নিজস্ব প্রতিবেদক | সিলেট নিউজ
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশত্যাগের ঐতিহাসিক ভিডিও প্রকাশের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন বলে দাবি করা হচ্ছে অবসরপ্রাপ্ত ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরিকে। তাঁর মরদেহ রাজধানীর তুরাগ নদী থেকে উদ্ধারের ঘটনায় নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি উঠেছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত ২৭ অক্টোবর ২০২৬ রাত থেকে নিখোঁজ ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরি। পরদিন ২৮ অক্টোবর বিকেলে উত্তরখান থানা পুলিশ তুরাগ নদী থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে।
তাঁর মৃত্যুর ঘটনায় শোকের পাশাপাশি নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। একজন অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তা যদি নিরাপত্তার ঝুঁকিতে পড়েন, তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কতটা নিশ্চিত—এমন প্রশ্নও সামনে আসছে।
তাহসিফ সাউরির এই অকালমৃত্যু অত্যন্ত দুঃখজনক। তবে তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিতভাবে জানা না গেলে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সমীচীন হবে না। এটি দুর্ঘটনা, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে—তা যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণ করা প্রয়োজন।
বিশেষ করে, তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, কিংবা কোনো শত্রুতার বিষয় জড়িত কি না, তা নিরপেক্ষভাবে খতিয়ে দেখা উচিত। একই সঙ্গে তাঁর নিখোঁজ হওয়ার পরিস্থিতি, মৃত্যুর কারণ এবং সংশ্লিষ্ট প্রমাণগুলো গুরুত্বের সঙ্গে পরীক্ষা করা প্রয়োজন।
এ ঘটনার প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন করে জনসমক্ষে তুলে ধরতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর ভূমিকা জরুরি। একটি স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য তদন্তই পারে জনমনে তৈরি হওয়া প্রশ্ন ও উদ্বেগের নিরসন করতে।
পাশাপাশি দেশের সাংবিধানিক সংস্কার, জবাবদিহি এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। রাষ্ট্র পরিচালনায় জবাবদিহি ও নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না গেলে এ ধরনের ঘটনায় মানুষের মধ্যে অনিশ্চয়তা ও অবিশ্বাস বাড়তে পারে।
তাহসিফ সাউরির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ী কেউ থাকলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ—এটাই এখন সময়ের দাবি।
এই ‘তাহসিফ সাউরি’ ছেলেটাকে কেন মা* *রা হলো তার কারণ অনেকটাই সে নিজেই পরিষ্কার করে গেছিলো! মৃ/ত্যু/র ৩ মাস আগে ‘স্পিক উইথ রশিদ’ প’ড’কাস্টে হা’জির হয়ে পরিষ্কার জানিয়েছেন-
‘‘আমার দেশ’ পত্রিকায় দা”বি করা হয়েছিলো, তিনি নাকি কুর্মিটোলা বিমানবন্দর থেকে শেখ হাসিনার পালিয়ে যাওয়ার ভিডিও ভা’ইরাল করেছিলেন।
রিপোর্টে আরও বলা হয়েছিলো, এয়ারফোর্সের ভেতরের ভা”রতীয় গো*য়েন্দা সংস্থা ‘র’-এর নেটওয়ার্কের সাথে তার নাকি কানেকশন আছে।’
কিন্তু তাহসিফ সাউরি একে সরাসরি ‘হাস্যকর ও ভু”য়া প্রো*পা’গা’ন্ডা’ বলে উ”ড়িয়ে দেন। তিনি চ্যা*লেঞ্জ করে বলেন, “আমি যদি ভিডিও ছ**ড়িয়েও থাকি, হোয়াট ইজ দা প্রুফ দে হ্যাভিং? আর ভিডিও ছ*ড়ালেই কী কারোর চাকরি চলে যেতে পারে ভাই?”
এয়ারফোর্সের গোয়েন্দা বিভাগ ত*দন্ত করলেও দেশের সা”মরিক জনসংযোগ বিভাগ তাহসিফের বি**রুদ্ধে এমন কোনো অফিশিয়াল বি”বৃতি বা অ**ভিযোগের কথা কখনো জানায়নি।
তাহসিফ নিজেই প্রশ্ন তোলেন- “আমি যদি ‘র’-এর এজেন্টই হতাম, তবে বাংলাদেশে কেন প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছি আর পাবলিকলি কথা বলছি?”
হাসিনার ভিডিও ছ**ড়িয়ে দেয়ার অ্যা”লিগেশনের ওপর ভি’ত্তি করে তৎকালীন এয়ার ইন্টেলিজেন্সের ডিরেক্টর এয়ার কমোডর মাহবুব তাকে ডেকে জানান- “তিনি যদি স্বে”চ্ছায় অ”বসরের আবেদনপত্রে সা’ইন করেন, তবে তাকে আর হ্যা”রা’স করা হবে না বা অ্যা-*রেস্ট করা হবে না।”
তখন ক্যারিয়ার বাঁ”চাতে বা”ধ্য হয়ে তিনি সা’ইন করেন। এছাড়া গ্রুপ ক্যাপ্টেন সেলিম জাভেদ বর্তমানে এয়ার কমোডর তাকে দীর্ঘ সময় ই’ন্টারোগেট করেছিলেন।
প’ডকাস্টে তাহসিফ ক্ষো**ভ প্রকাশ করে বলেন, তার ফোন ও পার্সোনাল জি’নিসপ’ত্র জো”রপূ”র্বক কে**ড়ে নেওয়া হয়েছিল।
শুধু তাই নয়, দীর্ঘ ২টি বছর তার পাসপোর্ট আ”টকে রাখা হয়েছিল, যার কারণে একজন ট্যালেন্টেড জিডিপি পাইলট হওয়া সত্ত্বেও তিনি সিভিল এভিয়েশনে যোগ দিয়ে নিজের ফ্লাইং ক্যারিয়ার কন্টিনিউ করতে পারেননি। তিনি এটিকে তার গ’ণতা’ন্ত্রিক অ”ধিকারের ওপর চ**রম আ* *ঘাত বলে উল্লেখ করেন।
প’ডকাস্টের এই পুরো কথোপকথন থেকে স্পষ্ট যে, তাহসিফ এয়ারফোর্সের ভেতরের একটি প্র”ভা’বশা’লী মহলের অ*ন্যা*য়ের বি*রু*দ্ধে মুখ খু”লতে শুরু করেছিলেন।
তিনি শেখ হাসিনার গু*প্তচ*র যারা এখনো বিমান বাহিনীতে রয়ে গেছেন, তাদের মু**খোশ খু**লে দিয়ে সত্যটা সামনে আনতে চেয়েছিলেন। আর ঠিক এই সময়েই তুরাগ নদে তার লা//শ ভে//সে ওঠা কি শুধুই কা”ক’তা’লীয়?
নাকি এই প্র**তি’বাদের ক’ণ্ঠ’স্ব’র চি**র*ত*রে স্ত-*ব্ধ করে দেওয়ার কোনো মা*স্টা*রপ্ল্যা*ন?
কি মনে হয় আপনাদের?
অনলাইন সংস্করণ!