শিরোনাম
​মৌলভীবাজারে সোনার বাংলা আদর্শ ক্লাবের ৮ম মেধা যাচাই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইলে ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের বিরুদ্ধে জালিয়াতির অভিযোগ: গ্রাহকের বয়স কমিয়ে ভুয়া আইডি কার্ডে ডিপিএস খোলার পাঁয়তারা কনস্টেবল থেকে এএসআই হওয়ার পথে সাজু আহমদের সাফল্যে, গর্বিত জৈন্তাপুর বিএনপির আমলেও যদি ছাত্র – ছাত্রীরা, সুশৃঙ্খল শিক্ষা পদ্ধতি না পায়, এটা হবে জাতির জন্য হতাশা! মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ, প্রাথমিক শিক্ষা নিয়ে রহস্যময় দুর্নীতি এবং শিক্ষা ব‍্যবসা বন্ধ করুন মিরসরাইয় উপজেলা শাখার আদর্শ ছাত্র ও যুব সমাজের ২০২৬-২০২৭ সালের প্রস্তাবিত কমিটি ঘোষণা ভারত থেকে ‘ন্যাশনাল সেভা প্রেরণা অ্যান্ড সোশ্যাল সার্ভিস অ্যাপ্রিশিয়েশন অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ পেলেন কবি ও সাহিত্যিক মুকলেছ উদ্দিন কৃষি জমিতে অনুমতি ব্যতীত মাটি কাটার দায়ে গভীর রাতে অভিযান এসিল্যান্ড চুনারুঘাট বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দুধরচকীর পরামর্শ দ্য অপটিমিষ্ট-এর ১৭ লাখ ৩০ হাজার টাকার শিক্ষাবৃত্তি প্রদান
রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৩১ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

প্রধানমন্ত্রীর কাছে খোলা চিঠি, আপন অন্ধ ছেলেও হীরার খনি, শুধু দলীয় লোকদের প্রশংসা নিবেন না

সিলেট নিউজ ডেস্ক / ১৪৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

Manual5 Ad Code

অথই নূরুল আমিন:

কথা থাকে যে, বাংলাদেশের ইতিহাস বড়ো কঠিন। এখানে কেউ কাউকে বড়ো হবার সুযোগ তৈরি করে দেয় না। বরং যতটুকু সম্ভব নীচের দিকে দাবিয়ে রাখার চেষ্টাই বেশি চলছে। চলছে পরচর্চা- পরনিন্দা। প্রতিদিন চলছে বিরোধী দলের কোন না কোন নাটক। এভাবেই দিন যাচ্ছে রাত যাচ্ছে। ধরুন এই খোলা চিঠিটাই হয়তো যদি প্রধানমন্ত্রীর মুখ‍্য সচিব বা একান্ত সচিব অথবা দলের কোন এমপি বা মন্ত্রীর নজরে পরে। এরকম একটি চিঠি কিন্তু তখন প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আর্কষণ করবে না। তার প্রধান কারণটা যদি এই পত্র লেখক বড়ো হয়ে যায়। একজন এমপি সংসদে এরকম একটা চিঠি নিয়ে আলোচনা করবে না। যদি পত্র লেখকের সুনাম হয়ে যায়। তবে দেশের প্রায়, সকল জনগণের নজর কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর দিকেই বেশি। জনগণ বলাবলি করছে। যোগ‍্য বাপের যোগ্য সন্তান তারেক রহমান, অবশ্যই গরিবের জন‍্য এবার ভালো কিছু করবেন। ভালো কিছু আশা করা যায়।

এখানে এই ধরনের আলোচনা করা খুবই স্বাভাবিক।বাংলাদেশের বতর্মান প্রধানমন্ত্রী কে? উত্তর হবে, তারেক রহমান। তারেক রহমান কে? কি তাঁর পরিচয়? উত্তর হবে, তারেক রহমান,সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের বড়ো সন্তান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সন্তান। এখানে দেশে ও বিদেশে তারেক রহমানের যে ধরনের পরিচয় রয়েছে। তা অনেক বড়ো পরিচয়। যা গোটা দুনিয়ায় বিরল। এরকম কলাম কিন্তু আমি তারেক রহমানকে ২০১৩- ২০১৪ তেও বিভিন্ন উদাহরণ দিয়েছিলাম।

বিভিন্ন দেশের অসংখ্য রাষ্ট্র প্রধানের পরিচয় পাওয়া যায়। তার বাবা জুতা পালিশের কাজ করতেন। কারো বাবার রেল স্টেশনে চায়ের দোকান ছিলো ইত্যাদি ইত্যাদি। এই যে আমাদের বতর্মান প্রধানমন্ত্রীর এতো বড়ো দুই টা পরিচয় রয়েছে। গত সাত মাসেও কিন্তু বতর্মান প্রধানমন্ত্রীর,তাঁর সেই গুণাবলী জনগণের মাঝে প্রতিফলিত হয়নি তেমন ।

Manual7 Ad Code

বিদ‍্যুত সমস্যা, গ‍্যাস – তেল সমস্যা? এই সমস্যা গুলো কিন্তু খুবই ক্ষণিকের। হয়তো বা সামনে এগুলোর ফল ভালো হবে। কিন্তু তারেক রহমানের কাছে দেশের সাধারণ জনগণ কি চায়? সাধারণ জনগণ তাদের ন‍্যায‍্য অধিকার ফিরে পেতে চায়। যা জনগণের দীর্ঘদিনের চাওয়া পাওয়া। যেমন :-

১. শিক্ষাব্যবস্থা ঢেলে সাজানো, প্রথম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি ধীরে ধীরে মাষ্টার্স পর্যন্ত অবৈতনিক করন।
২. স্বাস্থ্য সেবা শতভাগ রোগী বান্ধব। প্রায় সবধরনের চিকিৎসা। তবে অবৈতনিক নয়, সেবার মান উন্নত করন এবং অর্থ ব‍্যয়ে সাশ্রয়ী।
৩. দেশের প্রায় আড়াই কোটি নিম্ন আয়ের তথা ভূমিহীন গৃহহীন ভাসমান জনগণের জন্য কর্মমুখী পূনর্বাসন প্রকল্প চালু করন ।
৪. দেশের প্রায় তিন কোটি জনগণের জন‍্য আত্ম কর্মসংস্থান সৃষ্টি করন।
৫. দেশের তিন লাখ মধ‍্যবিত্ত ও নিম্ন বিত্ত পরিবারের যুবক যুবতিদের জন্য সরকারের অর্থায়নে বিয়ে এবং পূনর্বাসন।( শর্ত সাপেক্ষে)
৬. প্রতি জেলায় পশু – পাখি ও মাছের অভয়ারণ‍্য করন।
৭. দেশের অরক্ষিত সকল বাজার গুলো ( দায় সিদ্ধ ) সুরক্ষিত করন।
৮. প্রতিটি উপজেলা/ পৌরসভা এলাকায় ” বিগ টাওয়ার” নির্মাণ করন। শ্লোগান : এক জায়গায় সকল সেবা।
৯. যানজট নিরসন করন, বাইক, অটোরিকশা না উঠিয়ে ফসলী জমি নষ্ট না করেই উদ্যোগ গ্রহণ করন।
১০. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে নতুন আঙ্গিকে বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয় করন। ( স্থান পরিবর্তন নকশা পরিবর্তন )
প্রত‍্যেক ছাত্র ছাত্রীদের জন‍্য আলাদা রুমসহ তৈরি করন।
১১. এম বি বি এস ডাক্তার ও নার্সদের জন্য অবৈতনিক ট্রেনিং কেন্দ্র বা কলেজ স্থাপন করন।
১২. শিশু জন্মের পরেই সরকার কর্তৃক এক লাখ টাকা প্রদান করন। ধনি গরিব সকলের জন্য।

Manual1 Ad Code

উপরের বিষয়গুলো কিন্তু করা খুবই সহজ। অথচ অর্থমন্ত্রী অর্থ মন্ত্রণালয়, পরিকল্পনা মন্ত্রী বা মন্ত্রণালয়, জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ ( একনেক ) তাদের মেধা বা মগজে কিন্তু এগুলো নেই । যে কাজে কমিশন নেই। সেই কাজে যত তাল বাহানা। উল্টা আরো এই পত্র লেখকের নামে যথেষ্ট তুচ্ছতাচ্ছিল্য চলতে পারে। এমনকি অপমান অপদস্ত ও করতে পারে। তবে যদি এই তিনটি জায়গায় বা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দু চারজন লোকও ভালো মনের থেকে থাকে তাহলে এই পত্র খানার যথেষ্ট মূল্যায়ন হবে। পত্র লেখকের মূল্যায়ন হবে। যদি কোন ভালো মনের সাংবাদিক এই পত্র খানা হাতে পান। তখন অবশ্যই এটা প্রচার করবেন। এই বিশ্বাস আমার আছে।

কথা থাকে যে, এই চাওয়া পাওয়া গুলো কিন্তু এতো জরুরি ছিল না। ১৯৯১ তে যখন বিএনপি ক্ষমতায় এসেছিলো। এই চাওয়া পাওয়া গুলো কিন্তু তখন খুবই কম ছিলো জনগণের মাঝে । ২০০১ বিএনপি যখন আবার ক্ষমতায় এলো তখনও এতো চাওয়া পাওয়া জনগণের ছিলো না। জনগণ অনেক সচ্ছল ছিলো।

এই চাওয়া পাওয়া গুলোর প্রয়োজন হলো। আওয়ামী লীগ সরকার যখন একটানা পনেরো- ষোল বছর ক্ষমতা ধরে রেখেছিল। এখানে তারা দেশের উন্নয়নের নামে, মেগা প্রকল্পের নামে, দেশের প্রায় তিন কোটি জনগণকে বেকার করে দিয়ে গেছে । আজকে তাদের মধ‍্যে প্রায় আশি লাখ লোক, সেই বেকারের বুঝা মাথায় নিয়ে অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে চলছে। তাদের কিন্তু মূলত কোনো ভবিষ্যত নেই। অসংখ্য শিক্ষিত ছেলেরা আজকে পাঠাও বা বাইক চালিয়ে সংসার চালাচ্ছে এটা হচ্ছে ক্ষমতাধরদের অযোগ্যতার বহিঃপ্রকাশ । অসংখ্য শিক্ষিত ছেলেরা ফুটপাতে ছোট ব‍্যবসা করে সংসার চালিয়ে যাচ্ছে । এরকম কোনো ভালো কাজ আওয়ামী লীগ সরকার করতেই পারেনি যে, জনগণের কল‍্যাণ হয়েছে। একটি দেশের নাগরিকের যদি হয় এই হাল। তাহলে রাষ্ট্রের কর্ণধারদের উপরে তো সেই দোষ গিয়ে পরবেই।

আওয়ামী লীগ পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল নিয়ে গর্ব করে, এগুলো আসলে জনগণের জন‍্য কোনো কাজ নয় বলে আমি মনে করি। এই গুলো হচ্ছে সময়ের সাথে প্রযুক্তির সাথে সাথে কাজগুলো করে যাওয়া। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ ( একনেক) জাতির মহা স্বার্থের কোনো কাজ আজও করতে পারেনি। যা থেকে সমগ্র জাতির প্রতিটা নাগরিক একযোগে সুফল পেয়েছে । গত মঙ্গলবারে ও একনেক সভায় আড়াই লাখ কোটি টাকার বাজেটে মেট্রোরেল প্রকল্পের বিল পাশ হলো স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষরে। কথা থাকে যে, এখানে একটা সময় সরকারের লোকসান হবে। আবার যাত্রীদের বেলায় অর্থ ব‍্যায় করে চলতে হবে। তাই এই কাজ গুলো দরকার নেই। আমি তা বলছি না। এই মেট্রোরেল করতে কত বছর সময় ব‍্যয় হবে কত বসতি জমি ফসলি নষ্ট হবে। তা কিন্তু একনেক কমিটির চিন্তা নেই। অথচ এর চেয়েও দশগুণ বড়ো প্রকল্প করলেও সময় ও কম লাগবে । বসতি বা ফসলি জমিও নষ্ট হবে না। সেরকম একাধিক পরামর্শ দেবার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে কমপক্ষে পঞ্চাশটা চিঠি দিয়েছি। কোন সারা পাওয়া গেলো না। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তো তাহলে কিছু চোর কিছু মুর্খ অবশ্যই কর্মকর্তা রয়েছে। তারাও তো চায় না। না চায় আমার ভালো না চায় সরকারের।

বাংলাদেশের জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (একনেক ) আওয়ামী লীগের ষোল বছর, ইউনূসের আঠারো মাস, বতর্মান সরকারের প্রায় সাত মাস এর ভিতরে জনকল্যাণে এবং সরকারের আয় বর্ধক কোন প্রকল্পই করতে পারেনি। আর ভবিষ্যতে ও এই পরিষদ ভালো কিছু করতে পারবে বলে মনে হয় না। যার আমলে যাই করেছে। শুধুমাত্র সরকারকে খুশি করার প্রকল্প গুলো করেছে । হিংসা বিদ্বেষ আর লোকসানী যত প্রকল্প সবগুলো একনেক থেকেই করা হয় । একটি সরকারকে আইক্কাওয়ালা বাঁশ দেয়ার যতগুলো কাজ আছে। সবগুলো একনেক থেকে করা হয়। সরকারের পতন হয়। জনগণ বলে ভালো হইছে। এই হলো একনেক কমিটির গুণাবলি! যার জন্য আজও সরকারের নিজস্ব তেমন কোন আয় নেই। প্রতি বছরের বাজেটে সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন ভাতা এবং অবকাঠামো উন্নয়নের নামে বাজেটের আকার বাড়াতেই হচ্ছে মোটা অংকের অর্থ। আর এদিকে রাতারাতি বেড়ে যাচ্ছে পণ্যের মূল্য। বেড়ে যাচ্ছে জনগণের নিত‍্য ব‍্যয়। বেড়ে যাচ্ছে ভ‍্যাট – ট‍্যাক্স ইত্যাদি।

এভাবে প্রতিবছরই যদি সরকারের ভুলে, সরকারের কোন নিজস্ব আয় না আসে। দেশের জনগণ সারাজীবন অর্থ কষ্টে থাকে, পুষ্টিহীনতায় গরিবেরা ভুগে। তাহলে জনগণ কেন একটি সরকারের প্রশংসা করবে? আজকের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যদি দেশের জন্য সত্যি সত্যি ভালো কিছু করতে সক্ষম হন। তাহলে যেমন সুনাম হবে তারেক রহমানের, তেমনি সুনাম হবে উনার বাবাও মায়ের। আর এখানে যদি কোনরকম সুফল না আসে, তাহলে কিন্তু জনগণের মাঝে আসবে চরম ক্ষোভ,আসবে ভুল আলোচনা । নিন্দুকেরা সেদিন উনার বাবা মায়ের ভুল গুলো শুধুমাত্র লোকসমাজে নিয়ে আসবে। দলীয়ভাবে বিএনপি দুর্বল হয়ে যাবে।

আসলে ক্ষমতা কিন্তু চিরদিন থাকে না। তবে ভালো কর্ম ভালো কাজের ইতিহাস থেকে যায় সারাজীবন। প্রিয় পাঠক এই খোলা চিঠি পাঠ করে যদি বিন্দুমাত্র ভালো লেখে থাকে। অবশ্যই প্রধানমন্ত্রীর বরাবর পৌছে দিবেন আশাকরি। আমি পারিনি। আমি ব‍্যর্থ হয়েছি। কারণ প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে দেশের সবচেয়ে বড়ো বড়ো শিক্ষিতরা চাকরি করে। তাই এই রকম বাংলা চিঠির ভাষা ওরা বুঝে না। আমি আবার ওতো শিক্ষিত না । ইংরেজিতে লিখতে পারি না। রাজা বাদশাহর আমলেও একজন রাজা তার রাজ‍্যের যোগ্য লোকটার সন্ধান পেতেন। মানুষের মুখে মুখে তারপর রাজ দরবারের উজির সেনাপতির মাধ‍্যমে। আজকে এই ইন্টারনেটের যুগেও আমরা একজন এমপি মন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করতে পারি না। তাদের পিএসরা কখনও একজন যোগ্য লোককে সাক্ষাৎ করতে সুযোগ দেয় না। এই ধরুন জাতীয় প্রেসক্লাবের বতর্মান সভাপতি কিন্তু বিএনপি পন্থী। সেও এখন কোন একটা চিঠি খোলে পাঁচ মিনিট পড়বে। এরকম সময় তারও নেই। সবাই যদি আমরা খাই আর খাই পার্টিতে পরিণত হই। তাহলে বিগত সরকারের কাজ আমরা কি কোন শিক্ষা নিয়েছি? না। আসলেই তাই। কথা থাকে যে, বিগত আওয়ামী লীগের আমলেও সাধারণ জনগণের জন‍্য ছোট খাটো কিছু কাজ করা হয়েছিল। তাই মাঝে মাঝে কিছু জনগণকে বলতে শোনা যায় আগেই ভালো ছিলাম। বিএনপি সরকারের উচিৎ আরো ভালো কিছু করার। বিশেষ করে দেশের সকল সুবিধাবঞ্চিত জনগণের জন‍্য। পরিশেষে আমার লেখা এই খোলা চিঠি পাঠ করার পর যদি কেউ কষ্ট পেয়ে থাকেন। আমি সেই জন্য দুঃখিত। আসলে এই খোলা চিঠি আমার ব‍্যক্তি লাভের কিছু নয়। সবাই ভালো থাকবেন। আল্লাহ্ হাফেজ।

Manual8 Ad Code

অথই নূরুল আমিন
রাজনৈতিক বিশ্লেষক কলাম লেখক ও রাষ্ট্রচিন্তক
প্রধান মুখপাত্র জাতীয় মানবসম্পদ উইং।
প্রধানমন্ত্রীর মানবসম্পদ উন্নয়ন উপদেষ্টা গ্রন্থ লেখক।

Manual7 Ad Code


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

বিভাগের খবর দেখুন

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code
Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code