শিরোনাম
সিলেটের জৈন্তাপুরকে পৌরসভা ঘোষণা, উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা ভূতের দেশের গল্প, (পর্ব এক ) আসহাবে কাহাফের ঈমানদীপ্ত অলৌকিক ঘটনাটি মুসলিম উম্মাহর সামনে তুলে ধরেছেন। হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী শারদীয় দুর্গাপূজা সম্পন্ন, উৎসবমুখর আয়োজনে বিদায় নিলেন দেবী দুর্গা সরকার অগোছালো কাজ করেই যাচ্ছে, বিরোধী দল ঘুমে আচ্ছন্ন, সফলতা আসেনি জুলাই যোদ্ধাদের পুলিশের এডিশনাল আইজিপি ডি আইজি সহ একাধিক পুলিশ কর্মকর্তার নাম ভাঙ্গিয়ে সালমান ওভার সিজের অভিনব প্রতারণার ফাদ সিলেট নিউজে সংবাদ প্রচারে প্রতারক ডিবি পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে কারাগারে রয়েছে জয়নগর পাওয়ার গ্রিডের গেটে হাজিরা দিচ্ছেন সহকারী শিক্ষিকা নিলুফার ইয়াসমিন দুর্গাপূজার আনন্দ ছড়িয়ে দিতে জৈন্তাপুরে শাড়ি ও চাল বিতরণ মাহবুবুল কিবরিয়া চৌধুরী (হেলিম): এক কীর্তিমান ব্যক্তির সংক্ষিপ্ত জীবনী জগন্নাথপুর আনন্দময়ী ও বাদ্য আর অঞ্জলিতে মণ্ডপে মণ্ডপে উদযাপিত হচ্ছে মহানবমী
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৮ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

​নদী খনন ও বাঁধের কবলে কৃষকের স্বপ্ন, পানিতে বিলীন শত শত বিঘা জমি

সিলেট নিউজ ডেস্ক / ১০০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

Manual2 Ad Code

রিপন মিয়া ​মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

Manual3 Ad Code

শাখা বরাক নদীতে জাল ও চাঁটাই ফেলে সৃষ্টি করা কৃত্রিম বাধা এবং অপরিকল্পিত খননের কারণে জলাবদ্ধতায় চরম বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকেরা। ফলে মৌলভীবাজারের ৫০০ বিঘারও বেশি জমির রোপা আমন ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। বিপুল পরিমাণ ফসলের ক্ষয়ক্ষতি হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যে চরম হাহাকার দেখা দিয়েছে।
​ভুক্তভোগীরা জানান, মৌলভীবাজার সদর উপজেলার খলিলপুর ইউনিয়নের চানপুর, আলাপুর,কাটারাই, খঞ্জনপুর ও সাটিয়াসহ কয়েকটি গ্রামের বুক চিরে বয়ে যাওয়া শাখা বরাক নদীটি দীর্ঘদিন ধরে ভরাট হয়ে মরা খালে পরিণত হয়েছিল। ২০২০ সালে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাাউবো) ১ কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে নদীটির সাড়ে আট কিলোমিটার অংশ খনন করে। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীতীরবর্তী প্রভাবশালী দখলদারদের উচ্ছেদ না করে মাত্র ৩০ থেকে ৪০ ফুট প্রশস্ত করে অপরিকল্পিতভাবে এই খননকাজ করা হয়েছিল।
​তাছাড়া নবীগঞ্জ অংশে নদীর মুখ বন্ধ থাকায় এবং যথোপযুক্ত খনন না করায় সামান্য বৃষ্টি হলেই পুরো এলাকায় কৃত্রিম জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। এর ওপর সাম্প্রতিক সময়ে নদীর সাটিয়া ও গোরারাই, ফরাসতপুর, গ্রামের কাছে একটি চক্র বাঁশের খুঁটি ও চাঁটাই দিয়ে মাছ ধরার স্থায়ী ফাঁদ তৈরি করেছে। ফলে পানি নিষ্কাশন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। টানা বৃষ্টি ও প্রখর রোদে তলিয়ে থাকা আমন ধান পানির নিচে পচে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
​কাটারাই গ্রামের কৃষক ছানু মিয়া, নুর মিয়া,জামাল মিয়া, আক্ষেপ করে বলেন, “দুই দফায় চারা রোপণ করেও ধান ঘরে তুলতে পারছি না। নদীর কিছু অংশ খনন করায় এক বিপদ, তার ওপর মাছ ধরার জন্য ফাঁদ পেতে পানি আটকে রাখা হয়েছে। তীব্র রোদে তলিয়ে থাকা সব ধান পচে শেষ।” খঞ্জনপুরের শিক্ষক রিংকু চৌধুরী জানান, ঋণ করে ফসল ফলানো হলেও এসব অবৈধ ফাঁদের কারণে পানি সরতে না পেরে তাদের অধিকাংশ জমির ফসল এখন পচে গেছে।
​এ বিষয়ে খলিলপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু মিয়া চৌধুরী জানান, বাঁশের ফাঁদ বা খাঁটিয়া দেওয়ার কারণে নদীতে এক থেকে দেড় ফুট পানি জমে থাকছে। প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে বারবার তাগাদা দেওয়া সত্ত্বেও স্থানীয় জেলেরা মাছ ধরার এসব বড় ফাঁদ অপসারণ করেনি। ইউপি সদস্যের মাধ্যমে এটি দ্রুত অপসারণের চেষ্টা করা হচ্ছে, অন্যথায় উপজেলা প্রশাসনের সহায়তা নেওয়া হবে।
​মৌলভীবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাজিব হোসেন জানান, নদীতে ফাঁদ পেতে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা তৈরি করে কৃষকের ক্ষতি করার কোনো সুযোগ নেই। যারা এ ধরনের কাজ করছে, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুতই কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

Manual8 Ad Code


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

বিভাগের খবর দেখুন

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code
Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code