কবিতা-
শরিফ ওসমান হাদী!
চারণ কবি মুকলেছ উদ্দিন
কি আর বলব আজ যার নাম ছিল শরীফ ওসমান হাদী
এমন আচার আচরণ দেখিনি আমি কারো আমার জীবন বদি।
তার প্রতিটি কথা ছিল যেন খাঁটি স্বর্ণ হীরার টুকরা
পরশ পাথর বললেও চলে না আকাশের তারা।
যেমন পৃথিবী যখন চাঁদের আলোয় উজ্জল ঝলমল করে
তখন এই শত্রু কালো অমাবস্যার ছায়ায় ঘিরে ফেলে তারে।
ঠিক তেমনি মহান সৃষ্টিকর্তা মানুষ সৃষ্টির করার পরে
একদল ফেরেশতা তখন প্রকাশ্যে শত্রুতা সৃষ্টি করে।
তাদের সর্দারের নাম মাকরুম সে
শত্রুতার সর্বস্ব ক্ষমতা পায়
তাই মানুষের রুপ ধরে পৃথিবীর সর্বত্র বিচরণ করে বেড়ায়।
ওরা মানুষরূপী শয়তান মাকরুম
তাদের চেনা বড় দায়
যেখানেই ভালো দেখে সেখানেই ঝগড়া বিবাদ লাগায়।
সে গুষ্টি বংশ নির্বিশেষে সামাজিক কর্মকাণ্ডে ঢুকে পড়ে
এমনকি রাজনীতিতে ঢুকে তার নিজস্ব আইন চালু করে।
তখন ক্ষমতায় আসে ফ্যাসিবাদ
দুর্নীতিবাজ স্বৈরাচারী
নিরীহদের হয়রানি তার যত অকর্ম
আইন সব করে জারি।
সেই পরিসরে মহান সৃষ্টিকর্তা তার প্রতিনিধি পাঠায়
তার নছিহতে মানুষ আবার সৎ পথ দেখতে পায়।
তারা আবার বেশিদিন পৃথিবীতে টিকতে পারে ন ধরায়
সত্যের আলো ছড়িয়ে দিয়ে তার
ঠিক জায়গায় চলে যায়।
আমার মনে হয় সৃষ্টিকর্তা হাদীকে প্রতিনিধি করে পাঠিয়েছিল
তা যদি নয় তাহলে কেন তার মৃত্যুতে বিশ্ববাসী শোকাহত হল?