নিজস্ব প্রতিবেদক:জকিগঞ্জ,সিলেট:
সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় যারা ও এবার চমক হিসেবে রয়েছে নতুন মুখ।
চলতি বছরের শেষ প্রান্তরে (সেপ্টেম্বর-অক্টোবর) স্থানীয় সরকারের অন্যান্য নির্বাচনের পাশাপাশি ধাপে ধাপে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে সরকার ও নির্বাচন কমিশন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর স্থানীয় সরকার কাঠামোর পুনর্গঠন ও আইন সংস্কারের কাজ চলছে। নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট তারিখ ও বিস্তারিত তপশিল নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে পরবর্তীতে ঘোষণা করা হবে বলে জানা গেছে।
উপজেলা নির্বাচনের সার্বিক কাঠামো এবং প্রস্তুতি সম্পর্কে নিচে বিস্তারিত দেওয়া হলো- নির্বাচনের সময়সূচি ও রোডম্যাপ এবংপরিকল্পনা: সরকার বর্তমানে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এরপর পর্যায়ক্রমে সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, ও উপজেলা পরিষদের নির্বাচন ধাপে ধাপে অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু জকিগঞ্জ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নিয়ে আলোচনায় রয়েছেন যারা,জকিগঞ্জ পৌরসভার প্রথম ও প্রতিষ্ঠাকালীন পৌর মেয়র এবং সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান,সিলেট জেলা কৃষকদলের আহবায়ক বিএনপি নেতা ইকবাল আহমদ তাপাদার,জকিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি শফিকুর রহমান,বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ,লেখক,গবেষক ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে যুক্ত ও সালিশি ব্যক্তিত্ব হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী,বিশিষ্ট সমাজসেবক ও রাজনীতিবিদ, সাবেক ছাত্রনেতা ও উপজেলা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সুয়েব লস্কর,সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা গোলাম রোকবানী জাবেদ,সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুস ছবুর,বিএনপি নেতা মো. শাহীন আহমদ,মাওলানা বিলাল আহমদ ইমরান,ফয়জুল ইসলাম চৌধুরীসহ নেতৃবৃন্দ প্রমুখ।
নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রাথী হিসেবে অংশগ্রহণ করতে পারেন বলে গুজ্জন রয়েছে ও আলোচনা চলছে। তবে প্রার্থী হওয়া নিয়ে এখন পর্যন্ত কারো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা ঘোষণার খবর পাওয়া যায়নি।
সময় যত ঘনিয়ে আসবে নির্বাচনী মাঠ তত সরগরম হতে পারে বলে ধারনা করছেন নির্বাচন বিশ্লেষকগণ।তফসিল ঘোষণার পর হয়ত কারা শেষ পর্যন্ত প্রাথী হচ্ছেন আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে।
এর বাইরে অনেকের নাম শুনা যাচ্ছে,প্রার্থীরা জোটগত না এককভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন তাও এখনো সুনির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না।তবে এককভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে খেলাফত মজলিসের মাওলানা মখলিছুর রহমানসহ আরো কয়েকজনের প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
১.তপশিল: নির্বাচন কমিশন ও সরকারের রোডম্যাপ অনুযায়ী, আগস্টের দ্বিতীয়ার্ধে তফসিল ঘোষণা শুরু হতে পারে। নির্বাচন শুরুর পর আগামী ১০ থেকে ১২ মাসের মধ্যে স্থানীয় সরকারের সকল নির্বাচন সম্পন্ন করার রূপরেখা প্রণয়ন করা হয়েছে।
২. ভোটকেন্দ্র ও ব্যবস্থাপনা:স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু করতে নির্বাচন কমিশন কেন্দ্র ও বুথ ব্যবস্থাপনায় বড় ধরণের পরিবর্তন এনেছে। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, প্রতি ২,০০০ ভোটারের জন্য একটি করে ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হবে।ভোট নির্বিঘ্ন করতে প্রতি বুথে পুরুষ ও নারী ভোটারের সংখ্যা পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে।
৩. নির্বাচন পদ্ধতি ও পদ: উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থীরা সাধারণত কোনো দলীয় প্রতীক বা মনোনয়ন ছাড়া (অদলীয়) স্বতন্ত্রভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।একজন ভোটার উপজেলা নির্বাচনের দিন তিনটি ব্যালট পেপারের মাধ্যমে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এর একটি চেয়ারম্যান পদের জন্য, একটি ভাইস চেয়ারম্যান এবং অন্যটি সংরক্ষিত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদের জন্য।