ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের শিল্পনগরী ছাতক ও পার্শ্ববর্তী কোম্পানীগঞ্জ থানা এলাকায় ক্রাশারমিল ও বালুর স্টকের মূল্যবান যন্ত্রপাতি চুরির দীর্ঘদিনের মূল হোতাদের গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত রাতে ছাতক নৌ পুলিশের এক বিশেষ অভিযানে দেড় লক্ষ টাকা মূল্যের ০৬টি চোরাই মোটর এবং চুরির কাজে ব্যবহৃত একটি ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌকাসহ সংঘবদ্ধ চোরচক্রের ৪ সদস্যকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়েছে।ঘটনার বিবরণী থেকে জানা যায়, গত ১৩ জুলাই ২০২৬ তারিখ রাতে কোম্পানীগঞ্জ থানাধীন ইছাকলস পূর্বপাড়া গ্রামের কাটাগাং নদীর তীরে অবস্থিত বশির কোম্পানির বালুর স্টক থেকে এই মূল্যবান মোটরগুলো চুরি হয়। পরবর্তীতে ১৯ জুলাই ২০২৬ তারিখ রাত অনুমান ১০:৩০ ঘটিকায় চোরাই মালামালগুলো বিক্রির উদ্দেশ্যে ছাতক থানার রেলওয়ে কলোনীস্থ সুরমা নদীর তীরে নিয়ে আসা হয়।গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ছাতক থানা পুলিশ তাৎক্ষণিক তৎপরতা চালিয়ে রাত ১১:১৫ ঘটিকায় রেলওয়ে কলোনীস্থ সুরমা নদীর তীরে আসামি রমজান আলীর ভাঙ্গারীর দোকানে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে চোরাই মোটর ও নৌকাসহ ৪ আসামিকে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ।আটককৃতরা হলেন:১. তোফাজ্জল হক (২২), পিতা- নিজাম উদ্দিন২. জুবের মিয়া (২৩), পিতা- মৃত আনিছুর রহমান৩. আবু বক্কর (২২), পিতা- মৃত দুদু মিয়া (সর্বসাং- গনেশপুর ছড়ারপাড়)৪. রমজান মিয়া (৪০), পিতা- মৃত আমির মিয়া (সাং- বাগবাড়ি, থানা- ছাতক)।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে ছাতক ও কোম্পানীগঞ্জ থানা এলাকার সুরমা ও পিয়াইন নদীর উভয়পাড়ে অবস্থিত বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের ক্রাশারমিল এবং বালুর স্টক থেকে মোটর, কনভেয়ার বেল্ট, ট্রান্সফরমারসহ বিভিন্ন মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি করে আসছিল। এই চোরচক্রের গ্রেফতারের ফলে স্থানীয় ক্রাশারমিল ও বালু ব্যবসায়ীদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।উক্ত চুরির ঘটনায় জড়িত ধৃত ও পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে কোম্পানীগঞ্জ থানায় মামলা রুজু করার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।