সিলেট নিউজ ডেস্ক :
একদিকে হাসনাত মাত্র ২৭ বছর বয়সী একটি বা–চ্চা ছেলে সংসদে — আন্দালিব রহমানের পার্থর মতো একজন পাকা প্লেয়ার কে টক্কর দিচ্ছে।। অন্য দিকে দেবীদ্বারের মানুষ, বুড়া জোয়ান সবাই মিলে চায়ের দোকানে মোবাইলে হাসনাতের বক্তব্য শুনছে।। তাঁদের রত্ন হাসনাত কিভাবে একজন পাকা রাজনীতিবিদকে হাতে কলমে প্রমান নিয়ে ডিবেট করছে।।
কোতো সুন্দর হাসতে হাসতে হাসনাত পার্থকে বলে—- পার্থ সাহেব যা বলে গেলেন এসব ডিবেট আমাদের ক্লাস এইট নাইনে করা শেষ।। এইসব নিয়ে কথা বললে আরো ২০ মিনিট সময় লাগবে মাননীয় স্পিকার।। বিগত ১৭ বছরে আপনাদের অনেক নেতা কর্মীরা ধান ক্ষেতে ঘুমাইছে।। ঢাকায় রিক্সা চালিয়েছে।। এইগুলো আমার কথা না মির্জা ফকরুল বলেছেন।।
আর এখন গাং পার হয়ে বলেন মাঝি কার দুলাভাই/সিলেটের ভাষায় এইটাকে বলা হয় গাং ফার হইলে খেওয়ানী খার হালা।
স্পিকার বেডায় ও দেবিদ্বারের এমপির বক্তব্য শুনে শেষের দিকে সময় কমিয়ে দেন এবং মাইক অফ কইরা দিচ্ছিলেন আসলেই সত্য কথা বরাবরই তিতা লাগে।। ২৭ বছরের একটা পোলা পার্থ সাহেবরে এমন ভাবে চেপে ধরলো সংসদে।। এইগুলো দেবীদ্বার বাসী খুব মনোযোগ দিয়ে দেখছিলো, আবার মুরুব্বিরা হুম, ঠিক এইসব কইয়া কইয়া মাথা নাড়াচ্ছিলো।।
এক দাদায় আবার কয় — ৫০ বছরের ভিতরে আমরা এই এমপি পাইছি আমরা ।। যে সাহসী বুক চে-ত-ইয়া কথা কয় ভয় পায়না।। আমাদের আশা পূরণ হইছে, আমরা চাই এই বেডা সংসদে উঠে এমন গলা উঁচু কইরা কথা বলতে পারুক।
সত্যি কতো হাসনাতের বাবা মায়ের গর্বের একটা বিষয় — তাঁদের ছেলে সংসদে বক্তব্য দিচ্ছে আর পাড়ার মানুষ কতো আগ্রহ নিয়ে দেখছে।
(রাইটার নাসির উদ্দিন অনলাইন সংস্করণ)