শিরোনাম
জালালাবাদ এসোসিয়েশন ঢাকা’র উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত ​কুমিল্লার তিতাসে কথিত পীরের বিরুদ্ধে তৌহিদী জনতার বিক্ষোভ ও সমাবেশ ​মৌলভীবাজারে সোনার বাংলা আদর্শ ক্লাবের ৮ম মেধা যাচাই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইলে ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের বিরুদ্ধে জালিয়াতির অভিযোগ: গ্রাহকের বয়স কমিয়ে ভুয়া আইডি কার্ডে ডিপিএস খোলার পাঁয়তারা কনস্টেবল থেকে এএসআই হওয়ার পথে সাজু আহমদের সাফল্যে, গর্বিত জৈন্তাপুর বিএনপির আমলেও যদি ছাত্র – ছাত্রীরা, সুশৃঙ্খল শিক্ষা পদ্ধতি না পায়, এটা হবে জাতির জন্য হতাশা! মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ, প্রাথমিক শিক্ষা নিয়ে রহস্যময় দুর্নীতি এবং শিক্ষা ব‍্যবসা বন্ধ করুন মিরসরাইয় উপজেলা শাখার আদর্শ ছাত্র ও যুব সমাজের ২০২৬-২০২৭ সালের প্রস্তাবিত কমিটি ঘোষণা ভারত থেকে ‘ন্যাশনাল সেভা প্রেরণা অ্যান্ড সোশ্যাল সার্ভিস অ্যাপ্রিশিয়েশন অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ পেলেন কবি ও সাহিত্যিক মুকলেছ উদ্দিন কৃষি জমিতে অনুমতি ব্যতীত মাটি কাটার দায়ে গভীর রাতে অভিযান এসিল্যান্ড চুনারুঘাট
রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

একজন প্রধানমন্ত্রীর ডজনখানেক উপদেষ্টা থাকে, শতাধিক লোক নিয়োগ থাকে, হ‍্যা – না বলার জন্য…

সিলেট নিউজ ডেস্ক / ১১০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬

Manual3 Ad Code

অথই নূরুল আমিন:

বিশেষ করে বাংলাদেশের একজন প্রধানমন্ত্রীর ডজনখানেক উপদেষ্ট করা হয়ে থাকে একদম প্রধানমন্ত্রীর চেনা জানা , শতাধিক লোক থাকে হ‍্যা – না বলার জন‍্য এটা করবেন ওটা করবেন না । এছাড়া রাষ্ট্রের প্রজাতন্ত্রের প্রায় কর্মচারীরা থাকে প্রধানমন্ত্রীর অনুগত। অন‍্য দিকে প্রধানমন্ত্রীর নিজ দলের ও থাকে লক্ষাধিক নেতাকর্মী। এককথায় তারা সবাই প্রধানমন্ত্রীর জনবল বলা চলে । তারপরও তারা কেউ খোঁজে বের করে না কখনও । আসলে দেশের জনগণের মূলত চাওয়া পাওয়া কি একটি সরকারের কাছে?

৭১ সালে দেশ স্বাধীনের পর থেকে আজ পর্যন্ত, দেশের ৬০% জনগণ সুবিধাবঞ্চিতই রয়ে গেলো কেন? এর জন‍্য কারা দায়ী এটা বড় কথা নয়। বড় কথা হলো। যুগে যুগে আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রীর সাথে যারা ছিলো। যারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রধানমন্ত্রীকে বুদ্ধি পরামর্শ যারা দিয়েছিলো। তারা কি সত্যি বুদ্ধিজীবী ছিলো নাকি বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ছিলো? এরকম একটা অদ্ভুত প্রশ্ন কিন্তু থেকেই যায়।

লক্ষ্য করে দেখা গেছে। জনগণ যখন দীর্ঘ অপেক্ষার পরেও একটা সরকারের কাছ থেকে তেমন কিছু তারা পায় না । তখন কিন্তু সুবিধাবঞ্চিত সেই জনগণের কাছে, এককভাবে দোষী হয়ে যান একজন প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং। তখন সেই কুখ্যাত বুদ্ধিজীবীদের বদনাম আর কেউ করে না। আজকে শুনলাম গণ অধিকার পরিষদের সাবেক নেতা রাশেদ খান নিয়োগ পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারি পদে। পদটি মূলত একজন সচিব পদমর্যাদার সমমান। অন‍্যদিকে একজন শিক্ষা উপদেষ্টা দিয়েছেন। যিনি শিক্ষার কিছুই জানেন না বলেই আমার কাছে মনে হয় ।

Manual5 Ad Code

কথাটা হচ্ছে। শেখ হাসিনা নিজের দর্প বজায় রাখতে জনগণ প্রিয় হবার জন্য, দেশের এমন কোনো জায়গা নেই যে, তিনি উন্নয়ন করেননি। অবশেষে মডেল মসজিদ পর্যন্ত নির্মাণ করেছিলেন জনগণের মন পাওয়ার জন‍্য। কিন্তু তা আর হয়নি। কেন হয়নি? তার উত্তর খুবই সোজা। যার জ্বর হয়েছে। মূলত তাকে ঔষধ না খাইয়ে, রোগীর কাথাকে ঔষধ সেবন করানো হয়েছে। দেশের প্রতিটি উন্নয়ন কাজ একইভাবে করা।

Manual6 Ad Code

আমি পূর্বেই বলেছি যে, দেশের ৬০% সুবিধাবঞ্চিত জনগণের জন‍্য যতদিন পর্যন্ত একজন প্রধানমন্ত্রী কাজ না করবেন। চির অবহেলিত সিংহভাগ জনগণের কল‍্যাণে, তাদের জীবনমান উন্নয়নে, কাজ না করবেন। ততদিন পর্যন্ত দেশটাকে এগিয়ে নেয়া যেমন সম্ভব নয়। তেমনি একজন প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রিয়তা অর্জন করাও সম্ভব নয়।

বিশেষ করে আওয়ামী লীগ সরকার লোক দেখানো উন্নয়ন করেছে সবচেয়ে বেশি। এটাকে বলে মাথা ব‍্যথার মলম পায়ে লাগানোর মতো অবস্থা। এখানে সবার আগে বৈষম্য দূর করা খুবই জরুরি। উন্নয়ন হলো তার পরে। প্রশ্ন থাকে যে, বৈষম্য আসলে কি বা বৈষম্য কোথায়?

উত্তর হলো : আমাদের দেশে সবচেয়ে বড়ো বৈষম্যের নাম হচ্ছে ধনী- গরিবের প্রার্থক‍্যর বৈষম্য। দেখা যায়,এখানে যার সম্পদ আছে। মানে জমি- জমা,ঘর- বাড়ি,ব‍্যাংক ব‍্যালেন্স ইত্যাদি। তাদের বেলায় রয়েছে বহু মাত্রিক আয় রোজগারের পথ । আর সমাজে ভূমিহীন, গৃহহীন অথবা ভাসমান তাদের আয় রোজগার কিন্তু এক মাত্রিক। যেমন চাকরি হলে চাকরিরবেতন, আর ক্ষুদ্র ব‍্যবসা হলে ওখান থেকে মাসে যা আসে। আর দৈনিক হাজিরা বা রিক্সা অথবা ভ‍্যান চালকদের একই অবস্থা।

Manual2 Ad Code

এমন অসহায় অবস্থায় থেকে ভূমিহীন, গৃহহীন ও ভাসমান পরিবার গুলোর কখনও কোন স্বপ্ন তারা পূরণ করতে পারে না। সন্তানের জন‍্য ভালো কিছু কিনে আনতে পারে না। সন্তানদেরকে লেখাপড়া শেখাতে পারে না। ঐ ধরনের গরিব লোকের সংখ্যাই আমাদের সমাজে বেশি। তাই একটা সরকারের উচিৎ তাদের জন‍্য গ্রহণযোগ্য কিছু করা।

Manual2 Ad Code

এখানে অনেক পাঠক বলবেন। সরকার তো টিসিবির পণ্য কম দামে বিক্রি করছে গরিবের জন‍্য। অনেকে বলবেন, সরকারি স্কুল আছে ফ্রি পড়ার জন‍্য। এছাড়া বর্তমান সরকার ফ‍্যামেলি কার্ডসহ নানারকম সুযোগের কথা বলছে।
জী। আমি ও জানি। তবে কথা থাকে যে, আমাদের দেশে প্রায় বারো কোটি জনগণ দারিদ্র্য এবং সুবিধাবঞ্চিত। একটি সরকারের পক্ষে কোনভাবেই এত বড় জনগুষ্টির ভরণপোষণের দায়িত্ব নেয়া সম্ভব নয়।
তবে তাদের জন‍্য কার্ড নয়। টিসিবির পণ্য নয়। জরুরি ভাবে সরকারের কিছু পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন বলে আমি মনে করি।
১. ন‍্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করন। ২. একান্ত অসচ্চল পরিবার গুলোর জন্য পূনর্বাসন করন। ৩. বয়স্কদের জন‍্য স্বাস্থ্য সেবা বিনামুল্যে প্রদান করন। ৪. যুবদের জন‍্য কর্মসংস্থানের ব‍্যবস্থা করন। ৫. ভূমিহীন – গৃহহীনদের ছেলে মেয়েদের জন‍্য মাষ্টার্স পর্যন্ত বিনামুল্যে শিক্ষা অর্জনের আয়োজন করন। ৬. দরিদ্র জনবলকে উন্নয়ন এবং মানবসম্পদ এবং কর্মমুখী শিক্ষা অথবা মেধা বিকাশে কাজে লাগানো। সরকার এবং ভূক্তভোগী জনগুষ্ঠি উভয়ই যেন লাভবান হয়, সেরকম পদক্ষেপ নেয়া খুবই জরুরি বলে দেশের সাধারণ জনগণ মনে করেন।
পরিশেষে বতর্মান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে বিনীত প্রস্তাব। কম দামি আর তোষামোদ কারী বুদ্ধিজীবীদের বুদ্ধি নিয়ে অন‍্যদের মতো মাথার মলম পায়ে লাগাবেন না। অযথা রাষ্ট্রের টাকা নষ্ট না করে জাতির কল‍্যাণে লাগে। সেরকম মানবসম্পদে ভরপুর হয়। এরকম কিছু কাজ বড় আকারে করবেন বলে সমগ্র জাতি প্রত‍্যাশা করে। আমরাও আশাকরি সুন্দর হোক দেশের পরিবেশ, শ্লোগানটা মূল্যবান হোক। সবার আগে বাংলাদেশ।

অথই নূরুল আমিন
রাজনৈতিক বিশ্লেষক কলাম লেখক ও রাষ্ট্রচিন্তক
প্রধান মুখপাত্র জাতীয় মানবসম্পদ উইং
প্রধানমন্ত্রীর মানবসম্পদ উন্নয়ন উপদেষ্টা গ্রন্থ লেখক


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

বিভাগের খবর দেখুন

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code
Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code