বিশেষ প্রতিনিধি:
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৬ নং ওয়ার্ডের মুগদা এলাকার কাউন্সিলর ও আওয়ামীলীগ নেতা সিরাজুল ইসলাম শ্রীমঙ্গল ভায়া হয়ে ভারতে পালানোর প্রস্তুতিকালে যৌথ বাহিনী ও পুলিশ তাকে আটক করে।
শ্রীমঙ্গল উপজেলার রাধানগর এলাকায় অবস্থিত দুই তারকা হোটেল প্যারাগন থেকে শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মৌলভীবাজারের নবাগত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর হোসাইনের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ধারণা করা হচ্ছে যে,তিনি সীমান্ত দিয়ে অবৈধ পন্থায় ভারত যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন।
পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর হোসেন রবিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বলেন,’ তিনি বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার হত্যাকান্ডে সরাসরি জড়িত থাকার এজাহার ভুক্ত আসামি। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়,শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে তিনি বাংলাদেশ সীমান্ত হয়ে ভারতে পালাবেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে তাকে আটক করে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। যেহেতু উনার বিরুদ্ধে মামলা আছে শুধু তাকেই আমরা গ্রেপ্তার করছি। আর তার পরিবারের লোকদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়েছে। ’
এরপর মৌলভীবাজার পুলিশ সুপার এম কে এইচ জাহাঙ্গীর হোসেনের নেতৃত্বে যৌথ বাহিনীর একটি টিম ওই হোটেলে অভিযান চালায়। এ সময় হোটেলের ৩১০ নম্বর কক্ষ থেকে ভাট্রিকে আটক করা হয়।
উক্ত অভিযানে নেতৃত্ব দেন মৌলভীবাজার পুলিশ সুপার এম কে এইচ জাহাঙ্গীর হোসেন। এসময় শ্রীমঙ্গল থানার পুলিশ ও সেনাবাহিনীর একটি দল উপস্থিত ছিলেন।
গ্রেফতারকৃত ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর বি এম সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমি আমার পরিবার পরিজন নিয়ে বেড়াতে এসেছি। আমি জানি আমার ওপর ১টি মামলা রয়েছে।’
শ্রীমঙ্গল থানার পুলিশ ও সেনাবাহিনীর একটি দল যখন হোটেল প্যারাগনে কাউন্সিলরের পরিবারের অন্য সদস্যরাও এ সময় রিসোর্টটিতে অবস্থান করছিলেন। তিনি যে কক্ষ অবস্থান করছিলেন,সেখানে অভিযান চালিয়ে নগদ প্রায় আড়াই লক্ষ টাকা জব্দ করা হয়। বর্তমানে কাউন্সিলরকে শ্রীমঙ্গল থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। পরবর্তীতে প্রচলিত আইন অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সিলেট নিউজ/এসডি.