন। স্থানীয়দের ভাষ্য, তিনি সাধারণ মানুষের সঙ্গে সহজভাবে মিশতে পারেন এবং বিভিন্ন বয়স ও পেশার মানুষের সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্ক বজায় রেখেছেন।

স্থানীয়দের একটি অংশ মনে করেন, জনপ্রতিনিধির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সাধারণ মানুষের কাছে সহজে পৌঁছাতে পারা। তাদের দাবি, মহসিন তালুকদারের দীর্ঘদিনের সামাজিক যোগাযোগ তাকে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় নিয়ে এসেছে।

মহসিন তালুকদার বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের আওতায় নিজ উপজেলায় চাকরি করেছেন বলে জানা গেছে। চাকরির সুবাদে এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন তিনি।

স্থানীয়দের ভাষ্য, বিশেষ করে দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সঙ্গে কাজ করার সময় তিনি এলাকার মানুষের বাস্তব সমস্যা ও প্রয়োজনের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পান। এ কারণে স্থানীয়দের একটি অংশ মনে করছেন, ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্ব পালনে তার চাকরিজীবনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগতে পারে।

তবে তার এই অভিজ্ঞতা নির্বাচনে কতটা প্রভাব ফেলবে, সেটি নির্ভর করবে ভোটারদের চূড়ান্ত মূল্যায়নের ওপর।

পাইকুরাটি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মহসিন তালুকদারকে নিয়ে ইতোমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। কয়েকজন ভোটার জানান, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় পরিচিত মুখ হওয়া এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার বিষয়টি তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।

স্থানীয়দের একটি অংশের ভাষ্য, মহসিন তালুকদার চাকরিজীবনে এলাকার মানুষের সঙ্গে কাজ করেছেন। অবসরের পরও তিনি স্থানীয় মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। এ কারণে তাকে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে দেখতে আগ্রহী তারা।

তবে মাঠপর্যায়ে এমন মতও রয়েছে যে, শুধু ব্যক্তিগত পরিচিতি বা সামাজিক যোগাযোগ নয়—নির্বাচনের সময় একজন প্রার্থীর পরিকল্পনা, নেতৃত্বের সক্ষমতা, মানুষের কাছে জবাবদিহিতা এবং ইউনিয়নের বাস্তব সমস্যাগুলো সমাধানের বিষয়ে তার অবস্থানও ভোটাররা বিবেচনা করবেন।

পাইকুরাটি ইউনিয়নের ভাটগাও গ্রামের কামাল হোসেন বলেন, “মহসিন তালুকদারকে আমরা দীর্ঘদিন ধরে চিনি। তিনি মানুষের সঙ্গে মিশতে পারেন। তবে আমরা চাই, নির্বাচনের আগে তিনি ইউনিয়নের উন্নয়ন নিয়ে তার পরিকল্পনা স্পষ্টভাবে তুলে ধরুন"।

সুনই গ্রামের দেলোয়ার হোসেন বলেন, মহসিন তালুকদারের কোন গুণ বা কর্মকাণ্ডের কারণে জনগণ তাকে পছন্দ করেন এবং চেয়ারম্যান হলে তার কাছে জনগণের কী প্রত্যাশা সেটা আমরা তাকে ভোট দিয়ে বিজয়ী হওয়ার পরই দৃশ্যমান হবে।

সম্ভাব্য প্রার্থিতা নিয়ে মো. মহসিন তালুকদারের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, “জনগণের চাওয়াই আমার চাওয়া। জনগণ যেহেতু বিভিন্ন সময়ে আমাকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করছেন, আমিও জনগণের প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চাই।”

তিনি আরও বলেন, “আমি যদি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে পারি, তাহলে জনগণের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করার চেষ্টা করব। পাইকুরাটি ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, স্মার্ট, মাদক ও জুয়ামুক্ত ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করতে চাই, ইনশাআল্লাহ।”

তার বক্তব্যে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে কাজ করার বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে বোঝা যায়, পাইকুরাটি ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা শুরু হলেও নির্বাচনী মাঠ এখনো পুরোপুরি দৃশ্যমান হয়নি। ফলে বর্তমানে কোনো প্রার্থীর জনসমর্থন সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই।

মহসিন তালুকদারের ক্ষেত্রে তার দীর্ঘদিনের সামাজিক যোগাযোগ ও চাকরিজীবনের অভিজ্ঞতার বিষয়টি স্থানীয়দের আলোচনায় থাকলেও নির্বাচনের সময় অন্যান্য প্রার্থীদের অবস্থান, স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক সমীকরণ এবং ভোটারদের প্রত্যাশা পরিস্থিতিকে ভিন্ন দিকে নিতে পারে।

পাইকুরাটি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে মো. মহসিন তালুকদারের সম্ভাব্য প্রার্থিতা নিয়ে স্থানীয়দের একটি অংশের আগ্রহ আপাতত আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে। তার প্রতি এই আগ্রহ নির্বাচনী মাঠে কতটা বিস্তৃত হয়, তা নির্ভর করবে সময়ের সঙ্গে তার প্রচারণা, স্থানীয় মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ এবং অন্য সম্ভাব্য প্রার্থীদের অবস্থানের ওপর।

শেষ পর্যন্ত কারও ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তার দাবি নয়, ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের প্রকৃত সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে পাইকুরাটি ইউনিয়নের পরবর্তী চেয়ারম্যান কে হবেন।

অন্যদিকে কাজলা উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি মো. নজরুল হক, দামিহা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এ.কে. মাইনুজ্জামান নবাব এবং বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ কামরুজ্জামান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও তানজিলা আখতার বলেন, “আমাদের দায়িত্ব হলো দুর্নীতিবিরোধী সচেতনতা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া। শিক্ষার্থীদের বাল্যকাল থেকেই সততা, সততা স্টোরের সঠিক ব্যবহার এবং দুর্নীতিবিরোধী মূল্যবোধে গড়ে তুলতে এ উদ্যোগ কার্যকর ভূমিকা রাখবে।”

Manual8 Ad Code

তিনি বলেন, সততা স্টোরের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাস, দায়িত্ববোধ ও আত্মনিয়ন্ত্রণের চর্চা তৈরি করা সম্ভব। ছোটবেলা থেকেই নৈতিক মূল্যবোধের অনুশীলন ভবিষ্যতে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সহায়ক হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি নৈতিকতা, সততা ও দায়িত্বশীলতার চর্চা করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সততা স্টোরের উদ্দেশ্য ও কার্যক্রম যথাযথভাবে পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।

পরে অতিথিরা আনুষ্ঠানিকভাবে দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘সততা স্টোর’ উদ্বোধন করেন এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন।

অনুষ্ঠানে দুই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক, স্থানীয় সাংবাদিক এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

Manual2 Ad Code


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

বিভাগের খবর দেখুন

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code