সিলেট নিউজ ডেস্ক :
এই যে রাকিব, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি—এখন নেতার মনোযোগ পাওয়ার জন্য নেতার গাড়ির সামনে লাফিয়ে পড়ছে। যে কোনো মুহূর্তে নেতার গাড়ির নিচে পড়ে তার জীবনও চলে যেতে পারে। তবুও সে এভাবে দৌড়াচ্ছে, শুধু নেতার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য!
বিএনপিতে আসলে ত্যাগী নেতাদের কোনো মূল্য আছে কি? এই রাকিব জুলাইয়ের আন্দোলনে জীবন বাজি রেখে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। পুলিশ ও আওয়ামী লীগকে অনেকটাই কোণঠাসা করে ফেলেছিল। আর এর ফলেই তাদের নেতা ১৭ বছর পর লন্ডন থেকে এসে প্রধানমন্ত্রী হতে পেরেছেন। অথচ সেই রাকিবদেরই কোনো মূল্য নেই। রাকিব কি অন্তত কোনো মন্ত্রিত্ব বা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেতে পারত না? তা দেওয়া হয়নি। দেওয়া হয়েছে ব্যবসায়ীদের, দেওয়া হয়েছে ঋণখেলাপিদের—যাদের গত ১৭ বছরে দৃশ্যমান কোনো অবদানই ছিল না।
আপনারা যদি ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন না করেন, তাহলে তো প্রকৃত নেতা তৈরি হবে না। নেতা তৈরি হবে তখনই, যখন যোগ্যদের কাজের স্বীকৃতি দেওয়া হবে। যখন দেখবেন দল ত্যাগীদের যথাযথ মর্যাদা দিচ্ছে এবং তাদের অবদানকে সম্মান করছে। আর যদি তা না করেন, তাহলে নেতা পাবেন না—পাবেন শুধু তেলবাজ। তারা সুসময়ে থাকবে, কিন্তু দুঃসময়ে পাশে থাকবে না। যেমন খালেদা জিয়ার কঠিন সময়ে, যখন তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল, তখন কজন নেতা বা কর্মী সত্যিকারের পাশে ছিল? কারণ তারা ত্যাগী ছিল না। এখন সুসময়ে হাজার হাজার মানুষ তারেক রহমানের পাশে আসে।
রাকিবের জন্য সত্যিই মায়া লাগে। ছেলেটার একটি নিষ্পাপ হাসি আছে—একদম ইনোসেন্ট। ওর হাসিটা খুব ভালো লাগে। আশা করি, রাকিবকে খুব শিগগিরই তার যোগ্যতা অনুযায়ী তারেক রহমান একটি ভালো দায়িত্বে বসাবেন। ছেলেটা সত্যিই মিষ্টি, সরল আর নিষ্পাপ হাসির অধিকারী।