শিরোনাম
সাইবার বুলিংয়ের শিকার ডা.. সিনথিয়া:মানসিক চাপ সামলে দিচ্ছেন চিকিৎসাসেবা সিলেট নগরীতে ‘লিগ্যাল এজ সলিউশন’র বিরুদ্ধে ইউকে ভিসার নামে ২৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ টাকা ফেরত না দিয়ে অপহরণ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ জামালগঞ্জে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে ‎প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার, কাজের কাজ না করে, বিভিন্ন নাটক সাজিয়ে পার করছে সময় দখল হওয়া খেলার মাঠ দ্রুত অবমুক্ত করা হবে শ্রীমঙ্গলে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক সিলেটে অপহরণ-ছিনতাইয়ের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন, জড়িতদের গ্রেপ্তার চান সুমন ইউকে ওয়ার্ক পারমিট ভিসার নামে সাড়ে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ, ‘লিগ্যাল এজ সলিউশন’-এর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ মানুষের স্বভাব পরিবর্তন অসম্ভব নয়: হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী ব্যক্তিগত ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার তিনদিন পর কিশোরীর মর্মান্তিক মৃত্যু গোলাপগঞ্জ প্রেসক্লাবে নতুন কমিটির বিএনপি ও জামায়াতের কর্মীদের মিষ্টিমুখ, এ কার্যক্রম থেকে বাদ মুলধারার সাংবাদিকরা
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১২ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

সিলেট নগরীতে ‘লিগ্যাল এজ সলিউশন’র বিরুদ্ধে ইউকে ভিসার নামে ২৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ টাকা ফেরত না দিয়ে অপহরণ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

সিলেট নিউজ ডেস্ক / ৫৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬

Manual3 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার:

যুক্তরাজ্যে (ইউকে) ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে এক নারীর কাছ থেকে প্রায় সাড়ে ২৭ লাখ টাকা নেওয়ার পর তা ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সিলেট নগরীর জিন্দাবাজার কাকলী শপিং মলের ‘লিগ্যাল এজ সলিউশন’ নামের একটি ভিসা প্রসেসিং প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে।

Manual5 Ad Code

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই নারী পাওনা টাকা ফেরত ও আইনগত প্রতিকার চেয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগে প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট হিসেবে মো. মুক্তার হোসাইন ও ইমন আহমদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।https://dailysylhetnews24.com/2026/10/07/63247/

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারী দীর্ঘদিন ধরে ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় যুক্তরাজ্য যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। সেই সূত্রে তিনি ‘লিগ্যাল এজ সলিউশন’ নামক প্রতিষ্ঠানের সত্ত্বাধিকারী সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার অলংকারী এর মৃত আমরু মিয়ার পুত্র মো. মুক্তার হোসাইন ও সিলেটের দক্ষিন সুরমা উপজেলার লালাবাজার ইউনিয়নের নাজিরগাঁও বাহাপুর এর ইসকন্দর আলী ভিলার আব্দুল জলিল এর পুত্র ইমন আহমদ এর সাথে যোগাযোগ করেন।

গত ০৭ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে অফিসে আলোচনার পর বিবাদীরা জানান যে, ইউকে ওয়ার্ক পারমিট ভিসার জন্য মোট ১৭,৫০০ পাউন্ড (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা) খরচ হবে।

Manual4 Ad Code

চুক্তি অনুযায়ী, প্রাথমিক প্রসেসিং ফি হিসেবে একই দিনে ১ (এক) লক্ষ টাকার চেক (নং-বিএস২৫-১২৮৭৭১২) প্রদান করেন ভুক্তভোগী নারী। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে একটি লিখিত চুক্তিপত্র সম্পাদিত হয়, যেখানে উল্লেখ ছিল- কোনো কারণে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হলে বা বিদেশে পাঠাতে ব্যর্থ হলে পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে প্রদত্ত সমস্ত অর্থ ফেরত দিতে বাধ্য থাকবে প্রতিষ্ঠানটি।

Manual5 Ad Code

পরবর্তীতে ১৭ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে বিবাদীগণ ভয়েস মেসেজের মাধ্যমে ভুক্তভোগীকে জানান যে, তাঁর ভিসার ‘কস’ (ঈঙঝ) চলে এসেছে এবং দ্রুত অবশিষ্ট টাকা পরিশোধ করতে হবে। বিবাদীদের কথায় বিশ্বাস স্থাপন করে ভুক্তভোগী নারী ও তাঁর আত্মীয়স্বজন পর্যায়ক্রমে ব্যাংকের মাধ্যমে ২৭ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা পরিশোধ করেন।

টাকা হস্তান্তরের বিবরণ : ১. ২০/১১/২০২৪: বাদীর পূবালী ব্যাংক (শিবগঞ্জ শাখা) হিসাব থেকে ১নং বিবাদীর ‘হোসেন এন্টারপ্রাইজ’-এর ডাচ-বাংলা ব্যাংক (বিশ্বনাথ শাখা) হিসাবে ৬ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। ২. ২০/১১/২০২৪: (পরিবারের সদস্যের হিসাব নম্বর হতে) পূবালী ব্যাংক (শাহজালাল উপশহর শাখা) হিসাব থেকে ১নং বিবাদীর ‘হোসেন এন্টারপ্রাইজ’-এর ডাচ-বাংলা ব্যাংক (বিশ্বনাথ শাখা) হিসাবে ৪ লক্ষ টাকা। ৩. ২৫/১১/২০২৪: (পরিবারের সদস্যের হিসাব নম্বর হতে) পূবালী ব্যাংক (শাহগলি বাজার শাখা) হিসাব থেকে ১নং বিবাদীর ‘হোসেন এন্টারপ্রাইজ’-এর ডাচ-বাংলা ব্যাংক (বিশ্বনাথ শাখা) হিসাবে ৫ লক্ষ টাকা। ৪. ২৬/১১/২০২৪: ((পরিবারের সদস্যের হিসাব নম্বর হইতে বিয়ানীবাজার শাখা) থেকে ২নং বিবাদী ইমন আহমদের ডাচ-বাংলা ব্যাংক (উপশহর শাখা) হিসাবে ১০ লক্ষ টাকা। ৫. ০৯/১২/২০২৪: (বিবাদীর নিজ হিসাব নম্বর হইতে)পূবালী ব্যাংক (শিবগঞ্জ শাখা) হিসাব থেকে ১নং বিবাদীর ‘হোসেন এন্টারপ্রাইজ’-এর ডাচ-বাংলা ব্যাংক (বিশ্বনাথ শাখা) হিসাবে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। ৬. ০৯/১২/২০২৪: ক্যাশ ডিপোজিটের মাধ্যমে ১নং বিবাদীর ‘হোসেন এন্টারপ্রাইজ’-এর ডাচ-বাংলা ব্যাংক (বিশ্বনাথ শাখা) হিসাবে আরও ৬০ হাজার ১২০ টাকা।

পরবর্তীতে গত ২০ মার্চ ২০২৫ তারিখে বাদীর ভিসা রিফিউজ হয়। চুক্তি অনুযায়ী ভুক্তভোগী টাকা ফেরত চাইলে বিবাদীরা নানা টালবাহানায় সময় ক্ষেপণ করতে থাকে।

উল্লেখ্য যে, বিবাদী ইমন আহমেদ মোক্তার হোসেনের আপন ভাগনা (ভগ্নীর ছেলে) সর্বশেষে গত ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে ২নং বিবাদীর পিতার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ ঘটনার কোনো দায়ভার নিতে অস্বীকৃতি জানান।
একই দিনে হোয়াটসঅ্যাপে ১নং বিবাদীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি টাকা ফেরত দিতে স্পষ্টভাবে মানা করে দেন এবং আইনি ব্যবস্থা নিলে অজ্ঞাতনামা লোকজন দিয়ে অপহরণ ও প্রাণনাশের হুমকি দেন বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়।

ভুক্তভোগী বাদী জানান, “পূর্বপরিকল্পিতভাবে প্রতারণার মাধ্যমে আমার সর্বস্ব লুটে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে আমি আর্থিক পারিবারিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত এবং আমার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।”

অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করে থানা পুলিশ জানায়, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্তপূর্বক জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Manual4 Ad Code


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Registration Form

[user_registration_form id=”154″]

বিভাগের খবর দেখুন

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code
Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code